এড. এটিএম আলী আকবরের দপ্তরে বাল্যবিবাহ সম্পাদন


প্রকাশিত : আগস্ট ৪, ২০১৭ ||

জেলা জজ কোর্টের নোটারী পাবলীক আইনজীবি এড. এটিএম আলী আকবর এবং এড. আশরাফুল আলম সিদ্দিকি (মনা)’র দপ্তওে বাল্যবিবাহ সম্পাদন হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৩-০৭-২০১৭ তারিখে দুই অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালক বালিকার নোটারী পাবলিকের ক্ষমতা বলে আইনগত নিষিদ্ধ বাল্যবিবাহ সম্পাদনের অভিযোগে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নোটারী পাবলিকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫০ টাকার স্টাম্পে বিবাহের এফিডেভিট কপির মাধ্যমে গত ২৩-০৭-২০১৭ তারিখে পৌরসভার মধুমল্লারডাঙ্গীর মো. মোফাজ্জেল গাজীর পালক পুত্র মো. আব্দুল্লাহ বয়সপ্রাপ্ত না হওয়া সত্তেও তাকে ২২ বছর বয়স দেখিয়েছে এবং শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর গ্রামের রফিকুল গাজীর মেয়ে বংশীপুর বালিকা বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী মাইমুনা (১৪) কে সাবালক সাজিয়ে ১৯বছর বয়স দেখিয়েছে। পারিবারিক ও নোটারী পাবলিক সম্পাদিত এই বাল্যবিবাহে সরাসরি জড়িত ছিলেন মেয়ের বাবা-মা, মামা, ছেলের মা, বাবা, খালা মুহুরী আব্দুল হামিদ এবং এড. দূর্গাপদসহ আরও অনেকে।
ঘটনার পরিপেক্ষিতে সাতক্ষীরা জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির মাহফূজা সুলতানা রুবি, এড. সরদার সাইদ, মানবাধিকার কর্মী সাকিবুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, হাবিবুল হাসান, সাংবাদিক শহিদুল ইসলামসহ অনেকের হস্তক্ষেপে প্রথম দফায় ঘঠনাস্থলে পৌছালে এই ঘঠনার রহস্য উদঘাটন হয়। দ্বিতীয় দফায় জেলা পরিষদ সদস্য এড. শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, সাংবাদিক নাজমুল আলম মুন্না, মানবাধিকার কর্মী সাকিবুর রহমানসহ অনেকে পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনা স্থলে পৌছালে শিশু বর-বধূ পালিয়ে যায়। পরবতীতে জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ অনুযায়ী মামলার প্রস্তুতি নেওয়া বলে জানা যায়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি