কালিগঞ্জে সিঁড়ির নিচ থেকে ৪টি গোখরা সাপ ও ৭২টি ডিম উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জের মুথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী গ্রামের একটি পুকুরের সিঁড়ির নিচে গর্তের ভিতর থেকে বিশাল আকৃতির ৪টি পদ্মখোখরা সাপ আটক এবং ৭২টি ডিম উদ্ধার করেছে স্থানীয় সাপুড়েরা। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে এলাকাবাসির উপস্থিতিতে সাপ আটক ও ডিম উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুদলী গ্রামের সৈয়দ শওকাত আলীর ছেলে সৈয়দ আকরাম আলীর বাড়ির পুকুরের সিড়ির তলায় সাপ দেখতে পেয়ে উপজেলার মাদকাটি গ্রামের সাপুড়ে আমজাদ হোসেন ও খুব্দীপুর গ্রামের সাপুড়ে আব্দুল জলিলকে খবর দেয় গৃহকর্তা ও এলাকাবাসি। সাপুড়েরা ঘটনাস্থলে পৌছে সিড়ির নিচের গর্ত থেকে একে একে চারটি বিশাল আকৃতির গোখরা সাপ বের করে। এসময় গর্তের ভিতর থেকে ৭২টি সাপের ডিম উদ্ধার করা হয়। ৪ টি বিষধর সাপ আটকের ঘটনায় এলাকায় মানুষের মাঝে সাপ আতংক বিরাজ করছে।

কালিগঞ্জে চারদলীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় শ্যামনগরের ভুরুলিয়া চ্যাম্পিয়ন

নিয়াজ কওছার তুহিন: কালিগঞ্জের কুশলিয়া ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ৪ দলীয় ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। কুশলিয়া কসমস ক্লাব আয়োজিত প্রতিযোগিতার ফাইনালে কালিগঞ্জের জিরণগাছা লিটন একাদশ ও শ্যামনগেেরর ভুরুলিয়া ফুটবল একাদশের মধ্যকার নির্দ্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ গোলে অমিমাংসিত ভাবে শেষ হয়। পরবর্তীতে টাইব্রেকারে ভুরুলিয়া ফুটবল একাদশ ৫-৪ গোলের ব্যবধানে লিটন একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা পরিচালনা করেন ফিফার রেফারী শেখ ইকবাল আলম বাবলু এবং সহকারী ছিলেন সৈয়দ মোমেনুর রহমান, সামু ও তাপস সরকার। প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে পুরস্কার হিসেবে একটি করে রঙিন টেলিভিশন তুলে দেন কুশলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী কাউফিল অরা সজল ও ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা। প্রচুর সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

আজকের পঞ্জিকা

আজ ইং ১৯ আগস্ট ২০১৭, বাং ০৪ ভাদ্র ১৪২৪ সাল, রোজ শনিবার, সূর্যোদয় ভোর ৫.৪৬ মি. গতে সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬.৩৪ মি. গতে। দ্বাদশী তিথি দিবা ৬.৩৬ মি. পরে ত্রয়োদশী রাত্রি ৪.২২ মি. পর্যন্ত তারপর চতুর্দ্দশী আরম্ভ এবং তা রোববার রাত্রি ২.২২ পর্যন্ত। জন্মে- মিথুনরাশি বৈশ্যবর্ণ মতান্তরে শূদ্রবর্ণ দেবগণ। যোগিনী- নৈর্ঋতে দিবা ৬.৩৬ মি. গতে দক্ষিনে। যাত্রা-নাই, ত্র্যহস্পর্শদোষ। বারবেলা দিবা ১.৪৬ মি. গতে ৩.২২ মি. মধ্যে। কালবেলা দিবা ৭.২২ মি. মধ্যে ও ৪.৫৮ মি. গতে ৬.৩৪ মি. মধ্যে। অমৃতযোগ দিবা ১০.০১ মি. গতে ১.২১ মি. মধ্যে। দিবা ৬.৩৬ মি. মধ্যে একাদশীর পারণ।

কলরোয়ায় সৈনিকলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ কলরোয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার বিকালে এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলারোয়া সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের আহবায়ক রুবেল মল্লিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সরদার মুজিব। এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের আহবায়ক মাহমদু আলী সুমন, যুগ্ম আহবায়ক এপিপি ওসমান গণি, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স.ম মোরশেদ আলী, পৌর আ.লীগের সভাপতি আজিজুর রহমান, উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধেশ্বর চক্রবর্তী, অধ্যক্ষ আবির হোসেন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফিরোজ হোসেন স¤্রাট।

ভারতে পাচারকালে বেনাপোল সীমান্তে ১৪টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: বেনাপোল গাতিপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারকালে আবারও ১কেজি ৪শ গ্রাম ওজনের ১৪টি স্বর্ণের বারসহ কদর আলী নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি। সে বেনাপোল দৌলতপুর গ্রামের আমানত আলীর ছেলে। তবে এসময় সোনা ব্যাবসায়ি একই গ্রামের আব্দুস সামাদকে আটক করতে পারেনি বিজিবি। এনিয়ে এক মাসের ব্যবধানে ৮টি সোনার চালান আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। গত ৮ আগস্ট ১কেজি ৪শ গ্রাম ওজনের ৭টি সোনার বারসহ এক পাচারকারীকে আটক করে বিজিবি। আটককৃত কদর আলী জানান, সোনার মালিক আব্দুস সামাদ। ৫০০টাকার চুক্তিতে সোনারগুলো বিশেষ স্থানে পৌছে দেওয়ার জন্য দেন তাকে।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল হক জানান,শুক্রবার সন্ধায় বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে একটি স্বর্নের চালান ভারতে পাচার হয়ে যাচ্ছে জানতে পারে বিজিবি। গাতিপাড়া সড়কে অভিযান চালায় তারা। আটক করা হয় কদর আলীকে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় উল্লেখিত স্বর্ণ। আটককৃত স্বর্ণের মূল্য প্রায় ৫৪লাখ টাকা বলে জানায় বিজিবি। আটক সোনা পাচারকারীকে বেনাপোল পোর্ট থানায় এবং সোনা বেনাপোল কাষ্টমসে জমা দেওয়া হবে বলে জানায় বিজিবি।

সাবেক দু’নেতার দাপট: লাবসার মাগুরা গ্রামের দিশেহারা সংখ্যালঘু পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাবেক দুই নেতার দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন লাবসার মাগুরা এলাকার এক সংখ্যালঘু পরিবার। অবৈধভাবে জমি দখলের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা। ওই জমি বিক্রিয় দখল করতে না দেয়ায় ওই জমি বিক্রেতাকে হত্যা, গুম ও দেশছাড়া করার হুমকিও দিচ্ছেন ওই দুই নেতা। ওই দুই নেতা হলেন, সাবেক যুবলীগ নেতা লাবসা এলাকার রফিকুল ইসলাম রানা ও একই এলাকার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এনামুজ্জামান নিপ্পন।
এ অভিযোগ সদর উপজেলার লাবসার মাগুরা এলাকায় মৃত দূর্গাপদ ব্যনার্জি (ঠাকুর মাস্টার) এর ছেলে পবিত্র ব্যনার্জির। বিক্রিত জমি রেজিষ্ট্রি করতে না দেওয়ার জন্য পথ অবরোধসহ জেলা রেজিস্টারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কাগজপত্র সঠিক থাকায় তা সম্ভব হয়নি। জমি বিক্রি বন্ধ করতে না পেরে বিভিন্ন মাধ্যমে টাকাও দাবি করছেন তারা। জমি বিক্রি করে এখন বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
ওই দুই সাবেক নেতা তাদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য তুরুপের তাস হিসাবে ব্যবহার করছেন পবিত্র ব্যানার্জির কাকাতো ভাই বহু বিবাহের নায়ক শংকর ব্যানার্জীকে। জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শংকর ব্যানার্জীর সাথে পবিত্রের বিরোধ রয়েছে। তবে শংকের দাবি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে দাবি করেছেন পবিত্র।
তিনি জানান, কৈলেশ ব্যানার্জির দুই ছেলে বসন্ত কুমার ও শরৎ কুমার। তার মৃত্যুর পর ৮টি দাগের ৩ একর ৯০ শতক সম্পত্তি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত হন তারা দুই ভাই। বসন্ত কুমারের ওয়ারেশ শংকর কুমার। অন্যদিকে শরৎ কুমারের ওয়ারেশ পবিত্র ব্যানার্জি। বসন্তের ও আবার দুই ছেলে ননি গোপাল ও সুরেন্দ্র ব্যানার্জী। ননি গোপাল ছোটকাল থেকেই ভারতে বাসবাস করতেন। যে কারণে তার ভাগের সম্পত্তি ভোগদখল করতো শংকরের পিতা সুরেন্দ্র। ননিগোপালের সম্পত্তির জাল দলিল করে সুরেন্দর বিক্রিও করেছিলেন। ননিগোপাল ভারতের বাসিন্দা হাওয়ায় ননিগেপাল গংদের জমি ১২ অক্টোবর’১৯৮৩ সালে ৮টি দাগের ১ একর ৬৫শতক এনিমি সম্পত্তি হিসাবে গণ্য করে সরকার। এরপর থেকে ৩ একর ৯০ শতক জমির কোন প্রকার খাজনা গ্রহণ করতো না সরকার। বিষয়টি জানতে পেরে পবিত্র ব্যানার্জী ভূমি অফিস, স্যাটেলমেন্ট অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করে জানতে পারেন ভারতের বসবাসের কারনে ননি গোপাল গংদের সম্পত্তি এনিমি হয়েছে। (যা গেজেটে উল্লেখ রয়েছে ননি গোপাল দিং, সাং- ভারত ১ একর ৬৫ শতক)। কিন্তু তার পৈত্রিক সম্পত্তি এনিমি হয়নি। কারণ সে শরৎ এর ওয়ারেশ। ফলে তিনি খাজনাদি প্রদান শুরু করেন। ইতোমধ্যে তিনি মিউটিশন, মাঠপর্চাও উত্তোলন করেছেন। এঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে শংকর ব্যনার্জী। তার পৈত্রিক সম্পত্তি এনিমি হয়েছে সেটি তিনি মানতে চান না। তার বক্তব্য একই দাগের সম্পত্তি কিভাবে পবিত্র উদ্ধার করেছেন। কিন্তু শংকর মূল বিষয়টি না বুঝে পবিত্র এর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকবার তাকে মারপিটও করেছেন এবং তাকে হত্যার হুমকি প্রদর্শন করছেন। এছাড়া পবিত্রকে পথে বসানোর জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করে শংকর। কিন্তু কোন ভাবে পবিত্রকে জব্দ করতে না পেরে ওই সাবেক দুই পাতি নেতার সহযোগিতা নিয়েছেন শংকর। তারা সুযোগ বুঝে শংকর কে তুরুপের তাস হিসাবে ব্যবহার করছেন। ইতোমধ্যে ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা পবিত্র এর কাগজপত্র সঠিক থাকায় এবং এনিমি না হাওয়ার কারণে আইনানুগ কাজ করায় ওই ২ নেতা নেতৃত্বে ৪০/৫০ জনের বাহিনী ভূমিকর্মকর্তাদের বিভিন্ন সময়ে হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। এতে করে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন ভূমি কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, বিগত ২০০৮ সালে ৫৯শতক ক্রয়কৃত সম্পত্তির করে ক্রয় করেন। একই সালে তিনি ওই সম্পত্তির মধ্যে থেকে সাড়ে ১৩ শতক জমি মুনজিতপুর এলাকার জি এম আইয়ুব ও নাজমা খাতুনের কাছে বিক্রি করেন। তারা ওই জমি ২০১১ সালে হরিহরনগর (তালা) এলাকার আনোয়ারা খাতুনের কাছে। আনোয়ারা খাতুনের বাড়ি ও তার ছোট সুব্রতের শ্বশুর বাড়ি এক স্থানে হওয়ার সূত্র ধরে আনোয়ারা খাতুন ৯ আগস্ট ১৭ তারিখে ওই সম্পত্তি পবিত্রের ছোট ভাই সুব্রত ব্যনার্জির নামে পাওয়ারনামা করে দেন। সুব্রত ওই সম্পত্তি ১৬ আগস্ট১৭ তারিখে কলারোয়ার এক পুলিশ কর্মকর্তার কাছে বিক্রিয় করেন।
এলাকাবাসী জানান, এনামুজ্জামান নিপ্পন ও রফিকুল ইসলাম রানার নেতৃত্বে মিলগেট মোড়ে¡ প্রতিদিন সন্ধ্যায় গাজা, ফেন্সিডিল ও ইয়াবার ঝুড়ি নিয়ে বসে মাদক ব্যবসায়ীরা। শহরের বুকের উপর প্রকাশ্যে এধরনের মাদক ব্যবসার নেতৃত্ব দেওয়া তাদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এনামুজ্জামান নিপ্পন এঘটনায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন এনিমি জমি তাই আমরা অভিযোগ করেছি মাত্র। বাধা দেওয়া বা হুমকি ধামকির বিষয়টি সঠিক নয়। তিনি মাদক ব্যবসার সাথেও জড়িত নন বলে জানান। তবে সাবেক যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রানা বলেন, পবিত্রদের সম্পত্তি এনিমি সম্পতি। সে কারণে এলাকা থেকে ৪০/৫০ জন লোক আমার কাছে এসেছিলো। আমি তাদের সাথে ভূমি অফিসে গিয়েছিলা মাত্র। আর কিছুই জানি না।
সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মনিরুজ্জামান মনি জানান, পবিত্র ১৬ আগস্ট১৭ তারিখে ওই জমি যাতে রেজিষ্ট্রি না হয় সে জন্য জেলা রেজিষ্ট্রারের কাছে একটি অভিযোগ দিয়েছিল জানি। কিন্তু আর কিছু ঘটেছে কিনা আমার জানা নেই।

কলারোয়ায় গাঁজাসহ ৪ যুবক আটক

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাতে উপজেলার চন্দনপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বর থেকে ২০ পুরিয়া গাঁজাসহ চার যুবককে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো: উপজেলার গয়ড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে তরিকুল ইসলাম (২০), একই গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২২), রামভদ্রপুর গ্রামের ইনামুল হকের ছেলে তানভীন আনছারী (২১), চন্দনপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে তুষার ইমরান (১৯)। আটককৃতরা ওই স্থানে বসে গাজা সেবন ও বিক্রি করার জন্য ২০ পুরিয়া গাঁজা নিয়ে অপেক্ষমাণ ছিলো বলে থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সোলায়মান আক্কাস ও সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম শুক্রবার সাংবাদিকদের জানান। এঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

মামলা ও হামলা থেকে রক্ষা পেতে চায় ৫ গ্রামের ১০ হাজার পানিবন্দী মানুষ

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: জেলার শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী গ্রামের মৃত বাবর আলী সরদারের পুত্র আবুল বাসার তার বাহিনী নিয়ে সিংহড়তলী, ধল, হরিনগর, চুনকুড়ি ভেটখালীসহ ৫ গ্রামের একমাত্র পানি সরবরাহের পথ দখল করে অবৈধভাবে মাছের ঘের করছে। বর্ষা মৌসুম এলেই ওই এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে। সরজমিনে গেলে ৯৫ বছর বয়সের বৃদ্ধ আবুল কাশেম গাজী বলেন, ‘বাবা, ৫ গ্রামের হাজার হাজার মানুষের পানি সরবরাহের পথ নেই। বর্ষা এলেই বাড়ি-ঘর, ক্ষেত খামার পানিতে ডুবে থাকে। আমাদের এই দীর্ঘ দিনের সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন মহলে জানানো হলেও কোন প্রকার ব্যবস্থা হয় না। ১৯৯১ সালে স্থানীয় চেয়ারম্যান শামসুর রহমান সরদারের নিকট আবেদন করলে জনসাধারণের পানি সরবরাহের জন্য সরকারের ০১নং খাস খতিয়ানের জমিতে প্রায় ০১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৫-২০ ফুট প্রস্থ মাপ জরিপ করে একটি গই (সরু নর্দমা) এবং খাল কেটে দেয়। তার গোড়ায় সরকারের নিয়মিত কালভার্ট রয়েছে। স্থানীয় সন্ত্রাসী আবুল বাসার তার বাহিনী দিয়ে জবর দখল করে মাছ চাষ করে গ্রামবাসিদের অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করছে। তাই আমরা এলাকাবাসী গত ২৭ জুলাই মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে মহোদয়ের নির্দেশে উপজেলা ভূমি অফিসার, মুন্সীগঞ্জ তপশীলদার ও স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জবর দখলকারীদের কবল থেকে একমাত্র পানি সরবরাহের গই অবমুক্ত করে দেয়। এতে জবর দখল কারী সন্ত্রাসী আবুল বাসার ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা ও বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছে।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড শিবপুর ও আগরদাড়ী ইউনিয়ন কমিটি গঠন

পত্রদূত রিপোর্ট: মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড শিবপুর ও আগরদাড়ী ইউনিয়ন কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আগরদাড়ী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এসএম নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবুবকর সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড জেলা কমিটির সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মেহেদীআলী সুজয়। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ আলী, ওয়াজিহুর রহমান, আনিসুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, আনসার আলী, আব্দুল লতিফ সরদার, আব্দুস সামাদ, জহুরুল ইসলাম, আবুল হোসেন, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য কাজি খকরুল ইসলাম রিপন, রিয়াজ, আনারুল ইসলামসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ। এসময় আগরদাড়ী ও শিবপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের কমিটি গঠন করা হয়। আগরদাড়ী ইউনিয়নের মনিরুজ্জামান মনা কে সভাপতি, সরদার মেহেদী হাসান কে সহ সভাপতি, শহিদুল ইসলাম রনি কে সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান, মোছা. হেনা ও কামরুজ্জামান কে সদস্য করা হয়। অপরদিকে শিবপুর ইউনিয়নের হাবিুর রহমানকে সভাপতি, শফিকুল ইসলামকে সহ সভাপতি, ফরিদ হাসানকে সাধারণ সম্পাদক, খাইরুজ্জামানকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কর্ন মজুমদারকে কোষাধ্যক্ষ, বাবলুর রহমান ও শরিফুজ্জামানকে সদস্য করে উভয় ইউনিয়নে ৭সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

ব্যাংদহায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

শেখ হেদায়েতুল ইসলাম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলার ব্যাংদহায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৫টায় ব্যাংদহা বাজার চত্ত্বরে বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ মোনায়েমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আ‘লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল খায়ের সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মারুফ হোসেন মিঠু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামুয়েল ফেরদৌস পলাশ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. লুৎফর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সামছুর রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক মহাদেব চন্দ্র ঘোষ, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি ডা. গোবিন্দ কুমার দাশ প্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীর কাছে যে ওয়াদা দিয়েছিলেন তা এক এক করে বাস্তবায়ন করছেন। অসম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার আগে দেশে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ছিলো ক্ষমতায় আসার পর ৬ হাজার মেগাওয়াটে উন্নিতি হয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে ২১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ করা হবে। ইতি মধ্যে সাতক্ষীরা-এল্লারচর-ব্যাংদহা পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে বলে প্রধান অতিথির বক্ত্যবে বলেন। তিনি আরো বলেন, দেশকে স্বাধীন করতে ৩০ লক্ষ মানুষের রক্ত ঝরাতে হয়েছে। ২লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে। বিগত দিনে জামাত বিএনপি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছে, ঘরবাড়ি ভাংচুর করেছে, রাস্তা-ঘাট অবরোধ করেছিল, অনেকের ধনসম্পদ লুটপাট করেছে। দেশ অনেক পিছিয়ে ছিলো। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর আর পিছিয়ে নেই উন্নয়নে দেশ এগিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে জাতীয় সংঘ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে নি¤œ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আজমীর হোসেন বাবু।

জেলায় পুলিশের বিশেষ আভিযানে আটক ৮৮

নিজস্ব প্রতিনিধি: জেলাব্যাপী পুলিশের সন্ত্রাস, নাশকতা ও মাদক বিরোধী বিশেষ আভিযানে ৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানান, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৫৮ জন, কলারোয়া থানা ০৯ জন, তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০৬ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০৪ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে আটক করা হয়েছে।

সকল শিক্ষার্থীকে বিশ্বমানের শিক্ষা, জ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

পত্রদূত ডেস্ক: সকল শিক্ষার্থীকে বিশ্বমানের শিক্ষা, জ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। এ যুগে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে আইটির উপর দক্ষতা অর্জন করা। ছাত্র-ছাত্রীদের সঠিক শিক্ষা প্রদান করতে হবে। এজন্য শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে সঠিকভাবে পাঠদান করাতে হবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ শুক্রবার সকালে খুলনা ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ফুলতলার চারটি বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বিতরণকালে এসব কথা বলেন।
এসময় ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশরুবা ফেরদৌস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পি এবং যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মৃণাল হাজরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল লতিফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শুকলা স্বরণিকা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাড়িপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং গাড়াখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকদের হাতে ল্যাপটপ তুলে দেন। বিকেলে তিনি মাগুরখালী ইউনিয়ন পরিষদে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

শিল্পী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক জিএম সৈকত

আর্তমানবতার ব্রতী নিয়ে অসহায় ও অসুস্থ শিল্পীদের কল্যাণের পাশাপাশি নতুন শিল্পী গঠন, শিল্পীদের যথার্থ সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার্থে গঠন করা হয়েছে চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, সঙ্গীত ও মঞ্চের শিল্পী কলাকুশলীদের সংগঠন শিল্পী ঐক্যজোট। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে সাতক্ষীরার সন্তান নাট্যনির্মাতা জি.এম সৈকত। গত বৃহস্পতিবার বিএফডিসিতে এডিঃ ডিআইজি হাবিবুর রহমানকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমানকে প্রধান উপদেষ্টা করে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সাধারণ সম্পাদক নাট্যনির্মাতা জি.এম সৈকত সহ অন্যান্যরা। এ সময় আরো উপস্থিতি ছিলেন চলচ্চিত্র ঐক্যজোট পরিবারের আহবায়ক চিত্রনায়ক ফারুক, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চিত্রনায়কা পপি ও পরীমনি, চিত্রনায়ক সাত্তার, রানী সরকার, শুভ্রাদে সহ আরো অনেকে। জি.এম সৈকত বলেন, সারা বাংলাদেশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের একটি পরিবারের মধ্যে আনার জন্য গঠন করা হয়েছে শিল্পী ঐক্যজোট। যেখানে জাতীয় পর্যায় ও তৃণমুল পর্যয়ে শিল্পীদের ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান আদায়ে কাজ করছে সংগঠণটি। পাশাপাশি নতুন শিল্পী তৈরিতেও আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত শিল্পী ঐক্যজোটের ৪২টি জেলা শাখা গঠন করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এক লাখ টাকার চাঁদা দাবি: ইটাগাছায় এক দিনমজুরকে র‌্যাব ও পুলিশ দিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি দিলেন সোর্স মজনু

মনিরুল ইসলাম মনি: গোয়েন্দা পুলিশের সোর্স পরিচয়ে এক দিনমজুরের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। দাবিকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তার বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। এরপরও টাকা না পেলে তাকে র‌্যাব ও পুলিশ দিয়ে তুলে এনে ক্রসফায়ারে দিয়ে লাশ গুম করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছায় ফজলুর রহমান নামের ওই ব্যক্তির বাড়িতে হামলা চালানোর পর তার কাছে রাতে এ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছার ফজলুর রহমান জানান, কালিগঞ্জে জন্ম হলেও বিবাহসূত্রে তিনি শ্বশুর বাড়ির জমি পেয়ে সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছায় বাড়ি তৈরি করেছেন সম্প্রতি। দীর্ঘ ১২বছর যাবৎ তিনি বাহারাইনে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করে চার মাস আগে দেশে ফিরে দিনমজুরের কাজ করেন।
স্থানীয়রা জানান, শহরের পারকুকরালির শেখ মোসলেম আলীর ছেলে শেখ মজনু একজন মাদক ব্যবসায়ি। বর্তমানে সে ইটাগাছা নতুনপাড়ায় তার শ্বশুর আব্দুল বারির বাড়ির পাশে নার্সারী মালিক আবু সাঈদ ওরফে শহীদের বাড়িতে ভাড়া থেকে সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোককে মাদক ব্যবসায়ি ও জামায়াত শিবিরের লোক বলে ধরিয়ে দিয়ে চাঁদাবাজি করে থাকে। তাকে প্রায়ই ডিবি পুলিশের অফিসে দেখা যায়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের সেকেন্ড অফিসার উপপরিদর্শক আবুল কাশেম জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার পর খুলনা থেকে অফিসে ফিরে বিস্তারিত জেনে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানাবেন।

নলতায় সোলার বিতরণ করলেন আফম রুহুল হক এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক: “প্রধান মন্ত্রীর উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” পৌছে দেওয়ার লক্ষে শুক্রবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফ টাউন পাড়া সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্জ ডা. আফম রুহুল হক’র নিজস্ববাসভবন থেকে টি.আর.কাবিখা প্রকল্পের আওতায় নলতা, ভাড়াশিমলা, চম্পাফুল, তারালী ইউনিয়নের বিদ্যুৎ বিহীন ১০টি স্কুল, কালেজ, মাদ্রাসা ও ৭৭টি গরীব অসহায় পরিবারের মাঝে ৪০ ওয়ার্ডের সৌর বিদ্যুৎ (সোলার) বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্জ ডা. আফম রুহুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উক্ত সোলার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, এ দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেয়া। বর্তমান দেশের ৭৫ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পায়। ২০২১ সালে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাবে। ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে-সেটাই আমাদের লক্ষ্য। বাংলাদেশের একটি ঘরও আর অন্ধকারে থাকবে না। এসময় তিনি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য সবাইকে পরামর্শ দেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমেদ,সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য এস.এম আসাদুর রহমান সেলিম, চম্পাফুল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আ. লতিফ মোড়ল, কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাইফুল ইসলাম, ছাত্রলীগের নলতা ইউনিয়ন সভাপতি ফিরোজ শাহরিয়ার, রহিম আফরোজ সোলার কোম্পানীর সাতক্ষীরা এরিয়া ম্যানেজার আশিক রব্বানী প্রমূখ।