ক্যাপশন নিউজ: নকীপুরের রায়বাহাদুর হরিচরণ রায় চৌধুরী


প্রকাশিত : জুলাই ১৭, ২০১৭ ||

শ্যামনগর উপজেলার নকীপুরের রায়বাহাদুর হরিচরণ রায় চৌধুরী দক্ষিণাঞ্চলের বিশিষ্ট জমিদার ছিলেন। নকীপুর দাতব্য চিকিৎসালয়, নকীপুর হাইস্কুল, সংস্কৃত স্কুল, রাস্তাঘাট নির্মাণসহ বহু জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘রায়বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করেন। সেই জমিদার হরিচরণ রায় চৌধুরীর বসতবাড়ি আজ ধ্বংসের দ্বারে উপনীত। পোড়ামাটির ইটের গাঁথুনি আজও সেই রকম আছে। নোনামাটির নোনা হাওয়ায় নির্মিত এ বাড়িটি কালের সাক্ষী হয়ে আজো দাঁড়িয়ে আছে। সারা বাড়িতে যেনো কিসের একটা নীরবতা। ইটের গায়ে নোনা স্পর্শ করতে না পারলেও অযতœ অবহেলায় ইটগুলো খসে পড়ছে। জানালা দরজা না থাকায় গবাক্ষে পরিণত হয়েছে পুরো বাড়িটি। ইটের গাঁথুনির থরে থরে জন্ম নিয়েছে বটবৃক্ষ। চার স্তরের বাড়িটি এ অঞ্চলের ঐতিহ্য। ইতিহাসের উপাদান তো বটেই। এ বাড়ি ঘিরে আরো আছে জোড়া মন্দির, গোসলখানাসহ বেশ কিছু স্থাপত্য। যা ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী। কিন্তু সরকারিভাবে এসব স্থাপত্য রক্ষণাবেক্ষণ না করায় তা ধ্বংসের দ্বারে উপনীত। এসব স্থাপত্য আমাদের গৌরবময় অতীতকে স্মরণ করিয়ে দেয়। বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের শিক্ষার জীবন্ত উপকরণ এসব স্থাপনা। এগুলো সংরক্ষণ করা অতীব জরুরী। এসব স্থাপনাকে ঘিরে গোটা সাতক্ষীরা হতে পারে পর্যটন পার্ক। এ জেলার পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে ঐতিহ্যের নানা নিদর্শন। সুন্দরবনের কোলে সৌন্দর্য্যরে আবরণে মোড়ানো সাতক্ষীরাকে পর্যটন নগরে পরিণত করা সময়ের দাবি। ছবি ও লেখা: এসএম শহীদুল ইসলাম