মিথ্যে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা দিয়ে এক ব্যক্তিকে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : নভেম্বর ১৫, ২০১৭ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: মিথ্যে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা দিয়ে এক ব্যক্তিকে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিমফুলবাড়ি গ্রামের শেখ মমিন আলীর ছেলে মো. আবুবক্কার সিদ্দিক।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শ্যামনগর উপজেলার যাদপুর গ্রামের রহিম শেখের মেয়ে খাদিজা খাতুন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপহরণ ও ধর্ষনের মামলা দায়ের করে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে। সে তার মামলার আরজিতে উল্লেখ করেছে, গত ১১ জুন আমিসহ আমার সহযোগি সুকুমার মন্ডল ও গোলাম রসুল তাকে অপহরণ করে খুলনার একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে জোরপূর্বক তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করি। অথচ খাদিজা খাতুনের ব্যহৃত ০১৯১৫-৯৩৬৪৬৭ নং মোবাইলের কললিষ্টে দেখা যায় ৯ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত দীর্ঘ ৬দিন একটানা সে খুলনার গল্লামারিতে অবস্থান করে। কাজেই ১১ জুন অপহরণের কাহিনী সম্পূর্ণ মিথ্যে ও বানোয়াট। এছাড়া ১৬ জুন খুলনার রাইসা ক্লিনিকে তাকে এ্যাবরসান করা হয়েছে মর্মে আরজিতে যে অভিযোগ করেছে তাও মিথ্যে। কারণ ওই দিন সে নারায়নগঞ্জের বিকাগার্মেন্টেসে কর্মরত ছিল। এটাও তার মোবাইলের কললিস্ট থেকে জানা গেছে। একই সাথে অপহরণের কাহিনীও সম্পূর্ণ বানোয়াট। কারণ পুলিশ তাকে কোন অজ্ঞাত স্থান থেকে উদ্ধার করেনি। তিনি নিজেই আত্মগোপনে থেকে আমাদের নামে মিথ্যে অপরহণ মামলা দিয়েছে। খাদিজা খাতুন গত ১০ জুলাই নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে হাজির হয়ে স্বেচ্ছায় অপহরণ হয়নি মর্মে বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি ৬ নভেম্বর দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকায় প্রকাশিত খাদিজা খাতুনের মিথ্যে সংবাদ সম্মেলনের খবরের প্রতিবাদ জানান। একই সাথে ১৩ নভেম্বর তার ভাইয়ের নামে মিথ্যে মামলা দায়ের ও সাক্ষীদের হুমকি প্রদান করেছি বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে। আমি নিজে বা আমার কোন আত্মীয় বাদি হয়ে খাদিজার ভাইয়ের নামে কোন মামলা করেনি। তিনি খাদিজা খাতুনের দায়ের করা মিথ্যে মামলা থেকে অব্যহতি ও মিথ্যে সংবাদ পরিবেশন করে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।