মালদ্বীপের জরুরি অবস্থা ঘোষণায় যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৮ ||

 

মালদ্বীপে হঠাৎ করেই জরুরি অবস্থা জারি করার পর সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। জরুরি কিছু সময়ের মধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন দেশটির প্রধান বিচারপতি। আরও আটক হয়েছেন মালদ্বীপে প্রায় তিন দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা সাবেক রাষ্ট্রপতি মামুন আব্দুল গাইয়ুম। বিবিসির সংবাদদাতা অলিভিয়া ল্যাঙ জানাচ্ছেন, মালদ্বীপে মানুষ ভীত-শঙ্কিত অবস্থায় আছে। রাতে সুপ্রিম কোর্ট ঘিরে রেখেছে পুলিশ। আদালতে যেসব বিচারপতিরা ছিলেন তারা সবাই সেখানে আটকে রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের দেওয়া একটি ঐতিহাসিক আদেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। হুট করে মালদ্বীপে জারি করা জরুরী অবস্থা প্রত্যাহার করার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র বিষয়ক সেক্রেটারি বরিস জনসন। আর অ্যামেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল এক টুইট বার্তায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, মালদ্বীপে কি হচ্ছে সারা দুনিয়া সেদিকে খেয়াল রাখছে।

দেশটির বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হুসনু আল সুদ বলেছেন, নিরাপত্তা বাহিনী সুপ্রিম কোর্ট ঘিরে রেখেছে। এর ফলে বিচারকরা ভেতরে আটকা পড়েছেন। তাদেরকে খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে না। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম মুয়াজ আলিও জরুরি অবস্থা জারির খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন,সংবিধানের ২৫৩ অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে সোমবার থেকে আগামী ১৫ দিনের জন্য দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট।

জরুরি অবস্থা জারির মধ্য দিয়ে সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার ও আটক করার ক্ষেত্রে মালদ্বীপের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এক তরফা ক্ষমতা দেওয়া হলো। এতে দেশটিতে চলমান সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হলো।