কালিগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষিত, ধর্ষক আটক


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭ ||

 

বিশেষ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জে এক গৃহবধূকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ধর্ষককে আটক করলেও পালিয়ে গেছে ধর্ষকের দুই সহযোগী। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাত টার দিকে।

 

মামলা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার  মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী গ্রামের পিয়ার আলী গাজীর মেয়ে এবং পিরোজপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রী নিরালার সাথে পার্শ্ববর্তী মৌতলা ইউনিয়নের চরসোনাই গ্রামের আব্দুল মজিদ কলুর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩০) এবং  পানিয়া গ্রামের শেখ পাড়ার ঈদ্রিস শেখের ছেলে শাহিন আলমের পূর্ব থেকে পরিচয় ছিল। সম্প্রতি নিরালা এবং তার স্বামী শরিফুল ইসলামের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। স্বামীকে গুণীনের মাধ্যমে বশে এনে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সামবার সন্ধ্যা টার দিকে পিরোজপুর গ্রামে বোনের বাড়িতে অবস্থানরত নিরালা খাতুনকে বাইরে আসতে বলে শফিকুল। ওই গৃহবধূকে নিয়ে উকশা গ্রামে গুণিনের বাড়ি নিয়ে যাওয়ার কথা বলে লম্পট শফিকুল মোটর সাইকেল তুলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় তাকে। এসময় পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে নিরালা খাতুন। কিন্তু লম্পট শফিকুল তার সহযোগী শীতলপুর গ্রামের ফয়েজ হোসেন বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে ঘরের ভিতর আটক করে রাখে। এক পর্যায়ে আগে থেকে ওই ঘরে অবস্থানরত শাহীন আলম গৃহবধূ নিরালা খাতুনকে মুখে কাপড় বেধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে শিকল খুলে শফিকুল ইসলাম গৃহবধূ নিরালা খাতুনকে ধর্ষণ করতে গেলে সুযোগ বুঝে সে দৌড়ে ঘরের বাইরে চলে আসে। 

বাড়িতে যেয়ে বিষয়টি অভিভাবকদের জানিয়ে তাদের সহযোগিতায় থানায় মামলা দায়ের করে নিরালা খাতুন (মামলা নম্বর: ১০) পরবর্তীতে থানার উপপরিদর্শক সুধাংশু শেখ হালদার উপপরিদর্শক মামুনুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ শফিকুল ইসলামের বাড়ির রান্নাঘর থেকে ধর্ষক শাহীন আলমকে আটক করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে ফয়েজ হোসেন শফিকুল ইসলাম পালিয়ে গেছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধর্ষিতা গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। এঘটনায় জড়িত অপর দু’জনকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।