দেবহাটায় বজ্রপাতে নিহত অসহায় পরিবারে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান


প্রকাশিত : মে ১৬, ২০১৭ ||

দেবহাটায় বজ্রপাতে নিহত অসহায় পরিবারে পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন মধু’র বড় ছেলে খাইরুল ইসলাম। উল্লেখ, গত ৫ মে উপজেলার চিনেডাঙ্গা গ্রামের মৃত. কাশেম তরফদারের পুত্র আব্দুল মাজেদ মধু(৪৪) শ্রমিকের কাজে নড়াইলে বজ্রপাতে মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যু বরণের ২দিন পর গ্রামবাসীর সহযোগীতায় মরদেহ বাড়িতে এনে দাফন করা হয়। নিহত আব্দুল মাজেদ মধু মৃত্যুকালে ২ পুত্র ২ কন্যা ও এক শয্যাশয়ী স্ত্রী এবং বড় ঋণের বোঝা রেখে পরলোক গমন করেন। উক্ত পরিবারে একমাত্র মধুই ছিল উপার্জনের ব্যক্তি। তিনি মারা যাওয়ায় পরিবারটি অতল সাগরের ¯্রােতের মুখে পরেছে। তাছাড়া মধু পৈত্রিক সম্পত্তি না থাকায় আরো বেশি বিপাকে পড়েছে পরিবারটি। তিনি মারা যার পরদিন থেকে পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ব্যক্তিদের সহযোগীতায় দুবেলা খাওয়ার যোগান ছিল। কিন্তু অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের সহযোগীতার পরিমান প্রায় বন্ধ হওয়ায় কোন বেলা খেয়ে আবার কোন বেলা না খেয়ে সময় কাটছে অসহায় পরিবারটির। আর এতে গভীর দূচিন্তায় প্রতিটা সময় কাটছে। শুধু তাই নয় মধু’র একপুত্র সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র এবং অপর একজন দেবহাটা মডেল হাই স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। পৃত্রিহীন পুত্রদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে হতে বসেছে। অপরদিকে নিহত ব্যক্তির স্ত্রী হামিদা পারভীন দীর্ঘ ৭/৮ বছর ধরে শয্যাশয়ী হয়ে পড়ে আছেন। যার জন্য প্রতিদিন অনেক টাকার ঔষধ প্রয়োজন হয়। যেটিও যোগান অনেকটা বন্ধ হয়ে গেছে। উক্ত পরিবার প্রধানের অকাল মৃত্যুতে আমাবশ্যার ঘোর অন্ধকার নেমে এসছে। এমন পরিস্থিতে সরকার ও সমাজের বৃত্তবানদের সহযোগীতা কামনা করেছেন নিহত পরিবারের সদস্যরা। পরিবারটির পক্ষ থেকে সহযোগীতা চেয়ে ০১৯৯৮৮১০৬৫৬ ব্যক্তিগত বিকাশ নাম্বারের মাধ্যমে সহযোগীতা চেয়েছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি