কপিলমুনি বাজারের প্রধান সড়ক বাসস্ট্যান্ডে পরিণত: ভোগান্তি চরমে


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৮ ||

 

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনি বাজারের ব্যস্ততম প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মিনিবাস থামিয়ে অহরহ যাত্রী ওঠা নামা করায় স্থানীয় দোকানীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। মিনিবাস সমিতির নির্ধারিত জায়গায় মিনিবাস রাখতে দোকানীরা বহু অনুনয় বিনয় করলেও তা গ্রাহ্য করছেন না ড্রাইভার ও হেলপাররা। বরং গাড়ি থামাতে নিষেধ করলে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও চোখ রাঙানী হজম করতে হচ্ছে দোকানীদের। আর দীর্ঘদিন এ ঘটনা ঘটলেও স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ঔষধ ব্যবসায়ী দেবু দত্ত,  হাড়িপাতিল ব্যবসায়ী গেীতম দে, ব্যবসায়ী রাম প্রসাদপাল, স্বদেশ, জগদীশ, সন্তোষসহ আরো অনেক ব্যবসায়ী বলেন, খুলনা থেকে পাইকগাছাগামী মিনিবাসগুলো কপিলমুনিতে এসে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একেবারে গা ঘেঁসে রেখে  প্রায় আধা ঘন্টা ধরে যাত্রী ওঠানামার জন্য অপেক্ষা করে। ড্রাইভার গাড়ীর স্ট্যার্ট বন্ধ না করে যাত্রী তোলার জন্য হেলপাররা প্রচন্ড জোরে হাক ডাক শুরু করে। মাঝে মাঝে গাড়ীর কালো বিষাক্ত ধোয়ায় চারিদিক আচ্ছাদিত হয়ে পরিবেশের মারাত্বক ক্ষতি হয়। শুধু তায় নয়, এখানে গাড়ী রাখার ফলে রাস্তা সংকীর্ন হওয়ায় প্রচন্ড যানযট সহ এখানে প্রায়ই ছোট খাট দুর্ঘটনা ঘটে। তাছাড়া এখানে একটি ক্লিনিক থাকায় গাড়ীর হর্নের প্রচন্ড শব্দ ও কালো ধোয়ায় রোগীদের মারাত্বক ক্ষতি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কপিলমুনির নিকারীপাড়া মোড়ে মিনিবাসের জন্য নির্ধারিত বাস স্টপেজ থাকলেও বাসগুলো সেখানে যাত্রী ওঠা নামার কাজ করে না। অনেক সময় মূমুর্ষ রোগীদের খুলনা সদর সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় প্রধান সড়কে সৃষ্ট যানজটের কারণে। যার ফলে অনেক রোগী রাস্তায় মারাও যায়। ব্যবসায়ীরা আরো জানান, বাস থামানোর ফলে তাদের দোকানে ক্রেতারা আসতে পারেন না। মাঝে মাঝে প্রচন্ড জোরে হর্ন বাজালে তাদের নিষেধ করলে গাড়ীর হেলপার সহ কন্ট্রাক্টররা তাদেরকে অপমান করতে ধেয়ে আসে। মিনিবাসগুলো যাতে তাদের নির্ধারিত জায়গায় অথবা অন্য কোথাও ফাঁকা জায়গায় দাড় করিয়ে যাত্রী ওঠা নামার কাজ করে তার জন্য খুলনা মিনিবাস মালিক সমিতির কর্তাব্যক্তি ও উপজেরলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।