ধর্ষণ মামলার আসামি প্রকাশ্যে!


প্রকাশিত : মে ১৩, ২০১৭ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্কুল পড়–য়া ২য় শ্রেণির ছাত্রীর ধর্ষণ মামলার আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানায় গত ২৯ মার্চ সাতক্ষীরা সদরের ফিংড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্রী উত্তর ফিংড়ী গ্রামের হতদরিদ্র (১২)কে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ঐ দিন সকাল ১০টার দিকে স্কুলের পাশে বাঁশ বাগানে গর্তের ভিতরে মুখ চেপে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে একই এলাকার মৃত আব্দুর রউফ সরদারের পুত্র ঝাল মুড়ি বিক্রেতা লম্পট মো. সুমন হোসেন (২৮)। সে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাত্রীকে স্কুলে পাঠায়ে দেয়। স্কুলে এসে শিশু তার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে কান্নাকাটি করে। শিক্ষকরা তার বাড়ি পাঠায়ে দেয়। বাড়িতে গেলে বাবা-মা ও এলাকাবাসি ঘটনাটি  বুঝতে পেরে ধুলিহর পুলিশ ফাড়িকে জানায়। এএসআই সৈয়দ আলী সাথে সাথে সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত স্কুল ছাত্রীর কাছে বিষয়টি শুনে এবং ২ ঘন্টার অধিক সময় ঘটনাটি তদন্ত করেন। ঐদিন খবর পেয়ে সদরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা খানম আহত স্কুল ছাত্রীর জবান বন্দি ও ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করেন। তদন্ত ও পরিদর্শন শেষে সার্কেল অফিসার ধর্ষিত স্কুল ছাত্রীকে চিকিৎসার জন্য সাথে নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি করান এবং চিকিৎসা শেষে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়ে যান। পরে ঐদিন অর্থাৎ গত ২৯ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় সাতক্ষীরা সদরের উত্তর ফিংড়ী গ্রামের আহত ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রীর মাতা একজন প্রতিবন্ধির স্ত্রী শাহিদা খাতুন বাদি হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০এর ৯(১) ধারায় মামলা করেন। যার মামলা নং-৭২। মামলায় একই গ্রামের নারী লোভী লম্পট মৃত আব্দুর রউফ সরদারের পুত্র মো. সুমন হোসেনকে আসামী করা হয়। দেড় মাস হতে গেল মামলার আসামী প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরা ফেরা করতে দেখা গেলেও পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করছে না বলে জানান মামলার বাদি। বর্তমানে মামলার আসামী সহ তার পরিবার বাদিকে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করছে বাদিকে। এমন নিকৃষ্ট ঘটনায় জড়িত মামলার আসামী সুমন হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বাদি শাহিদা খাতুন সহ তার পরিবার।