গরমে তাল পাতার পাখার জুড়ি নেই


প্রকাশিত : মে ১১, ২০১৭ ||

রনজিৎ বর্মন, সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর): প্রচন্ড খরতাপে বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় তাল পাতার পাখার জুড়ি নেই। যে স্থানে বিদ্যুৎ নেই সেখানে তাল পাতার পাখার বিকল্প কোন ভাবনা আছে বলে মনে হয় না। শ্যামনগর উপজেলা সদরের বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন তালপাতার পাখা ক্রেতা করিম গাজী ও তার পরিবারের লোকজন এমন কথা শোনালেন।
পাখা বিক্রেতা কালীগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামের খাঁন তাজমুল হোসেন বলেন, প্রচন্ড গরমে তাল পাতার পাখার চাহিদা ব্যাপক। তিনি সকালে বাস স্ট্যান্ডে এসে বসেন এবং সন্ধ্যার পর বাড়িতে যান। প্রত্যহ খরচ বাদে ৩/৪ শত টাকা লাভ পান বলে জানান। পাখাগুলি কালীগঞ্জ উপজেলার বেলেডাঙ্গাসহ অন্যান্য স্থান থেকে ক্রয় করে আনেন। তিনি একজন মৌসুমি ব্যবসায়ী। প্রত্যেক বছর গরমে এ তাল পাতার পাখার ব্যবসা করেন। মৌসুম শেষে একটা ভাল লাভও পেয়ে থাকেন বলে জানান। তবে তিনি অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে বাজারে প্লাষ্টিকের পাখা বা অন্যান্য জিনিসের তৈরী পাখা বিক্রি হওয়ায় চাহিদা একটু কমেছে। তার পরও তাল পাতার পাখার বাতাস ঠান্ডা ও পাখা হালকা থাকায় এর চাহিদা রয়েছে। আরও এক ব্যবসায়ী বলেন, যদি বিদ্যুতের সমস্য প্রকট থাকে চাহিদা বেড়ে যায়  ও বিদ্যুৎ বিহীন গ্রামের মানুষের মধ্যে এর চাহিদা ভাল। দেখা যায় পাখা ব্যবসায়ী খাঁন তাজমুল ইসলাম রৌদ্রে পুড়ে খরতাপের মধ্যে মানুষের ঠান্ডা বাতাস খাওয়ানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মুন্সিগঞ্জ জেলেখালী গ্রামের বাসিন্দা পাখা ক্রেতা নদী রানী বলেন, গরমে খুব সহজে বিকল্প বাতাসের এক মাধ্যম তাল পাতার পাখা তাইতো শ্যামনগর বাজারে এসে পাখাটি কিনলাম। এদিকে অনেকে মতামত প্রকাশ করে বলেন, শ্যামনগর তাল গাছ কম থাকায় বাইরে থেকে তাল পাতার পাখা বিক্রেতা চলে আসেন।