রাবির চারুকলা অনুষদের প্রশ্ন নিয়ে হাইকোর্টের রুল


প্রকাশিত : অক্টোবর ৩১, ২০১৭ ||

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টিকারী প্রশ্ন প্রণয়নে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল

একই সঙ্গে জড়িতের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, চারুকলা অনুষদের ডিনকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অ্যাডভোকেট রফিক আহমেদ সিরাজীর করা এক রিটের শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দেন।
আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সোনিয়া পারভীন, বিথি রায়, সমীর মজুমদারসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী।

পরে অ্যাডভোকেট সমীর মজুমদার সাংবাদিকদের জানান, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে গত ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় ‘মুসলমান রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা সশস্ত্র হামলা চালায় কত তারিখে? এবং পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের নাম কী?’ এরূপ প্রশ্ন করা হয়। এসব প্রশ্ন দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে, এমন অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী রিট দায়ের করেন। আদালত ওই রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন।