উন্নয়নের বার্তা ছড়িয়ে শেষ হল মেলা

আব্দুস সামাদ: তিনদিনব্যাপি উন্নয়ন মেলা-২০১৮ শেষ হয়েছে। শনিবার বিকালে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এ মেলা শেষ হয়। সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে এক সময় ২টি নৌ বন্দর ছিল, বর্তমান সরকার তৃতীয়টি নির্মাণ করার কাজ হাতে নিয়েছে। দক্ষিণ বঙ্গের নান্দনিক গেট হিসেবে পরিচিত পদ্মা সেতু ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ থেকে ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতে উন্নীত করেছে। দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধি হয়েছে। দেশ আজ ডিজিটালে পরিণত হয়েছে। সকল উন্নয়ন এ সরকারের হাত দিয়েই হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা হৃদয় থেকে বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারছে না তাদের চোখে এসব উন্নয়ন ধরা পড়বে না। বিশ^ আজ এসব উন্নয়নের স্বীকৃতি দিতে শুরু করেছে। ৭১’ কে ভুলে, মুক্তিযুদ্ধকে ভুলে কখনো দেশের উন্নয়ন হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে যে উন্নয়ন হচ্ছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরতেই এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
এসময় সভাপতির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, সরকারে সকল দপ্তরগুলো কি সেবা দিচ্ছে সেটি জনগণের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি পরিচিত করেতই দেশব্যাপি এ মেলা আয়োজন করা হয়েছে। সাতক্ষীরার জনগণ মেলায় উপস্থিত হলে সেবা নিতে পেরেছে এটাই মেলার সার্থকতা।
অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান বলেন, সাতক্ষীরা আজ খাদ্যে ২ লাখ মে. টন উদ্বৃত্ত, সবজিতে ১ লাখ মে.টন উদ্বৃত্ত রয়েছে। এসব খাদ্য সাতক্ষীরা থেকে বাহিরের জেলা গুলোতে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া সরকার কৃষিতে ভর্তূকি দিয়ে কৃষি উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
এসময় অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ. এন. এম মঈনুল ইসলাম ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ প্রমুখ। মেলায় সরকারি, বেসরকারি, প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার মোশারেফ হোসাইন।
উন্নয়ন মেলা উপলক্ষে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগীতায় ক গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন আব্দুর রহমান, ২য় স্থান অধিকার করেছেন মাহবুবুর রহমান ও ৩য় স্থান অধিকার করেছেন ইবাদুল ইসলাম। খ গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন পারভেজ ইমাম, ২য় স্থান অধিকার করেছেন সাদমান আব্দুল্লাহ ও ৩য় স্থান অধিকার করেছেন সালাদ মাহমুদ।গ গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন শিমুল হোসেন, ২য় স্থান অধিকার করেছেন সাগর হোসেন ও ৩য় স্থান অধিকার করেছেন মিনহাজুল আবেদীন।
চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় ক গ্রুপে-প্রথম স্থান অধিকার করেছেন জারিন তাসরিন খান, ২য় স্থান অধিকার করেছেন শায়ন্তনি সরকার, ৩য় স্থান অধিকার করেছেন রুপন্তি। খ গ্রুপে-প্রথম স্থান অধিকার করেছেন প্রত্যাশা বন্দোপাধ্যায়, ২য় স্থান অধিকার করেছেন অহিন অর্ণব বাছাড় ও ৩য় স্থান অধিকার করেছেন নূর জাহান আক্তার। গ গ্রুপ প্রথম স্থান অধিকার করেছেন শুভজিৎ বন্দোপাধ্যায়, ২য় স্থান অধিকার করেছেন রব্বানী তাহমিদ ও ৩য় স্থান অধিকার করেছেন প্রান্ত দেব ভট্রাচার্জ।
রচনা প্রতিযোগীতায় ক গ্রুপ প্রথম স্থান অধিকার করেছেন এস এম সিয়াম ফেরদৌস, ২য় স্থান অধিকার করেছেন পারভেজ ইমাম ও ৩য় স্থান অধিকার করেছেন রবিউল ইসলাম। খ গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তাজিয়া আফরিন হোসানা ও গ গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সানজিয়া আক্তার।
মেলায় অংশগ্রহণকারী স্টলগুলোতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। মেলায় প্রদর্শনী ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে কৃষি বিভাগ, ২য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সড়ক বিভাগ ও ৩য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, একটি বাড়ি একটি খামার, ফায়ার সার্ভিস ও জেলা কারাগার।
সাজসজ্জা ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ, ২য় স্থান অধিকার করেছে জেলা পুলিশ ও ৩য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, রাজস্ব বিভাগ, সমবায় বিভাগ, গণপূর্ত বিভাগ ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট।
সেবা ক্যাটাগরিতে- প্রথম স্থান অধিকার করেছে জেলা নির্বাচন অফিস, ২য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, বিআরটিএ, আয়কর কাস্টম্স ও ভ্যাট, ৩য় স্থান অধিকার করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা।
শিক্ষা ও কারিগরি ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, ২য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও সরকারি পলিটেকনিক এবং ৩য় স্থান অধিকার করেছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
তথ্য সরবারহ ক্যাটাগরিতে ১ম স্থান অধিকার করেছে ব্যাংকার্স ফোরাম, ২য় স্থান অধিকার করেছে জেলা তথ্য অফিস ও ৩য় স্থান অধিকার করেছে জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস।
বেসরকারি ও আর্থ সামাজিক ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, ২য় স্থান অধিকার করেছে মহিলা সংস্থা ও ৩য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে ব্র্যাক ও এনজিও ফাউন্ডেশন। এছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

নাশকতা মামলার আসামীকে নিয়ে এমপি রবির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

পত্রদূত রিপোর্ট: নাশকতা মামলার আসামীকে সাথে নিয়ে সাতক্ষীরা সদরের উপজেলার ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তরের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ৬৬ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫শত টাকা শনিবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ভবনের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়। এসময় অন্যান্য অতিথির সাথে সেখানে উপস্থিত ছিলেন নাশকতা মামলার পলাতক আসামী ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল।

গত ২৭ ডিসেম্বর’ ১৭ তারিখে সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই সোহরাব হোসেন বাদি হয়ে ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুকুলসহ ১২জনের নাম উল্লেখ করে একটি নাশকতার মামলা দায়ের করেন। সদর থানায় মামলা নং ৪৫।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ ডিসেম্বর’১৭ তারিখ রাতে পুরাতন সাতক্ষীরা পল্লীমঙ্গল হাইস্কুল মাঠে পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার মৃত. তাজুউদ্দিন সরদারের ছেলে মাও. শামসুর রহমান, বাগডাঙ্গা এলাকার তাজুউদ্দিন সরদারের ছেলে আতিয়ার রহমান, মাটিয়াডাঙ্গা এলাকার মো. জোহর আলীর ছেলে আবু বক্কার সিদ্দিক, তথ্য প্রযুক্তি আইনে আটক হওয়া আসামি উত্তর কাটিয়া এলাকার মৃত. আব্দুর রউফের ছেলে মোদাচ্ছেরুল হক হুদা, বাগডাঙ্গা এলাকার মৃত শামসুর রহমানের ছেলে আব্দুল খালেক, মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ব্রহ্মরাজপুর এলাকার হারুন অর রশিদের ছেলে মমিনুর রহমান মুকুল, ভালুকাচাঁদপুর এলাকার মৃত আব্দুর রউফের ছেলে ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মোফাচ্ছের হক ওরফে মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতি, কালিগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের আত্তাব উদ্দীনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ, সদর উপজেলা কাথন্ডা এলাকার নুর উদ্দিন মোল্যার ছেলে আনিছুর রহমান, একই এলাকার যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি জেলা জামাতের আমির খালেক মন্ডলের ছেলে শামীম হোসেন ও কলারোয়া উপজেলার লাঙলঝাড়া গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে শহিদুল ইসলামসহ ৬০/৭০ জন জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা সাতক্ষীরায় নাশকতার গোপন বৈঠক শুরু করেছে এমন সংবাদ পান সদর থানা এসআই সোহরাব হোসেন। এঘটনা জানতে পেরে তিনি বিষয়টি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে পল্লীমঙ্গল হাইস্কুল মাঠে অভিযান পরিচালনা করলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যান্য ব্যক্তিরা পালিয়ে গেলেও মাও. শামসুর রহমান, আতিয়ার রহমান ও আবু বক্কার সিদ্দিককে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে উল্লেখিত ব্যক্তিদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করেন। সে অনুযায়ী সদর থানার এসআই সোহরাব হোসেন বাদি হয়ে উল্লেখিত ব্যক্তিদের নামে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

১৩ শনিবার সকালে জানুয়ারি বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তরের দিন মামলার ৭নং আসামি ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল এমপির সাথে উপস্থিত ছিলেন।

 

ধুলিহরে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদ চত্তরে শনিবার সকালে শীতার্ত মানুষের শীত নির্বারণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু সানা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এস.এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গনেশ চন্দ্র ম-ল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক স.ম জালাল উদ্দীন প্রমুখ। ইউনিয়নের ৪০০জন মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউপি সদস্য শামীম রেজা চৌধুরী।

দারিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সরঞ্জাম বিতরণ

শহর প্রতিনিধি: দারিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সরঞ্জাম বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্তরে শিক্ষা সরঞ্জাম বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের। শিক্ষা দারিদ্র নিরসন যুব সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা দারিদ্র নিরসন যুব সংগঠনের সভাপতি রাজ ইসলাম রাজু, যুগ্ম সম্পাদক রোকনুজ্জামান, ইসমাইল হোসেন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুস্তম আলী। প্রধান অতিথি দরিদ্র মেধাবীদের জন্য যুবকদের এ মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, যুবকরা ইচ্ছা করলে অনেক কিছুই করতে পারে। সমাজকে পরিবর্তনের জন্য যুবকদের ভূমিকা অপরিসীম। ১৯৭১ সালে যুবকদের কারণেই কিন্তু আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছি। স্বাধীন বাংলাদেশে বসবাস করতে পারি। এসময় তিনি উক্ত সংগঠনের সমৃদ্ধি কামনা করেন।

ইয়ং টাইগার্স অ-১৬ জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপ’র উদ্বোধনী খেলায় বরিশাল জেলা ৩৯ রানে জয়ী

ক্রীড়া ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে এবং সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠে ইয়ং টাইগার্স অ-১৬ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপ’২০১৭-১৮ এর সাতক্ষীরা ভেন্যুর উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এ খেলার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাকির হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন সাজেক্রীস সহ-সভাপতি বদরুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানের আরোও উপস্থিত ছিলেন সাজেক্রীস যুগ্ম সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, নির্বাহী সদস্য কাজী কামরুজ্জামান, ইকবাল কবির খান বাপ্পি, খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট প্রশিক্ষক কাজী ইমদাদুল বাসার রিপন, বরিশাল ও ঝিনাইদহ জেলার খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন অ-১৬ ক্রিকেট সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম ভেন্যু ম্যানেজার ও সাজেক্রীস নির্বাহী সদস্য আ. ম আখতারুজ্জামান মুকুল। উদ্বোধনী খেলায় বরিশাল জেলা বনাম ঝিনাইদহ জেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। খেলায় বরিশাল জেলা টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৫ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান করে। দলের আসিফুর রহমান ৫৮ রান করে। জবাবে ঝিনাইদহ জেলা ব্যাট করতে নেমে ৩৩ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রান করে। বরিশাল জেলার জহিরুল ইসলাম ৬টি ও রিমন ২টি করে উইকেট লাভ করে। আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তৌফিক তুরাগ ও দিদারুল আলম জনি এবং স্কোরার ছিলেন কাজী মো. ফরহাদ। আজ রবিবার মেহেরপুর বনাম ঝালকাঠি জেলার মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাণ সায়ের খাল এখন পলিথিনের ডাস্টবিন

সাতক্ষীরার পৌরসভার বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী প্রাণ সারের খাল এখন মৃত প্রায়। বড় বাজার ব্রিজ থেকে পাকাপুল পর্যন্ত খালের দুইধার দিয়ে পলিথিনে ভরে যাচ্ছে। দেখলে মনে হবে এ যেন সাতক্ষীরার প্রাণ সায়ের খাল এখন পলিথিনের ডাস্টবিন। এতে করে যেমন ছড়িয়ে পড়ছে পরিবেশ দূষণ, তেমনি হারিয়ে যাচ্ছে প্রাণ সারের খালের ঐতিহ্য।

তালায় তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলার সমাপ্তি

ইলিয়াস হোসেন, তালা (সদর): শনিবার (১৩ জানুয়ারী) সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলা পরিষদ চত্বরে তিন দিনব্যাপী ‘উন্নয়ন মেলা’-২০১৮ এর সমাপ্তি হয়েছে। ‘উন্নয়নের রোল মডেল, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” এই স্লোগান সামনে রেখে রূপকল্প-২০২১ এবং ভিশন-২০৪১ তথা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের সাফল্য সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উক্ত মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুহফুল্লাহ। তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফরিদ হোসেনের সভপাতিত্বে মেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব ড. রেজাউল করিম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, তালা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম মোস্তফা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইখতিয়ার হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা খানম, তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাসান হাফিজুর রহমান, পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্যা জাকির হোসেন, উত্তরণ পরিচালক শহিদুল ইসলাম, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহমান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক এমএ কাশেম, কেন্দ্রীয় যুবলীগৈর সহ-সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রণব ঘোষ বাবলু, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন, তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরদার মশিয়ার রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. সঞ্জয় বিশ্বাস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আতিয়ার রহমান, শিক্ষা অফিসার (প্রাথমিক) মো. অহিদুল ইসলাম প্রমুখ। তিন দিনব্যাপী উক্ত উন্নয়ন মেলায় ৫২ টি ষ্টল তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম প্রদর্শন করে। এছাড়া মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,আলোচনা সভা, নাটক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমেও সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরা হয়। এ সময় মেলায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কৃত করা হয়।

তালায় ৫ বছরের ঘেরের চুক্তি জাল করে ১০বছর করার অভিযোগ!

 

তালা (সদর) প্রতিনিধি: তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের খরাইল মৌজায় রকিবুস শাহাদাত নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৫ বছরের ঘেরের চুক্তি (ডিড) জাল করে ১০ বছর করার অভিযোগ উঠেছে! রকিবুস শাহাদাত উপজেলার কলিয়া গ্রামের শামসুল হুদা মাহমুদের পুত্র। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি জমির মালিকরা সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছেন। তালা উপজেলার দেওয়ানীপাড়া ও কলিয়া গ্রামের কয়েকজন জমির মালিক জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগে জানান, রকিবুস শাহাদাত ইসলামকাটি ইউনিয়নের খরাইল মৌজায় ২০বিঘা জমিতেঘের করার লক্ষ্যে বিগত ৫ বছর আগে চুক্তি করেঘের করে আসছে। চলতি বছরের আশ্বিন মাসে যার চুক্তিশেষ হয়ে যায়। অথচ উক্ত ঘের মালিক বর্তমানে তার ৫ বছরের চুক্তির কাগজ ফটোকপি করে তা কাটা-ছেড়া করে ১০ বছর করে নিয়েছে বলে জমির মালিকরা অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনা স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ এলাকাবাসি ও জমির মালিকরা অবগত আছেন। বর্তমানে ঘের মালিক রকিবুস শাহাদাত ঘেরের জমিতে কোন পানি নিস্কাশন করতে না দিয়ে ইরি-বোরো চাষে বাধাগ্রস্থ করছেন। এ ঘটনার ফুঁসে উঠেছে জমির মালিকরা। ভুক্তভোগি জমির মালিকরা এর প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছেন।

আমার এমপি ডটকম’র উদ্বোধন ১৬ জানুয়ারি

আব্দুর রহমান: আমার এমপি কাগজে-কলমে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হলেও এ সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগেই। আগামী ১৬ জানুয়ারি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মিলনায়তনে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বলে জানা যায়।
আমার এমপি স্বেছাসেবী সংগঠনটি সাধারণ জনগণ এবং এমপিদের সঙ্গে যোগাযোগের দূরত্ব ঘোচাতে িি.িধসধৎসঢ়.পড়স-নামক একটি অনলাইন প্লাটফর্ম তৈরি করে। ইতিমধ্যে ১৫০ জনেরও বেশি এমপি এ প্লাটফর্মে সংযুক্ত হয়েছেন। এবং ১৬০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি এসব এমপির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ বা পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় এমন কোনো সংগঠন/উদ্যোগ নেই, যারা এ ধরনের কাজ করে চলেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানত নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলো এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেবাগুলো ব্যবহার করতে আগ্রহী হবে বলে আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানায়। সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিয়ে যেসব সংগঠন কাজ করে তাদের কাজের ক্ষেত্রে িি.িধসধৎসঢ়.পড়স বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখন, বাংলাদেশের নাগরিকরা তাদের এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকা- সম্পর্কে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিকে প্রশ্ন করতে পারেন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধি আমার এমপি মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া বা প্রশ্নের উত্তর জানাতে পারেন। ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত ১৫০ জনেরও বেশি সংসদ সদস্য এ প্লাটফর্মের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে নিয়মিত নাগরিকদের ৪০০-এর বেশি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। ৬০০০-এরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক ও ১৬০ জন এমপি প্রতিনিধি এ প্লাটফর্মে যোগ দিয়েছেন। আমার এমপি ডটকম প্লাটফর্মের লক্ষ্য হল সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা এবং সংসদীয় প্রতিনিধি ও ভোটারদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। এখানে আমার এমপি ডটকম জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে একটি সেতু হিসেবে কাজ করে।
আমার এমপির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম : যেহেতু আগামী সাধারণ নির্বাচন এ বছরের শেষদিকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, এ মুহূর্তে নাগরিকদের এটা জানা জরুরি যে তাদের সংসদ সদস্যদের দ্বারা এলাকায় কোনো কোনো কাজ ইতিমধ্যে সুসম্পন্ন হয়েছে। এরকম অবস্থায় আমার এমপি স্বেছাসেবী সামাজিক সংগঠন এমপিদের সঙ্গে একটি নিয়মিত সাপ্তাহিক টেলিভিশন টকশো, টাউন হল টকশো এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চায় যেখানে ভোটাররা তাদের সংসদ সদস্যদের কাছে উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন সরাসরি জিজ্ঞাসা করতে পারবেন এবং সঙ্গে সঙ্গে এমপির কাছ থেকে উত্তর পেতে পারেন।
আমার এমপির ওয়েবের উদ্দেশ্য: নির্বাচিত প্রতিনিধিদের (এমপি) এবং ভোটারদের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপন করতে একটি গতিশীল ভূমিকা তৈরি করতে সহায়তা করবে।
নাগরিক মতামত, নাগরিক দায়িত্ব এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভূমিকা ও দায়িত্ব সম্পর্কে জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদার করার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করতে সহায়তা করবে।

ভাল রেজাল্ট ও স্বাস্থ্য ভাল রাখতে খেলা ধুলার বিকল্প নেই: জেলা প্রশাসক

মীর মোস্তফা আলী: ‘একজন কৃতি খেলোয়াড় দেশের গন্ডি পেরিয়ে জাতিকে বিশ^ দরবারে আসন করিয়ে দিতে পারে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

রবিবার সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বেলুন, ফেস্টুন ও শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন।

প্রধান অতিধি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন দপ্তরে এ জেলার যে সব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আছে তার অধিকাংশ এ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল। তোমদের এ বয়সে নিজেকে ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। পাড়ালেখার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ও রেজাল্ট ভাল করতে খেলা ধুলার বিকল্প নেই। নিজে মাদক থেকে দুরে রাখার উত্তম উপায় হল পড়া লেখা ও খেলা ধুলা। এ জেলায় মোস্তাফিজ, শম্ভু ও সাবিনাসহ অনেক খেলোয়ার ও গুণী মানুষ আছে এজন্য সকলকে পাড়া লেখার পাশাপাশি খেলা ধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে। ভালপড়া লেখা ও খেলাধুলার মাধ্যমে একজন মাকুষকে দেশ তথা বিশ্বের দরবারে পরিচিত লাভ করতে পারে। তাই তোমাদেরও ভাল মানুষ হয়ে দেশ তথা বিশ্বের দরবারে পরিচিত ঘটাতে হবে। মাদক দেখতে সুন্দর ভিতরে বিষ, এ বিষ একজন মানুষ ও পরিবারকে ধংস করে দেয়। তাই মাদক নয়, বই খাতা আর বল নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হবে।

এসময় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিসেস মনোয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ, আব্দুল হামিদ, সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, ইয়াহিয়া ইকবালসহ সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ। আজ ১৪ জানুয়ারী বিকালে একইস্থানে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

তালপাতায় লেখা বর্ণমালায় শিশুদের হাতেখড়ি উৎসব

যশোর প্রতিনিধি: তালপাতায় মাতৃভাষায় বর্ণ লিখে উৎসবমূখর পরিবেশে ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি হল যশোরের প্রায় ৩শ’ কোমলমতি শিশুর। উদীচী যশোরের আয়োজনে ‘হাতেখড়ি’ উৎসবে স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ শিশুদের হাত ধরে তালাপাতার উপর লিখে তাদের বিদ্যা অর্জনের সূচনা করেন। উৎসবে সংগীত পরিবেশন করেন দেশবরেণ্য লোকশিল্পী ফকির শাহবুদ্দিন।
আবহমান বাংলার গৌরবময় সমৃদ্ধ পারিবারিক সামাজিক অনুষ্ঠান নাগরিক জীবনে সার্বজনিন করার লক্ষ্য নিয়ে যশোরের পৌর উদ্যানের সবুজ চত্বরে বৃহৎ কলেবরে শনিবার সকালে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
এউপলক্ষে শহরের পৌর উদ্যানে বসেছিল শিশুমেলা। শিশুমেলায় স্বত:প্রণোদিত হয়ে উপস্থিত ছিলেন অভিভাবক ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার আলোকিত মানুষেরা। এই আলোকিত মানুষের হাত ধরেই আলোকিত জীবন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে শিশুরা শিক্ষাজীবনের শুরুতে হাতেখড়ি নেয়।
জাতীয় সংগীত ও উদীচীর সংগঠন সংগীতে শুরু হওয়া এ উৎসব উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি শিক্ষানুরাগী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ অভিভবিকদের মাধ্যমে শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমার থেকে আমাদের’ এই শিক্ষায় মানুষ হতে হবে। সবকিছু সকলের সাথে ভাগ করে নেব; এমন মানসিকতায় বেড়ে উঠতে হবে। এক্ষেত্রে অভিভাবকগণ তাদের সন্তানদের উদ্বুদ্ধ করবে।
অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নেয়ার গুন না শিখিয়ে সন্তানকে দেয়ার গুন শেখান; তবেই সন্তান সমাজকে কিছু দিতে শিখবে। শিক্ষার শুরুতে শিশুদের নিয়ে এমন আয়োজন করায় উদীচীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, সার্বজনিন এ আয়োজন কোমলমতি শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমিরুল ইসলাম টুকু, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার অধিকারী। আলোচনা করেন উদীচী যশোরের উপদেষ্টা প্রবীণ আইনজীবী এড. কাজী আব্দুস শহীদ লাল ও ডাক্তার ইয়াকুব আলী মোল্লা। সভাপতিত্ব করেন উদীচী যশোরের সভাপতি ডিএম শাহিদুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন উদীচী যশোরের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান খান বিপ্লব। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অক্ষর শিশু শিক্ষালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ চামেলী মুখার্জী ও সম্মিলনী ইনস্টিটিউশনের সহকারী শিক্ষক চঞ্চল সরকার।

বর্তমান সরকার এ অঞ্চলের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক রয়েছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

পত্রদূত ডেস্ক: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অঞ্চলের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক রয়েছে। এ সরকাররের নেতৃত্বে দেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে। দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। তিনি সকালে খুলনার বয়রাস্থ মৎস্য ভবন চত্ত্বরে খুলনা বিভাগীয় বঙ্গবন্ধু ফিশারিজ পরিষদের আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য সেক্টর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মৎস্য খাতের ব্যাপক উন্নতি করছে। মিঠা পানিতে মাছ চাষে দেশ অনেক দূর এগিয়েছে। আমাদের একটিই লক্ষ্য মাছের উৎপাদন আরো বৃদ্ধি করা। এজন্য সকল মৎস্য কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও সততার সাথে যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মালিক জনগণ। জনগণের কল্যাণে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তাঁর স্বপ্ন ছিলো দেশকে একটি ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত ও সোনার বাংলা গড়া। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।
খুলনা মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণের উপপরিচালক এবং বঙ্গবন্ধু ফিশারিজ পরিষদের সভাপতি প্রফুল্ল কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলান মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক রণজিত কুমার পাল। স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শামীম হায়দার। অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক সরদার আনিছুর রহমান পপলু, বিএফএফইএর সহসভাপতি শেখ আব্দুল বাকী, সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম এবং বঙ্গবন্ধু ফিশারিজ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক এটিএম তৌফিক মাহমুদ। দুপুরে মন্ত্রী ডুমুরিয়া সাজিয়াড়া শামসুল উলুম মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন এবং মতবিনিময় করেন। বিকেল মন্ত্রী ডুমুরিয়া স্বাধীনতা চত্ত্বরে উপজেলার উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন এবং পুরস্কার বিতরণ বিতরণ করেন।

আমার রেকর্ডীয় জমি দখল করে সাইনবোর্ড তুলেছেন যুবলীগের মান্নান: আফরোজা বেগম

নিজস্ব প্রতিনিধি: রসুলপুর মৌজায় আমার শ্বশুর ও চাচাতো শ্বশুরের রেকর্ডীয় সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে সাইন বোর্ড তুলেছেন জেলা যুবলীগ সভাপতি ও তার দুই সহযোগী সাগর হোসেন ও মজনু গাজি। এর প্রতিবাদ করায় মান্নান গং আমাদের ভয় দেখিয়ে বলছে বেশি বাড়াবাড়ি করলে রসুলপুর গ্রাম থেকে তোদের তাড়িয়ে দেবো। আমরা এ নিয়ে আতংকে আছি। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
শনিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন বসুলপুর গ্রামের আনসার আলির স্ত্রী আ্ফরোজা বেগম। তিনি বলেন, মান্নান গং জমি দখল করেও সংবাদ সম্মেলন করে চোখে ধুলো দিয়ে মানুষকে ভুল বুঝিয়েছেন। আমি তার পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে এই বক্তব্য দিতে চাই।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আফরোজা বেগম আরও বলেন, সিএস ১২৫ খতিয়ানের মালিক কোনাই, হাজের ও পুটে দপ্তরি এবং সিএস ৩৬৬ খতিয়ানের মালিক কোনাই সরদার ও পুটে দপ্তরি। কোনাই ও হাজের পুটের ভাগনে। পুটে দপ্তরি অবিবাহিত অবস্থায় মারা যাওয়ায় তার সমস্ত সম্পত্তির মালিক হন দুই ভাগনে কোনাই ও হাজের। হাজের সরদার নি:সন্তান হওয়ায় তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী ফুনি বিবির নিকট থেকে তার দুই আনা অংশ কিনে নেওয়ার পর সম্পত্তির সম্পূর্ণ মালিক হন আমার শ্বশুর আহম্মদ সরদার ও চাচাতো শ্বশুর মোহাম্মদ সরদার। উভয়ের পিতা কোনাই সরদার। সেই মোতাবেক আমার শ্বশুরেরা এসএ রেকর্ডের মালিক। আমার স্বামী ও তার চাচাতো ভাই মাঠ পর্চার মালিক। আমাদের নামে মিউটেশন এবং ২০১৭ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ। অথচ সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল মান্নান ১২৫ খতিয়ানের সাবেক ২২৫ দাগে ৩০ শতক এবং তার সহযোগী সাগর হোসেন ৩৬৬ খতিয়ানে সাবেক ১৩৫ দাগে ৭৬ শতক জমিতে রাজনৈতিক ক্ষমতা খাটিয়ে রাতের আঁধারে সাইনবোর্ড তুলেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, রহিম বক্স করিম সরদারের জামাই। তার স্ত্রী ও শাশুড়ি করিম সরদারের অংশ হিসেবে ১৯৬৭ সালে লোকমান খাঁ দিংয়ের নিকট বিক্রি করে দেন। দলিল নম্বর ৫৯৯৯। লোকমান খাঁ বিক্রি করেন সহিল উদ্দিন মন্ডলের নিকট (দলিল নম্বর ১৪৫৫)। সহিলের কাছ থেকে আমার শ্বশুরগণ ক্রয় করেন ১৯৭৩ সালে দলিল নম্বর ৩৮৬৭। এই দলিলে রহিম বক্স সরদার সাক্ষী আছেন। অথচ এই বিক্রয়কৃত সম্পত্তি পুনরায় দাবি করে এবং পুটে দপ্তরির ওয়ারেশ দাবি করে মান্নান ও সাগর হোসেনের সহায়তায় রহিম বক্স একটি দেওয়ানি মামলা করে। এই মামলা এখনও চলমান। ২০১৩ সালে তারা জমিতে একটি ঘর তুলে দেয় । বাধা দিলে পরদিনই তা ভেঙ্গে নেয়। তারা পুলিশের কাছে যথাযথ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। এতো দিন জমিতে স্থিতাবস্থা বিরাজ করছিল। জমির গাছপালা কাটার হুমকি দিলে আমার চাচাতো দেবর ১৪৫ ধারা করেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের নিজ দখলে থাকার নির্দেশ দেন। এরপর তারা নীরব থাকার পর হঠাৎ মান্নান, মজনু ও সাগর জমিতে ঘেরা দিয়ে সাইন বোর্ড তোলে। তারা যে ওয়ারেশ কায়েম সার্টিফিকেটের কথা বলেন তা ভুয়া। কারণ ১৯৩৭ সালের সিএস রেকর্ডের ওয়ারেশ কায়েম সার্টিফিকেট দেওয়ার এখতিয়ার পৌর সভার নেই। এই ভুয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে তারা সাইন বোর্ড ঝুলিয়েছেন বলে জানান, আফরোজা বেগম। কারণ পুটে দপ্তরির কোনো সন্তান ছিল না। তবু মজনু উল্লেখ করেছে যে পুটের পুত্র পাচকড়ি সরদার। এটা মিথ্যা কথা। পুটে রহিম বক্সের পিতাও নন। রহিমের পিতার নাম হাতেম সরদার। পাচকড়ির নামে কোনো রেকর্ড নেই।
আমরা মান্নান, সাগর ও মজনু গাজির তোলা সাইনবোর্ড নামিয়ে দিতে চাই। এজন্য প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহায়তা কামনা করেন আফরোজা বেগম। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. আলফাজউদ্দিন সোহাগ, মো. সালাহউদ্দিন, সুফিয়া খাতুন, গোলাম রহমান, মোয়াজ্জেম হাসান, সাইফুল ইসলাম, আলিমুন হোসেন সাগর, আকবর হোসেন প্রমুখ।

 

কুলআটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে পোষাক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী ভোমরা ইউনিয়নের গয়েশপুর (কুলআটি) এসকেএস বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে সংবর্ধনা ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পোষাক বিতরণ করা হয়েছে। এতে সভাতিত্ব করেন ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান ইসরাইল গাজির পক্ষে তার ভ্রাতুষ্পুত্র নিজাম উদ্দীন। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের সদস্য আলহজ্জ্ব আল ফেরদৌস (আলফা)। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ আল আমিনুর রশিদ, পরিতোষ ঘোষ, সভাপতি ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এ্যসোসিয়েশন নাজমুল আলম, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, মুনছুর আলী প্রমুখ। প্রসঙ্গত: স্কুলটিতে বর্তমানে ১২০জন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রী পড়াশুনা করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন স্কুলের সহকারি শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম।

জেলা ন্যাপ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইদের স্মরণ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: গভীর শ্রদ্ধায় জেলা ন্যাপ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্ষিয়ান জননেতা, গরীবের বন্ধু কাজী সাইদুর রহমানের ওরফে কাজী সাইদের স্মরণ সভা ও সুন্দরবন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জানুয়ারী) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরীতে জেলা ন্যাপের সভাপতি হায়দার আলী শান্ত’র সভাপতিত্বে এ স্মরণ সভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. মো. আব্দুল মজিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এড. মো. আজহারুল ইসলাম, ড. আব্দুল বারী, এড. এবিএম সেলিম, মুক্তিযোদ্ধা কাজী কাজেম আলী, অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, মুক্তিযোদ্ধা হাসানুজ্জামান, এড. আকবর আলী, তৃপ্তি মোহন মল্লিক, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, এড. নওশের আলী, এড. খগেন্দ্রনাথ, এড. জামাল উদ্দিন, মফিজুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ, আব্দুস ছাত্তার, রিয়াজুল ইসলাম, আবু সাইদ, বাবলুর রহমান, জুলফিকার আলী প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এড. কাজী আব্দুল¬াহ আল হাবিব। সভায় বক্তারা বলেন, মরহুম কাজী সাইদুর রহমান ছিলেন সমাজ সেবক, দেশপ্রেমিক, সৎ ও নিষ্ঠাবান এবং রাজনীতিবিদ ও অন্যায় দুর্নীতির প্রতিবাদকারী। প্রয়াত কাজী সাইদের অভাব সাতক্ষীরাবাসি চিরকাল অনুভব করবে। তার রেখে যাওয়া নীতি ও আদর্শ অনুসরণযোগ্য। গরীব দু:খী মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। যেখানে অন্যায়, যেখানে দুর্নীতি সেখানে কেউ থাকুক আর না থাকুক কাজী সাইদকে দেখেছে সাতক্ষীরাবাসি। সেই কাজী সাইদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এগিয়ে যাবার আহ্বান জানান বক্তারা। নেতৃবৃন্দ বলেন, সাতক্ষীরা সরকারিভাবে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ‘সুন্দরবন বিশ্ববিদ্যালয়’ বাস্তবায়নের চেষ্টায় মরহুম কাজী সাইদুর রহমানের অগ্রনী ভুমিকা ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে সাতক্ষীরাবাসি অনেককিছু হারিয়েছে। আগামীতে তার স্বপ্ন ও বাকী কাজগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করার অঙ্গীকার ও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।