যশোরে যৌতুক মামলায় গ্রামীণফোনের খুলনা অঞ্চলের সিনিয়র প্রকৌশলী কারাগারে


প্রকাশিত : মে ২৪, ২০১৭ ||

যশোর প্রতিনিধি: যশোরে যৌতুক মামলায় গ্রামীণফোনের খুলনা অঞ্চলের সিনিয়র প্রকৌশলী সুব্রত কুমার সাহাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার স্ত্রীর রুজু করা যৌতুক মামলায় হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন দেশের এই শীর্ষ মোবাইল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানির কর্মকর্তা সুব্রত কুমার সাহা। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হুমায়ুন কবির তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
সুব্রত কুমার সাহা খুলনার হাজী মেহের আলী সড়কের জাতিসংঘ পার্ক এলাকার মৃত পঙ্কজ সাহার ছেলে। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৬ সালের ৩ মার্চ যশোর শহরের বেজপাড়া  গয়ারাম সড়ক এলাকার উত্তম কুমার সাহার মেয়ে পাপিয়া সাহাকে বিয়ে করেন সুব্রত সাহা। বিয়ের আগে সুব্রতের পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী ২০ ভরি সোনার গহনা, টিভি, ফ্রিজ ও সংসারের যাবতীয় আসবাবপত্র দেওয়া হয়। বিয়ের সময় নগদ টাকার প্রয়োজনে সুব্রত সাহার পরিবার পাপিয়ার পরিবারের কাছ থেকে তিন মাসের মধ্যে পরিশোধের শর্তে ছয় লাখ টাকা ধার নেয়। কিন্তু সেই টাকা শোধ না করে কয়েক মাস পর আসামি ফের দশ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে সুব্রত সাহার নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গেলে পাপিয়া সাহা তার বাবার বাড়ি চলে আসেন। মীমাংসায় ব্যর্থ হয়ে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পাপিয়া সাহা তার স্বামী সুব্রত সাহাকে আসামি করে যৌতুক নিরোধ আইনে যশোর জুডিসিয়াল আদালতে মামলা করেন। এ মামলায় সুব্রত সাহা মীমাংসার শর্তে জামিন নিয়ে পরবর্তীতে আর আদালতে হাজিরা দেননি। গত ১৫ মে মামলটি বিচারের জন্য জুডিসিয়াল-১ আদালতে বদলি করা হয়। মঙ্গলবার মামলার ধার্য দিনে সুব্রত সাহা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক মামলার শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে আটক করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।