শ্যামনগর কৈখালীতে নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে অবৈধ বালি উত্তোলন


প্রকাশিত : জানুয়ারি ১৪, ২০১৮ ||

রমজাননগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা একটি উপকূলীয় এলাকা। বিগত দিনে একটি কুচক্রি মহল অর্থের লোভে, আইলা প্লাবিত এলাকায় বিভিন্ন স্থান থেকে বালি উত্তোলন করে শ্যামনগর উপজেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন হওয়ার পরে উপজেলা প্রশাসন নড়েচড়ে বসে উপজেলাব্যাপি মাইকিংয়ের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা করেন। কিছু দিন অবৈধভাবে বালি উত্তোলন বন্ধ থাকলেও বর্তমানে একটি মহল ব্যক্তিগত স্বার্থে কাউকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন নেতা ও প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে হরহামেশায় বালি উত্তোলন করে চলেছে। সরজমিনে দেখা যায়, কৈখালী ইউনিয়ের যাদার হাটখোলা, ভেড়ার মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে মিন্দিনগরের প্রখ্যাত বালু ব্যবসায়ী আনছার সম্পূর্ণ গায়ের জোরে মাদার নদী সংলগ্ম এলাকার ঘের থেকে বালি উত্তোলন করছে। যার ফলে মাদার নদীর ওয়াবদার রাস্তা ফাঁটলের সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকার জনসাধারণ বর্তমানে ফাঁটল দেখে আতঙ্কের ভিতরে জীবন যাপন করছে। এ বিষয়ে বালি উত্তোলনকারী আনছার আলী বলেন, আমরা উপজেলার বিভিন্ন নেতা ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এ বালি উত্তোলন করছি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট কথা বলার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুজন সরকার বলেন, বালি উত্তোলন অবৈধ। কোন রকমে বোরিং করে বালি উত্তোলন করানো যাবে না। এধরণের কাজ সংগঠিত হলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। কৈখালীবাসির দাবি অতি দ্রুত অবৈধভাবে বালি উত্তোলন যাতে বন্ধ হয় এবং সরকারি আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হয় তার জন্য জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।