প্রেম জটিল বিষয়: সোফিয়া

পত্রদূত ডেস্ক: প্রেমকে জটিল বিষয় বলেছে রোবট সোফিয়া। একটি বেসরকারি টিভির লাইভ অনুষ্ঠানে রোবট সোফিয়ার কাছে উপস্থাপিকা প্রেম সম্পর্কে জানতে চাইলে সোফিয়া বলে— প্রেম একটি জটিল বিষয়।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ওই টিভি চ্যানেলের লাইভে আসে সোফিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। লাইভে এসে খুব সুন্দর করে উপস্থাপিকার কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরও দেয় সোফিয়া।
সোফিয়া বলে— বাংলাদেশের প্রযুক্তি উৎসবে এসে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত। বাংলাদেশ অবশ্যই প্রযুক্তিতে অনেক দূর এগিয়ে যাবে। এটাই আমার প্রত্যাশা।
বুধবার থেকে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক মেগা ইভেন্ট ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭’। উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছাড়াও একটি সেশনে যোগ দেয় রোবট সোফিয়া। তাকে একবার দেখার জন্য মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। দুপুরের সেশন শেষ করে নিজ দেশে পাড়ি জমানোর কথা থাকলেও হঠাৎ করে টিভি লাইভে আসে সোফিয়া।

আজ ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ ৭ ডিসেম্বর। পাঞ্জাবি এসডিওকে গ্রেপ্তার আর পাকিস্তানী পতাকায় আগুন ও মাতৃভূমি বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত পতাকা উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সম্মুখ যুদ্ধ ভোমরা যুদ্ধের সফলতার সাহস নিয়ে অগ্রসর দামাল ছেলেরা সাতক্ষীরাকে শত্রুমুক্ত করেছিল এদিন। নয়মাসের বীরোচিত লড়াইয়ে ১৬টি যুদ্ধ জয়ের পর এদিন সাতক্ষীরার মাটিতে মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে আসতেই পিছু হটে যায় পাকি বাহিনী। মুক্তিযোদ্ধারা ঘিরে ফেলে সাতক্ষীরার ডাকবাংলোয় ঘাঁটি করা জঙ্গি সেনাদের। বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহিত খান দুলুর নেতৃত্বে ধুলিহর বেজেরডাঙ্গা থেকে একটি দল এবং ক্যাপটেন হুদা ও আবদুল্লাহর নেতৃত্বে আরও দুটি মুক্তিযোদ্ধা দলের ত্রিমুখী আক্রমনের মুখে শত্রু বাহিনী বেনেরপোতা ও বেত্রাবতী ব্রীজ ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে পিছু হটে যায়। বীর যোদ্ধারা সাতক্ষীরা থানা ভবনে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে ঘোষণা দেন সাতক্ষীরা মুক্ত দিবসের। আজ ৪৬ বছর পর আবারও নানা আয়োজন ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সাতক্ষীরার দামাল ছেলেরা ভারতের সীমানা পেরিয়ে থ্রি নট থ্রি আর এসএলআরের ফাঁকা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে সাতক্ষীরা শহরে প্রবেশ করে। ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার লাল সবুজের পতাকা। সন্তান হারানোর বেদনা ভুলে সেদিন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সাথে রাস্তায় নেমে আসে মুক্তিপাগল আপামর জনতা। দীর্ঘ নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সেদিনের সাহসী সস্তানরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। পাক হানাদার ও তাদের দোসররা মা-বোনের ইজ্জত হরণ করেছিল। ধ্বংস করতে চেয়েছিল বাঙ্গালীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে। শত্রুর বুলেটের এত সব আঘাত সহ্য করেও সাতক্ষীরার সস্তানরা অন্তত: ৫০টি যুদ্ধের মোকাবেলা করেছিল। জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২ মার্চ সাতক্ষীরা শহরে পাকিস্তান বিরোধী মিছিলে রাজাকাররা গুলি করে হত্যা করে শহীদ আব্দুর রাজ্জাককে। আর এখান থেকে শুরু হয় সাতক্ষীরার দামাল ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া। মুক্তিযুদ্ধের খরচাদি বহনের জন্য সাতক্ষীরা ট্রেজারী হতে অস্ত্র আর ন্যাশনাল ব্যাংক হতে অলংকার টাকা পয়সা লুটের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মুক্তির সংগ্রাম। ৮ম ও ৯ম সেক্টরের অধীনে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ট্রেনিং শেষে ২৭ মে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে প্রথম সম্মুখ যুদ্ধ শুরু হয়। এ সময় পাক সেনাদের দু’শতাধিক সৈন্য নিহত হয়। ১৭ ঘণ্টাব্যাপী এ যুদ্ধে শহীদ হন তিন জন মুক্তিযোদ্ধা। আহত হন আরো দু’জন মুক্তিযোদ্ধা। এরপর থেমে থেমে চলতে থাকে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের গুপ্ত হামলা। এসব যুদ্ধের মধ্যে ভোমরার যুদ্ধ, টাউন শ্রীপুর যুদ্ধ, বৈকারী যুদ্ধ, খানজিয়া যুদ্ধ উলে¬খযোগ্য। এ সব যুদ্ধে শহীদ হয় ৩৩জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। লাইটের আলোয় অসুবিধা হওয়ায় ৩০ নভেম্বর টাইম বোমা দিয়ে শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত পাওয়ার হাউস উড়িয়ে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা ভীত সন্ত্রস্ত করে ফেলে পাক সেনাদের। রাতের আঁধারে বেড়ে যায় গুপ্ত হামলা। পিছু হটতে শুরু করে পাক সেনারা। ৬ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধাদের হামলায় টিকতে না পেরে বাঁকাল, কদমতলা ও বেনেরপোতা ব্রীজ উড়িয়ে দিয়ে পাক বাহিনী সাতক্ষীরা থেকে পালিয়ে যায়। ৭ ডিসেম্বর জয়ের উন্মাদনায় জ্বলে ওঠে সাতক্ষীরার দামাল ছেলেরা।
যারা শহীদ হন: মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে শত্রুদের গুলিতে সাতক্ষীরার যে সকল বীর সন্তান শহীদ হন- তারা হলেন শহীদ আব্দুর রাজ্জাক, কাজল, খোকন, নাজমুল, হাফিজউদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আবু বকর, ইমদাদুল হক, জাকারিয়া, শাহাদাত হোসেন, আব্দুর রহমান, আমিনউদ্দিন গাজী, আবুল কালাম আজাদ, সুশীল কুমার, লোকমান হোসেন, আব্দুল ওহাব, দাউদ আলী, সামছুদ্দোহা খান, মুনসুর আলী, রুহুল আমীন, জবেদ আলী, শেখ হারুন অর রশিদ প্রমুখ।
তবে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরার বধ্যভূমি ও গণকবরগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়নি আজও। একই সাথে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট চত্বরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে রাজাকারের নাম উলে¬খ থাকায় তা উদ্বোধন করা হয়নি। সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে যান না মুক্তিযোদ্ধারা। অযতেœ আর অবহেলায় হারিয়ে যেতে বসেছে বধ্যভূমি ও গণকবরের স্মৃতিচিহ্ন। এগুলো যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। তাই বধ্যভূমি ও গণকবরের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরার মুক্তিযোদ্ধারা।
সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু বলেন, প্রতিবছর ৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের আয়োজনের যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করা হয়। তিনি সাতক্ষীরার বধ্যভূমি ও গণকবরগুলো সংরক্ষণের দাবি জানান সরকারের কাছে। একই সাথে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট চত্বরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে রাজাকারদের নাম মুছে সেটি উদ্বোধনের জোর দাবি জানান।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন জানান, সাতক্ষীরার বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে কালেক্টরেট চত্বরের শহীদ স্মৃতিস্মম্ভ নিয়ে বিদ্যমান বির্তক নিরসন করে তা অচিরেই উদ্বোধনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি ।

শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ অভিভাবকদের: সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির বয়স সীমায় আটকে গেছে হাজার হাজার শিশুর লেখাপড়া

নিজস্ব প্রতিনিধি: বয়স আট বছর পার না হলে সরকারি স্কুলে ভর্তি হতে পারবে না সরকারের এমন ঘোষণার মুখে আটকে গেছে দেশের অগণিত শিশু শিক্ষার্থীর লেখাপড়া। আসন্ন ভর্তির জন্য আবেদনের নির্ধারিত দিনের মধ্যে তাদের বয়স সংশোধিত না হলে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তির জন্য তাদেরকে আরও একটি বছর অপেক্ষা করতে হবে। তবে এক বছর পর শিশুর বয়স নয় বছর পার হয়ে যাওয়ায় ভর্তির যোগ্যতা এমনকি আবেদন করার যোগ্যতাও হারাবে সে।
সাতক্ষীরার শিশু শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা এমন পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তারা বলছেন শিশুর নাম পরিবর্তন করে জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহন করে ভর্তির সুযোগ নিয়েছে কেউ কেউ। তবে সচেতন অভিভাবকরা বলছেন তাদের শিশুর সাথে এমন প্রতারনা অনৈতিকতার শামিল। তারা অবিলম্বে শিশুর বয়স বিধি অনুযায়ী সংশোধন করে সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা এ ব্যপারে সরকারের উচ্চমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
অভিভাবকরা জানান, তাদের অনেক শিশু তিন বছর পার হতেই কেজি স্কুলে প্লে গ্রুপে ভর্তি হয়েছে। এ সময় টিকা কার্ড বিতরণকালে তার বয়স নির্ধারণ করা হয়। এরপর কেজি, কেজি ১ এবং কেজি ২ পেরিয়ে শিশুটি এখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়বার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এ সময় তার বয়স হয়েছে সাত বছরের অধিক। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী তার বয়স আট বছর পার না হলে সে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে না। সরকারের এই নির্দেশের ফলে আট বছরের নিচের বয়সী শিশুদের বয়স সংশোধনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। অথচ সরকারি বিদ্যালয় সমূহে ভর্তির আবেদনপত্র দাখিলের শেষ ১৪ ডিসেম্বর। ১৮ ডিসেম্বর ভর্তি পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবার নির্দেশনা রয়েছে। এই অতি সামান্য সময়ের মধ্যে বয়স সংশোধন না হলে শিশুটিকে পরের বছরের জন্য বসে থাকতে হবে অথবা একই ক্লাসে থাকতে হবে। এতে শিশুর ওপর মনস্তাত্বিক চাপ পড়বে বলে জানান অভিভাবকরা। তারা বলছেন শিশুটির ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে তাকে সরকারি বিদ্যালয়ে আবেদনের সুযোগ করে দেওয়া উচিত।
সাতক্ষীরার একটি শিশুর অভিভাবক সৈয়দ হাসান মাহমুদ জানান টিকাকার্ড অনুযায়ী তার শিশুর জন্ম তারিখ ৩১.১০.২০১০। কেজি ২ পার করার পর এখন তার বয়স সাত বছরের অধিক। বিধি অনুযায়ী তার বয়স এক বছর কমানোর জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু তা সংশোধিত হয়ে আসতে এক বছরও পার হতে পারে। সংশোধিত হলে সে সময় শিশুটির বয়স দাঁড়াবে নয় বছরে। তখনও সে ভর্তির যোগ্যতা হারাবে। অভিভাবকরা জানান সাতক্ষীরায় এমন শিশুর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। তাদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত তারা। এ ব্যপারে তারা সরকারের নীতিমালা শিথিল করনে দাবি তুলেছেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির বয়স ছয় বছর। সে অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হতে হলে তাকে আট বছর পার করতে হবে। তিনি বলেন বয়সের নি¤œ সীমা নির্ধারন করার সুযোগ নেই। অপরদিকে শিশুদের বয়স কম দেখাতে বয়স সংশাধনের বিষয়টিও সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন সরকারি নির্দেশনা কিছুটা শিথিল করা গেলে সমস্যার সমাধান হতে পারে। এ বিষয়ে তিনি মন্ত্রনালয়ে কথা বলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে জন্মনিবন্ধন করার দায়িত্বে থাকা একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের সরকারের সাথে থাকা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান দায়িত্বে না আসা পর্যন্ত বয়স সংশোধনের সুযোগ থাকছে না। সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব গ্রহন জানুয়ারি পর্যন্ত গড়াতেও পারে। ফলে আট বছরের কম বয়সী শিশুর বয়স সংশোধিত হলেও তখন ভর্তির সময় থাকবে না। সে ক্ষেত্রে তাকে একটি বছর অপেক্ষা করতে হবে। এক বছর পর তার বয়স হবে নয় বছর। শিশুর ভবিষ্যতের জন্য সেটি কোনো অনুকূল বিষয় নয়। সে সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি হবার সব সুযোগ হারাবে।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার বাইরে ভর্তির কোনো সুযোগ নেই। তবে কেবলমাত্র সরকার বিষয়টি শিথিল করলে এ সমস্যার সমাধান হতে পারে।

আশাশুনিতে বিষপানে যুবকের আত্মহত্যা

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির পল্লিতে এক যুবক বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের পরিতোষ সানার পুত্র অলোক কুমার সানা (২৪) নিজ মৎস্য ঘেরের বাসায় বিষ পান করে আতœহত্যা করেছে। ওই দিন সকালের খানা খেয়ে অলোক বাড়ী থেকে বেরিয়ে যায়। দুপুরের খানা খেতে বাড়ী না আসায় বাড়ীর লোকজন খোজাখুজি করতে থাকে। এক পর্যায়ে দুপুর ২টার দিকে তার নিজ মৎস্য ঘেরে মৃত্যু অবস্থায় উদ্ধার করে। তখন তার মুখ দিয়ে বিষের লালা বা গন্ধ বের হচ্ছিল। সাথে সাথে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে থানা হেফাজতে নিয়ে বুধবার ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরন করেছে। এ ব্যপারে আশাশুনি থানায় ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে। আত্মহত্যার সঠিক কারণ জানা না গেলেও এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে।