দেখার কেউ নেই!

ক্যাপশন নিউজ: সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজার ব্রিজ। মাছবাজার ব্রিজ বললে অনেকে সহজে ভালোভাবে চিনতে পারবেন। ছোট্ট একটি ব্রিজ। শহরের বুকের মধ্যে না হয়ে যদি এটি গ্রামের কোনো খালের উপর হতো তাহলে এটিকে কালভার্ট নামে ডাকা হতো। সাতক্ষীরা প্রাণসায়র খালের উপর ব্রিজটি পার হলেই জেলার সর্ববৃহৎ মোকাম সুলতানপুর বড়বাজার। সাতক্ষীরায় উৎপাদিত সকল পণ্য দেশ ও দেশের বাইরে পাঠানো হয় এ মোকাম থেকে। শুধু কী তাই! দেশ-বিদেশ থেকেও এ মোকামে আসে নানা ধরণের পণ্য। কিন্তু ব্রিজটির এ কী হাল হয়েছে? ব্রিজের উপর দু’ধার দখল করে নিয়েছে এক শ্রেণির ব্যবসায়িরা। ব্রিজটির উপর দিয়ে চলে ট্রাক, মিনিট্রাক, মাহিন্দ্রা থ্রি হুইলার, গ্রাম বাংলা, ভ্যান, ইঞ্জিনভ্যান, সাইকেল, মটর সাইকেলসহ বিভিন্ন প্রকার মালবাহী যান। সাধারণ মানুষের চলতে যেয়ে হিমশিম খেতে হয়। প্রতি নিয়ত এখানে ঘটে দুর্ঘটনা। এতে চির পঙ্গুত্ব বরণ করেন অনেকেই। ব্রিজটির বর্তমান হাল খুবই করুণ। বিষয়টি প্রতিনিয়ত দেখছেন জেলার ভিভিআইপিরা। তবু তাদের চোখে পড়ে না ব্রিজটির করুণ অবয়ব। সাতক্ষীরায় কেউ আছেন, যিনি জেলাবাসির দুর্দশায় পাশে থাকবেন? -ছবিটি বুধবার ক্যামেরাবন্দি করেছেন দৈনিক পত্রদূত’র ফাহাদ হোসেন।

টানা তৃতীয় বার আইজিপি ব্যাজ পেলেন শ্যামল মুখার্জী, সাজ্জাদুর দ্বিতীয় বার

টানা তৃতীয় বার আইজিপি ব্যাজ পেয়েছেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান বর্তমান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার (অর্থ) শ্যামল কুমার মুখার্জী। একই সাথে টানা দ্বিতীয় বার আইজিপি ব্যাজ পেয়েছেন সাতক্ষীরার নবাগত পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান।

বুধবার বেলা ২টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আইজিপি ব্যাজ পরিয়ে দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক। একই সাথে একটি প্রশংসাপত্র প্রদান করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার (অর্থ) শ্যামল কুমার মুখার্জী সাতক্ষীরার তালার মাগুরা ইউনিয়নের বারুইপাড়া গ্রামের স্বর্গীয় দিলীপ মুখার্জীর ছেলে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অর্থ) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি ঢাকার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বপালন কালে ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে মনোনীত হন। ২০১৫ সালের ২১ জুন নাটোরের পুলিশ সুপার থাকাকালীন সময়ে গুরুদাসপুরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রুখে দেওয়ার জন্য আইজিপি ব্যাচ পেয়েছিলেন। ২০১৬ সালে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ দ্বিতীয় বার আইজিপি ব্যাজের জন্য মনোনীত হন। ২০১৭ সালেও তিনি ভালো কাজের স্বীকৃতির জন্য টানা তৃতীয় বারের মত আইজিপি ব্যাজ পেলেন।

অন্যদিকে, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান টানা দ্বিতীয় বারের মত আইজিপি ব্যাজ পেয়েছেন। পুলিশের উভয় কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সূত্র: অনলাইন

২০১৯ সালের পর ইংল্যান্ডের কোচ থাকবেন না বেইলিস

 

অ্যাশেজ হারের পর কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন ইংল্যান্ড কোচ ট্রেভর বেইলিস। ২০১৯ সালের পর ইংলিশদের হয়ে আর কোচিং করাবেন না তিনি। যার ইঙ্গিত ইসিবি ডিরেক্টর অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসকে আগেই দিয়ে রেখেছিলেন তিনি!

অ্যাশেজে হারের পর এমন সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলেছে অনেক। কারণ ২০১৫ বিশ্বকাপে বাজে পারফরম্যান্সের পরই দলের নতুন কোচ হয়ে এসেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান এই কোচ। তার আসার পর খেলার কৌশল পাল্টায় ইংলিশরা। সফলতা ছিল সংক্ষিপ্ত ফর্মে তবে লংগার ভার্সনে খেই হারিয়ে খেলছে ২০১৫-১৬ সাল থেকে। অ্যাওয়ে ম্যাচে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না সেভাবে। বাংলাদেশ সফরে টেস্টে ১-১ ড্র, ভারতের কাছে ৪-০ ব্যবধানে হারের পর অ্যাশেজে ৪-০ ব্যবধানে হার। ধারাবাহিকভাবে বাজে ফর্ম। তাই ফল ছাড়া নির্ধারিত চুক্তি বাড়াতে চান না বেইলিস, ‘স্ট্রাউসকে আগেই বলেছিলাম। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের পর আর চুক্তি বাড়াতে চাই না। আমি কোথাও চার-পাঁচ বছরের বেশি ছিলাম না। ভালো-খারাপ যাই ঘটুক, আমি সব সময়ই মনে করেছি চার বছর পরিবর্তনের জন্য সঠিক সময়।’

বেইলিসের এমন ভাবনার পেছনে আছে আলাদা যুক্তি। যার ব্যাখ্যায় তিনি বলেছেন, ‘নতুন কৌশল, নতুন কণ্ঠ-সব সময়ই নতুন করে জেগে ওঠার প্রেরণা দেয়। এই তথ্যই আমি স্ট্রাউসকে দিয়ে দিয়েছি।’

বেইলিসের অধীনে টেস্টে মোট ৩৮টি ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড। যার ১৮টিতে হেরেছে ইংলিশরা আর জয় ১৫টিতে। মার্চে ইংল্যান্ডের পরবর্তী অ্যাসাইনমেন্ট নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।

এমসিসিতে বেতন বৈষম্য নিয়ে কথা বললেন সাকিব

 

এমসিসির সভায় সুযোগ পেলে ক্রিকেটের নানা অসুবিধা নিয়ে কথা বলবেন সাকিব। দেশ ছাড়ার আগে এমন কথাই বলে গিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। এমসিসির বিশ্ব ক্রিকেট কমিটির সভায় কথা রেখেছেন তিনি। মঙ্গলবার ও বুধবার অনুষ্ঠিত সভায় ক্রিকেটারদের বেতন বৈষম্য কমাতে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন সাকিব আল হাসান ও ইংল্যান্ড উইকেটরক্ষক জনি বেয়ারস্টো।

তারা সভায় সবার কাছে ক্রিকেট বিশ্বে ক্রিকেটারদের বেতন বৈষম্য নিয়ে বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। এমনকি আশঙ্কার কথাও বলেন যে কম মজুরি দুর্নীতিতে প্রলোভন দেখাবে ক্রিকেটারদের। যেমন স্পট ফিক্সিং।

কমিটিতে সাকিব বলেন, টি-টোয়েন্টিতে বেশি টাকা থাকায় অনেক তরুণ বাংলাদেশি ক্রিকেটারই টেস্ট ক্রিকেট অনুসরণ করে না। সভায় আরও ছিলেন রিকি পন্টিং, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও কুমার সাঙ্গাকারা। সাকিবের প্রসঙ্গ নিয়ে পন্টিং জানান, ‘সাকিব আমাদের কাছে বাংলাদেশের বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলেছে। কিছু নাটকীয় বিষয় যা তারা বেশ কয়েক বছর ধরে দেখে এসেছে, সেসব নিয়ে কথা বলেছে। তবে সাকিব টাকা বণ্টনের ক্ষেত্রে আইসিসির হস্তক্ষেপের বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। সে বলেছে অনেক টাকা সঠিক জায়গাতেই হয়তো যাচ্ছে। তবে খেলোয়াড়দের কাছে যেভাবে যাওয়ার কথা, সেভাবে হয়তো যাচ্ছে না।’

সাকিবদের কথায় টনক নড়েছে এই কমিটির। সেই বিষয়টি স্বীকার করে পন্টিং আরও জানান, ‘কমিটি এ বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। মজুরি নির্ধারণে একটা অবকাঠামো প্রয়োজন। যাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যেসব বৈষম্য আছে সেগুলো কমে যায়। ’

বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) তাদের বিশ্ব ক্রিকেট কমিটির সদস্য হিসেবে সাকিবকে নিয়োগ দেয় অক্টোবরে। ১৭৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের সদস্যদের তালিকায় অনেক কিংবদন্তি আছেন। বিশ্ব ক্রিকেট কমিটির বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের মধ্যে আছেন কুমার সাঙ্গাকারা, স্টিভ ওয়াহ, সৌরভ গাঙ্গুলী ও রিকি পন্টিংয়ের মতো কিংবদন্তিরা। ক্রিকেটের বিভিন্ন প্রচলিত ইস্যু নিয়ে বার্ষিক সভা আয়োজন করে এমসিসি। আর আইসিসি ও এর সদস্যদের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে এই বিশ্ব ক্রিকেট কমিটি।

‘আপনি মার্শাল ল শুরু করেছেন’

 

আদালত মার্শাল ল শুরু করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহম্মদ আলী। তিনি আদালতকে বলেন, ‘আপনি মার্শাল ল শুরু করেছেন। একই মামলায় সপ্তাহে তিনটি তারিখ দিচ্ছেন।’

এর আগে আদালত আইনজীবীদের কাছে জানতে চান, ‘এখন সময় ১২টা, কিভাবে আদালত চলে? আমি (বিচারক) সকাল সাড়ে ৯টায় আসতে পারি, আপনারা আসতে পারেন। কিন্তু উনি (খালেদা জিয়া) আসতে পারেন না কেন? এভাবে আদালত চলতে পারে না। আগামীকাল থেকে আদালত সাড়ে ১০টায় বসবে।’

জবাবে খালেদার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘রাস্তায় যানজট ছিল। তাই ম্যাডামের আসতে দেরি হয়েছে।’

বিচারক আরও বলেন, ‘অষ্টম দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে। আপনারা আজকের মধ্যে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করবেন।’

বুধবার বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালতে পৌঁছান। বেলা সোয়া ১২টার দিকে অষ্টম দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। ওই সময় আদালত খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের প্রশ্ন করেন। পরে আইনজীবীরা আদালতকে এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন:

অগ্রাধিকার ইউরোপ, কিন্তু সর্বোচ্চ সুসম্পর্ক ভারতের সঙ্গে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ আট দফা অগ্রাধিকারভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার নীতি হচ্ছে, ইউরোপের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করা। অর্থনৈতিক ও অন্যান্য বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ বাড়ছেও।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক রক্ষা করছে।’

বুধবার (১০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইএসএস) আয়োজিত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক এক সেমিনারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সমুদ্র সহযোগিতা বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সমুদ্রে সীমানা নির্ধারণ বিষয়ক জটিলতা মীমাংসা হওয়ায় আমরা এ বিষয়ে আরও জোর দিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আঞ্চলিক অন্তর্ভুক্তিকরণ ও কানেক্টিভিটি বাংলাদেশের আরেকটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রনীতি। সার্ক, বিমসটেক, সাসেক, বিসিআইএম, বিবিআইএন ইত্যাদি আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি প্রকল্পে বাংলাদেশ আরও বেশি ভূমিকা রাখবে।’

এ এইচ মাহমুদ আলী বলেন, ‘নিকটবর্তী প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করার জন্য বাংলাদেশ আরও জোরালো পররাষ্ট্রনীতি অব্যাহত রাখবে। কার্যকরী অর্থনীতি অংশীদারিত্বের জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব জোরদার করেছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাংলাদেশের আরেকটি অগ্রাধিকারভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি। আইনের বিচার, মানবাধিকার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে অগ্রাধিকার পাবে। এছাড়া সারাবিশ্বে পিস কিপিং এবং পিস বিল্ডিংয়ের জন্য বাংলাদেশ তার পররাষ্ট্রনীতি অব্যাহত রাখবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতা পরিবর্তনের বিষয়ে বলেন, ‘সারাবিশ্বের মানুষ এর প্রভাব অনুভব করছে।’

মিয়ানমারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুর কারণে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত হয়েছে। কিন্তু আমরা দ্বিপক্ষীয়ভাবে এ সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করছি।’

‘উনি ঠিক সময়ে আদালতে আসতে পারেন না কেন?’

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ঠিক সময়ে কেন আদালতে আসতে পারেন না তা জানতে চেয়েছেন আদালত। আদালত খালেদার আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, ‘এখন সময় ১২টা, কিভাবে আদালত চলে? আমি (বিচারক) সাড়ে ৯টায় আসতে পারি, আপনারা আসতে পারেন। কিন্তু উনি (খালেদা জিয়া) আসতে পারেন না কেন? এভাবে আদালত চলতে পারে না।’

আদালত আরও বলেন, ‘আগামীকাল থেকে আদালত সাড়ে ১০টায় বসবে।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে বুধবার বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালতে পৌঁছান। পরে বেলা সোয়া ১২টার দিকে অষ্টম দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। এর আগে আদালত খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের কাছে এসব কথা জানতে চান।

পরে আদালতের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক বলেন, ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটি মাত্র তিন কথার মামলা। মামলাটিতে আপনি (আদালত) দেখবেন খালেদা জিয়া অ্যাকাউন্ট খুলেছেন কিনা, টাকা বণ্টন করেছেন কিনা এবং এই টাকা জালিয়াতি হয়েছে কিনা?’

খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী এ জে মোহম্মদ আলী বলেন, ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার নথিটা গোঁজামিল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। কারণ এই ফান্ডের টাকা কোথায় ডিসট্রিবিউট করা হয়েছে সেটা প্রমাণ হয়নি। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তা ঠিক হয়নি। তাই এ মামলা চলতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়া কোনও কাগজে সই করেছেন কিনা- আদলতে সে বিষয়ে কোনও সাক্ষী দেখাতে পারেননি। এমনকি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফরমে তার সইও নেই।’

দেশে ফিরে যা বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু

 

পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দেশে ফিরেই তিনি ঘোষণা দেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, স্বাধীন থাকবে। এখনও ষড়যন্ত্র চলছে, কিন্তু একজন বাঙালিও জীবিত থাকা পর্যন্ত বাংলাদেশ স্বাধীন থাকবে।’

সেদিন ঢাকার রাস্তা ছিল জনাকীর্ণ। তৎকালীন দৈনিক বাংলায় ১১ জানুয়ারির প্রধান খবরে দিনটির বর্ণনা করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘এয়ারপোর্ট থেকে রেসকোর্স। জনসমুদ্র পেরিয়ে আরেক জনসমুদ্রে আসতে সময় লেগেছে ১৩০ মিনিট। প্রথমে পাইলট কার, তার পেছনে দুটো জিপ, তার পেছনে সাংবাদিকদের ট্রাক, ঠিক পেছনে বঙ্গবন্ধুর সুসজ্জিত ট্রাক। নীল ও লাল রঙেয়ের কাপড়ের ঘের দেওয়া। বঙ্গবন্ধুর পরনে কালো প্যান্ট, কালো কোর্ট। ক্লান্ত দেহ অথচ সজীব মুখ।’

ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে তিনি সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

দৈনিক বাংলা আরও লিখেছিল, ‘পাকিস্তানের ভুট্টোকে তিনি (বঙ্গবন্ধু) বলে দিয়েছেন, আপনারা সুখে থাকুন, শান্তিতে থাকুন। আমরাও আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে সুখে-শান্তিতে থাকতে বদ্ধপরিকর। ভুট্টো সহেব অনুরোধ করেছিলেন কোনরূপ একটা যোগসূত্র রাখতে। কিন্তু আর নয়।’

সমাবেশ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে অংশগ্রহণকারী সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে বঙ্গবন্ধু সালাম জানান। তিনি বলেন, ‘আমি সালাম জানাই মুক্তিবাহিনী, গেরিলাবাহিনী ও কর্মীবাহিনীকে। আমি সালাম জানাই সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণি, কৃষক, বুদ্ধিজীবীদের।’

পথের বর্ণনা দিতে গিয়ে দৈনিক বাংলার ওইদিনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘চারিদিকে অভূতপূর্ব প্রাণ বন্যা। লোকজন বঙ্গবন্ধুকে দেখার জন্য পাগল হয়ে গেছে। তারা স্লোগান দিচ্ছে, তারা নাচছে, তারা হাত তুলে বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। তারা ফুলের মালা, ফুলের পাপড়ি ছুড়ে দিচ্ছে।’

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘ওইদিন বেলা ২টা ৩১ মিনিট। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এমপিএ হাউস পর্যন্ত এসেছে ট্রাকটি। পাশে ঢিবির ওপর পাক বাহিনীর বিমানব্বিংসী কামান। সেখানেই বিজয়ী বাঙালিদের ভিড়। রাস্তার পাশে একজন বৃদ্ধকে দেখতে পেলাম। বয়স কম করে হলেও ৯০ বছর। সঙ্গে একজন বৃদ্ধা মহিলা। আশেপাশে তরুণদের ভিড়। বৃদ্ধা বঙ্গবন্ধুকে এক নজর দেখার জন্য চেষ্টা করছেন। এক তরুণ বৃদ্ধাকে কোলে করে ওপরে তুলে ধরলেন। দেখলাম, বৃদ্ধা আঁচল থেকে একটি ফুল ছুড়ে দিলেন।’

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘ফার্মগেট ও শেরে-বাংলানগর ক্রসিংয়ে বিকাল ৩টায় একজন বৃদ্ধা দুহাত তুলে বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। দুটি লোক গাঁদা ফুলের মালা হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। তাদের একজনের পরনে লুঙ্গি, ছেড়া গেঞ্জি। অপর লোকটির পরনে পাজামা-পাঞ্জাবি।’

ওই প্রতিবেদনে অনেকগুলো পোস্টারের বর্ণনাও দেওয়া আছে। উল্লেখ আছে পোস্টারগুলোতে লেখা, ‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘যুদ্ধে আমরা লড়েছি, বাংলা স্বাধীন করেছি’, ‘বঙ্গপিতা বঙ্গবন্ধু জিন্দাবাদ, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী জিন্দাবাদ’, ‘বাংলাদেশ-রুশ মৈত্রী অমর হোক’ এবং ‘জয় বাংলার জয়’।

সেদিন বঙ্গবন্ধুকে সংবর্ধনা জানাতে রাস্তায় ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক। তিনি বলেন, ‘সেই দিন যেন স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়। ১৬ ডিসেম্বর ছিল এক রকম আনন্দ। আর ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু যখন ফিরলেন তখন সেই উদযাপন অন্যরকম স্বতঃস্ফূর্ততা। রাস্তা সাধারণ মানুষে সয়লাব। এরপর বঙ্গবন্ধু যে ভাষণ দিয়েছিলেন সেটা ছিল অনন্য। পুরো জাতির আবেগে যে অনুভূতি সেটির প্রতিফলন ছিল ভাষণটি। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর ফিরে আসার মধ্য দিয়ে সবাই একসঙ্গে উদযাপনের সুযোগ পেলো।’

বঙ্গবন্ধুর ফিরে আসার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার আনন্দ পূর্ণতা পেয়েছিল বলে মনে করেন মুক্তিযোদ্ধা রোকেয়া কবীর। তিনি বলেন, ‘সেদিন অন্যরকম আনন্দে ভেসেছিল দেশবাসী। ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর যে আনন্দ নিয়ে আমাদের বিজয় উদযাপনের কথা ছিল সেটি তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব হয়নি। কেননা, বিজয়ের আগে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এবং তাদের লাশ আমরা বিজয়ের দিন থেকে উদ্ধার করতে শুরু করি। অনেককে তো পাওয়াই যায়নি। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার ঘোষক যখন দেশে ফিরছেন বলে জানা গেলো তখন সবার সে কি উচ্ছাস!’
পত্রিকা কৃতজ্ঞতা: ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম।

কাকরাইল মসজিদে সা’দ

 

কাকরাইল মসজিদে পৌঁছেছেন ভারতের তাবলিগ জামাতের মুরব্বি সা’দ কান্ধলভি । বুধবার বিকাল সাড়ে তিনটায় তাকে পুলিশ প্রহরায় বিমানবন্দর থেকে কাকরাইল মসজিদে নেওয়া হয়েছে। আসন্ন ইজতেমায় অংশ নেওয়ার জন্য তিনি ঢাকায় এলেও তাকে ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাধা দিতে আন্দোলনে নেমেছে কওমিপন্থী ও তাবলীগ জামাতের একাংশের কর্মীরা। বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মাওলানা সা’দ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তবে বাইরে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলায় তিনি বিমানবন্দর থেকে বের হতে পারেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিমানবন্দরের এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘মাওলানা সা’দ বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে গেছেন। বিশেষ নিরাপত্তায় পুলিশ প্রহরায় তাকে কাকরাইলের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’ রমনা পুলিশের ডিসি জানান, বিকাল সাড়ে ৩টার পর মাওলানা সা’দ এসে পৌঁছেছেন। কাকরাইল মসজিদের সামনে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে মোতায়েন করা রয়েছে। তবে সা’দবিরোধী হিসেবে পরিচিত তাবলীগের কর্মী প্রকৌশলী মাহফুজুল হান্নান বলেন, ‘মাওলানা সা’দকে ইজতেমায় না অংশগ্রহণের শর্তে কাকরাইল মসজিদে আনা হচ্ছে। তাকে এখানেই রাখা হবে।’ বিমানবন্দরে রয়েছেন সা’দ পক্ষের শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। বিকাল সাড়ে ৩টায় তিনি বলেন, ‘মাওলানা সা’দ কাকরাইলে যাচ্ছেন। পুলিশের সহায়তায় তিনি যাচ্ছেন। সেখানেই তিনি অবস্থান করবেন।’ মাওলানা সা’দ ইজতেমায় অংশ নেবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘উনি অংশ নেবেন কিনা আলেমদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তার বিষয়ে আলেমদের যে বক্তব্য তা আমরা শুনবো, এরপর দেখা যাবে তিনি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেন কিনা।’বিমানবন্দরে থাকা বেফাকের সহসভাপতি আল্লামা আশরাফ আলী বলেন, ‘আমরা তো বিমানবন্দরে আছি। আমাদের দাবি তাকে ফেরত পাঠানো হোক। আমাদের একটাই কথা। আর উনাকে কাকরাইলে নেওয়া হবে, সেটা আমরা জানি না।’ এদিকে, মাওলানা সা’দকে যখন কাকরাইলের দিকে আনা হচ্ছে, তখনও বিক্ষোভ চলছে বিমানবন্দরসহ টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায়। তাবলিগকর্মী রুমি জানান, বিমানবন্দর থেকে ইজতেমা মাঠে যাওয়ার সবগুলো রাস্তায় প্রতিবাদ করছেন তাবলিগ কর্মীরা। বুধবার সকালে বেফাকের সামনে বিক্ষোভ করেছেন সিনিয়র কওমি আলেমরা। এ বিষয়ে জানতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে ফোন করা হলে তিনি ব্যস্ত থাকায় কথা বলতে পারেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিমানবন্দরের এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মাওলানা সা’দ বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে গেছেন। বিশেষ নিরাপত্তায় পুলিশের প্রহরায় কাকরাইলের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

শ্যামনগরে পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

 

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: মঙ্গলবার শ্যামনগর উপজেলায় সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বগুড়ার বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের  উদ্যোগে  হায়বাতপুর ও  কুলটুপুর পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও বিস্তার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষনা প্রকল্পের আওতায় পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ বিষয়ক দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ ফার্মার্স ফিল্ড স্কুলের উদ্বোধন করা হয়।

চ্যানেল আই পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক শেখ সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বগুড়ার সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ মোজাহারুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল হোসেন মিয়া, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিউদ্দীন আহম্মেদ, মুক্তিযোদ্ধা ডা. মুজিবর রহমান প্রমুখ।

সাতক্ষীরায় কালের কন্ঠ’র ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

ফাহাদ হোসেন: বর্ণাঢ্য র‌্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে সাতক্ষীরায় পালিত হয়েছে দৈনিক কালের কন্ঠ’র ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে বুধবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের হলরুমে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তৃতা রাখেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও শুভসংঘ জেলা কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, বিশিষ্ঠ সমাজসেবক ও জেলা পুলিশিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কালাম বাবলা, প্রবিণ সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, শুভ সংঘের সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি ফাহাদ হোসেন প্রমুখ। সভায় সভাপত্বি করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহম্মেদ। আলোচনা সভার শুরুতে প্রতিষ্ঠা বর্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য দেন কালের কন্ঠের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মোশারাফ হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শুভ সংঘের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা সহ শামশুন্নাহার , মাহিদা মিজান, নাহিদ হাসান, ফারুক হোসেন, আব্দুল কাদের, মাফিজুল ইসলাম, ওসমান, মাছুম প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পাঠক হৃদয় জয় করে কালের কণ্ঠও এগিয়ে যাচ্ছে। সবার চেয়েক বেশী পাঠক অনলাইনে কালের কণ্ঠ পড়ে থাকেন। ১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন। ১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। স্মরনীয় এই দিনেই কালের কণ্ঠ’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। আট বছর পেরিয়ে আসা কালের কণ্ঠ অগনিত পাঠক হৃদয় জয় করে নিজের অবস্থান মজবুত করতে সক্ষম হয়েছে। নবম বর্ষের যাত্রার শুভক্ষনে ‘আংশিক নয়, পুরো সত্য’ এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে কালের কণ্ঠ এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে অন্যান্নদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক, শুভসংঘের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দেশ টিভির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি শহীদুল্লাহ কায়সার সুমন।
এর আগে প্রেসক্লাব চত্তর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ন মোড় প্রদক্ষিন করে যাত্রা বিন্দুতে এসে শেষ হয়। পরে অতিথিরা কালের কণ্ঠের জন্মদিনের কেক কাটেন।

বিজিবি’র উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজিবি সাতক্ষীরা- ৩৮ ব্যাটালিয়নের উপশাখা সীমান্ত পরিবার কল্যান সমিতির উদ্যোগে শীতার্ত ও দুস্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ব্যাটালিয়ান হেড কোয়ার্টারের একটি কক্ষে এ কম্বল বিতরণ করা হয়।

সীমান্ত পরিবার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদিকা সামসই ফারহা দিবা কম্বল বিতরনকালে বলেন, সম্প্রতি সাতক্ষীরায় শীতের প্রকোপ বেড়েছে। এতে সীমান্তের নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষজন কষ্টে রয়েছে। তাই তারা মানবিকভাবে ৫৩ জন দুস্ত নারী , পুরুষ ও শিশুকে কম্বল বিতরণ করছেন।

 

কেক কেটে, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

 

বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে গত ০৯ জানুয়ারী-২০১৮ মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় শহরের কামালনগরস্থ জেলা কার্যালয়ে কেকে কেটে দোয়া অনুষ্ঠান ও অলোচনা সভার মধ্য দিয়ে উৎযাপিত হয়েছে। সংগঠনের জেলা সভাপতি কেন্দ্রীয়নেতা এডভোকেট আল মাহমুদ পলাশে সভাপতিত্বে এবং জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তৃতা করেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক অতিরিক্ত পিপি এড. আজাহারুল ইসলাম। অন্যান্যদের বক্তব্য রাখেন জেলা সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ খান ও অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান কাজল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ জাহিরুল আলম টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্ সাইফুল ইসলাম, সাবেক পৌর আ’লীগের উপপ্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান, ত্রাণ সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র সরকার, কুটির শিল্প সম্পাদক মোছাক সরদার, পৌর সভাপতি আব্দুল আলিম, সদর আহবায়ক আসাদুজ্জামান লাভলু, আশাশুনি উপজেলা আহবায়ক সরোয়ার হোসেন, দেবহাটা যুগ্নআহবায়ক গনেষ চন্দ্র সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সহসাংগঠনিক সম্পাদক নরুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম বাবু, ভূমি সস্পাদক প্রভাষক তরিকুল ইসলাম, কৃষিঋণ ও পূর্ণবাসন সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জামাল উদ্দীন বাদল, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান সম্পাদক ডা. খলিলুর রহমান, নির্বাহী সদস্য নুরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের ধর্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ বিন কাশেম। প্রসঙ্গত: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নামে এই সংগঠনটি বিগত ২০০৪ সালে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে অত্যন্ত সাহসীকতার সাথে কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. জহির উদ্দীন মবু “বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ” গঠন করেছিলেন । সংগঠন এর বয়স ১৪ বছর। এই সংগঠন একটি কল্যাণমূখী পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান। এই পরিষদ দেশ ও জাতির উন্নয়নে সদস্যদের পেশাগত মান উন্নয়ন, পারস্পারিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতরকরণ এবং সার্বিক কল্যাণ সাধনে সচেষ্ট আছে। সদস্যদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, সঞ্চয়, দক্ষতা বৃদ্ধি ও পেশাগত মান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, গবেষণা, প্রকাশনা ও বিনোদন মূলক অনুষ্ঠান করা। বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত সমগ্র বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর অনুসারী দের ঐক্যবদ্ধ করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ সাতক্ষীরা জেলার নেতৃবৃন্দ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে । প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দেবহাটা সুবর্ণাবাদে অনুকুল চন্দ্র সৎ সংঘের বনভোজন মহোৎসব

 

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটা সুবর্ণাবাদে  অনুকুল চন্দ্র সৎ সংঘের বনভোজন মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সুবর্ণাবাদে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র সৎ সংঘ সুবার্ণাবাদ শাখার আয়োজনে বনভোজন মহোৎসব ও সাতক্ষীরা জেলা সৎ সংঘের মুখপাত্র সপ্তদীপের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা সৎ সংঘের সভাপতি অসিত কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি দমন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যপক চন্দ্র কান্ত মল্লিক, মহোৎসবের আহবায়ক সুবার্ণাবাদ সেন্টাল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক পরিমল চন্দ্র গাতিদার প্রমুখ।

কাশিমাড়ীতে খালখনন কাজের উদ্বোধন

 

কাশিমাড়ী (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: দরিদ্রদের জন্য ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার কাশিমাড়ীর শংকরকাটি মৌজার নইপুকুরের খালখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নিজ হাতে মাটি কেটে কর্মসৃজন এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সমাজসেবক ইউনিয়ন আ’লীগের সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী গাজী। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য এসএম সাহজাহান, ইউপি সদস্য হামিদুল কবির বাবু, গাজী আকতার ফারুক, সুধাংশু কুমার মন্ডল, আব্দুর রশিদ ঢালী, ইয়াহিয়ার রহমান খোকন, আব্দুল মাজেদ, আনছার আলী, নজরুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।