সংবাদ সম্মেলনে শ্যামনগরের গফফার ঘর পোড়ানো মামলার সাক্ষী বলেই আমার বিরুদ্ধে যতো ষড়যন্ত্র


প্রকাশিত : নভেম্বর ১৫, ২০১৭ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমি আমার এলাকার সুধাংশু মন্ডলের সম্পত্তি দখল চেষ্টা ও ঘরপোড়ানো ঘটনার বিরুদ্ধে একটি মামলার সাক্ষী। আমাকে কৌশলে সরিয়ে দিতে পারলে সুধাংশু মন্ডলের জমি জবর দখল সহজ হয়। আর এ কারণেই আমার বিরুদ্ধে যতো ষড়যন্ত্র। আমার বিরুদ্ধে ভুয়া অভিযোগে মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে আমার ভাই রেজাউল ইসলাম। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে একথা বলেন, শ্যামনগর উপজেলার শ্যামনগর ছোট গ্রামের মন্তেজ গাজির ছেলে নুরনগর ইউপির সাবেক মেম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজি আবদুল গফফার। এ সময় তার সাথে ছিলেন একই এলাকার সুধাংশু মন্ডল।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, পাইকামারী গ্রামের মামুন ও তার সহযোগীরা সুধাংশু মন্ডলের ঘের জমি বাড়ি দখলের পাঁয়তারা করছিল। এই লক্ষ্যে তারা গত ২ মে সুধাংশু মন্ডলের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে মালামাল লুট করে। এ ঘটনায় শ্যামনগর থানায় দায়েরকৃত মামলায় আমি নিজে একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হওয়ায় প্রতিপক্ষ মামুন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ক্ষিপ্ত হয়। তারা আমাকে নানাভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করতে থাকে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, নিজের ছেলেদের সুধাংশু মন্ডলের ঘরপোড়ানো মামলা থেকে রক্ষা করার জন্য মামুনের মা মমতাজুননেছা আবদুল গফফারের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার বরাবর মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ করে। কিন্তু তাতে সুবিধা না হওয়ায় পরে তারা আদালতে আরও একটি মামলা করে। (নম্বর ১৩০/১৭)। তিনি আরও বলেন, তার ভাই রেজাউল দীর্ঘদিন বিদেশে ছিল। সেখান থেকে টাকা পাঠাতো আরেক ভাই মুজিদের কাছে। বিদেশ থেকে আসার পর রেজাউলের সাথে ঘর নিয়ে বিরোধ বাধে ভাই মিজানুরের। তাদের বাবার সালিশ অমান্য করে রেজাউল ওই ঘর দখল করে নেয়। এ সময় সে মিজানুর ও তার স্ত্রীকে চাকু দিয়ে আঘাত করে জখম করে। গফফার জানান এ ঘটনায় তিনি ভাই মিজানুরের পক্ষে নিজে বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় মামলা করেন। এই মামলা এখন আদালতে। তিনি জানান, রেজাউল মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য গফফারের ওপর চাপ দিতে থাকে। কিন্তু রাজী না হওয়ায় সে তাকে খুন জখমের হুমকি দেয়। বর্তমানে সুধাংশুর ঘরপোড়ানো মামলার আসামি মামুন ও গফফারের ভাই মিজানুরকে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি রেজাউল এক জোট হয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। সম্প্রতি আদালতে গফফারের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করা হয়েছে। এমনকি ১০ নভেম্বর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে গফফারের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যাচার করেছে রেজাউল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে গফফার বলেন, আমি এই মামলা ও রেজাউলের সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি এর প্রতিকারও দাবি করছি বলে জানান তিনি।