গোলাখালীতে ৮৮টি পরিবার নদী ভাঙ্গনে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা


প্রকাশিত : মে ৫, ২০১৭ ||

রমজানগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর সুন্দরবণ সংলগ্ন গোলাখালী ৮৮টি পরিবার ও ২ হাজার বিঘা জমি অবৈধ বালু উত্তোলন কারীদের অর্থ লালসায় নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা যে যেভাবে পারছে যত্রতত্র বালু উত্তোলন করে বহাল তবিয়্যাতে বাণিজ্য করে যাচ্ছে। সরকার সুন্দরবন সংশ্লিষ্ট নদী, খাল ও উপকুলীয় এলাকা থেকে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। সম্প্রতি ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বালু উত্তোলনের বিষয় মনিটরিংয়ের জন্য কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। অথচ স্থানীয় একটি মহল বড় বড় ঠিকাদারদের হাত ধরে উপজেলা প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে বালু বাণিজ্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ও কৈখালী ইউনিয়নের গোলাখালী বালুর চরে কৈখালীর কোস্ট গার্ড ও ভেটখালী ব্রিজের পাশে গিয়ে দেখা যায় খুলনা ঠিকাদার হায়দার আলী, কৈখালী ইমাম হোসেন বড় বড় কার্গো ও ট্রলার লাগিয়ে বহাল তবিয়্যাতে বালু উত্তোলন করছে। বন বিভাগ প্রশাসন নিরব। সরকার যেখানে বালু উত্তোলন না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন, অথচ সরকারি কিছু অসাধু কর্মচারী তারা নিজেদের স্বার্থে বালু উত্তোলনকারীদের সাথে সখ্যতা রেখে তাদের সাথে বালু বাণিজ্যে অংশগ্রহণ করে চলেছে। সুন্দরবণ সংলগ্ন গোলাখালী বালুর চর থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ না করলে সাধারণ মানুষ ভয়ানক সামস্যায় পড়বে বলে শেখ আবজালুরর রহমান, শেখ আলতাফ হোসেন, শেখ আব্দুল আলিম, রফিকুল ইসলাম, ইউনূস আলী সহ অনেকে জানান। ইঞ্জিন চালিত মেশিন দিয়ে সুন্দরবণে ভিতরে প্রবেশ করে গোলাখালী চর থেকে বালু নিয়ে কৈখালী কোষ্ট গার্ডের ১২ বিঘা জমির ১০ ফুট উঁচু রাস্তার জমির গর্ত ভরাট করতে লাগবে ২০ লক্ষ ফুট বালু ২৫ কিলোমিটার রাস্তা কার্পেটিং করতে লাগবে বালু ও স্থানীয় বালু ব্যাবসায়ীরা বালু এনে টাল দিয়ে মোটা দামে বিক্রি করছে ইট, ভাটা মালিকদের কাছে। সুন্দরবণ সংলগ্ন নদীগুলোতে বহাল তবিয়্যাতে বালু উত্তোলন করার কারণে উপকূলীয় পাউবোর বেড়িবাধে ও ব্যাপক ফাটল ধরেছে। সব মিলিয়ে সরকারি নিষিদ্ধ কাজটি বহাল তবিয়তে কিভাবে হচ্ছে, এটিই বোদগম্য নয় সচেতন মহাল। এমুহুর্তে অবৈধ্য বালু উতেআতালন কারীদের রুখতে না পারলে গোলাখালী ৮৮টি পরিবার পাইবোর বেড়িবাধ ও উপকূলীয় জনপদের হুমকির মুখে পড়বে। এ কারণে শ্যামনগরের সচেতন মহাল জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।