ডুমুরিয়ায় যৌতুকলোভী স্বামীর লাঠির আঘাতে স্ত্রী আহত


প্রকাশিত : আগস্ট ১২, ২০১৭ ||

যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় স্ত্রীকে লাঠির আঘাতে রক্তাত জখম করেছে এফএম রফিকুল ইসলাম নামের এক পাষন্ড স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার সকালে ডুমুরিয়া উপজেলার গোনালী গ্রামে। আহত রুমানা বেগম ডুমুরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নের গোনালী গ্রামের হতদরিদ্র মতলেব শেখের একমাত্র কন্যা রুমানা খাতুনের সাথে বিগত ১৭ বছর পূর্বে একই গ্রামের অশের আলী ফকিরের ছেলে এফএম রফিকুল ইসলামের মুসলিম শরীয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়েতে মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে দরিদ্র পিতা নগদ টাকা ও আসবাবপত্র সহ লক্ষাধিক টাকা যৌতুক দেয়। বিয়ের ৫/৬ বছর ভালো গেলেও বেকার স্বামী আবারও স্ত্রী রুমানাকে তার পিতার নিকট থেকে যৌতুক আনার জন্য চাপ দিতে থাকে এবং কারনে অকারনে প্রায়ই স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করতে থাকে। এক পর্যায়ে ্গত সোমবার সকালে বাড়ীতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বাঁধলে স্বামী রফিকুল উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে সজোরে মাথায় আঘাত করে। এতে স্ত্রী রুমানা মাথা ফেটে রক্তাত জখম হলে তাৎক্ষনিক তাকে ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত রুমানা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের বলেন,আমার স্বামী একজন যৌতুকলোভী,জুয়াখোর ও পাষন্ড ।প্রতিনিয়ত আমাকে শারীরিক ও মানষিক ভাবে নির্যাতন করে। সে আমাকে এবং আমার গরীব পিতাকে দলের পরিচয়ে ভয়ভীতি ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এর বিচার চাই। এ প্রসঙ্গে খর্ণিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল হোসেন দিদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,আহত রুমানাকে চিকিৎসা নিতে বলেছি এবং বিষয়টি পারিবারিক ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করছি।