হাইকোটে জামিন চেয়েছেন বাকালে বাস পোড়ানো মামলার পলাতক আসামীরা


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮ ||

পত্রদূত রিপোর্ট: বাকালে বাস পোড়ানো মামলার আসামীরা জামিন নিতে হাইকোটে অবস্থান করছেন। হাইকোটের ১৯নং বেঞ্চে ৩টি পৃথক আবেদনে জামিন ধরেছেন তারা। আজ বেলা ১১টার দিকে হাইকোটে অবস্থানকারী একাধিক সূত্র এ পত্রদূতকে টেলিফোন করে জানিয়েছেন। এরমধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি রহমত উল্লাহ পলাশসহ কয়েকজন ৫০নং পিটিশন, চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমসহ কয়েকজন ৭১নং পিটিশন এবং সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুর রহমানসহ কয়েকজন ৭৭নং পিটিশনে পৃথক পৃথক জামিনের আবেদন করেছেন।
উল্লেখ্য গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের দিন সন্ধ্যায় আলিপুর সবুরের ফিলিং স্টেশনের পাশে থাকা একে ট্রাভেলস এর একটি এসি চেয়ার কোচে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সদর থানার ১৯৭৪ সালের স্পেশাল পাওয়ার এ্যাক্ট ১৫(৩)/২৫(ঘ) তৎসহ পেনাল কোডের ৪৩৫ ধারার একটি মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় খুলনার খালিশপুর এলাকার আলিম খানের ছেলে ও সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাবেক শিবির ক্যাডার হামিদুল ইসলাম, কলারোয়ার ধানঘোরা গ্রামের মৃত গরিবুল্যার ছেলে ওমর আলী, কালিগঞ্জের ফতেপুর গ্রামের মোসলেম গাজীর ছেলে আব্দুল মোমিন, সদরের কাশেমপুর গ্রামের হাজাম পাড়ার মৃত ঈমান আলীর ছেলে গোলাম রসুল, শহর উপকণ্ঠের কুচপুকুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে গোলাম হোসেন।
এছাড়া পলাতক অন্যান্য আসামীরা হলেন, আলিপুরের আব্দুস সাত্তার সরদারের ছেলে কথিত গডফাদার আব্দুস সবুর, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রউফ ও জামাত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ছোট, জেলা বিএনপির সভাপতি রহমত উল্যাহ পলাশ, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসান, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাসিম ফারুক খান মিঠু, জেলা যুবদলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আইনুল ইসলাম নান্টা, ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুল ইসলাম আসাদ, জেলা যুব দলের সভাপতি আবুল হাসান হাদী, লাবসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল আলিম এবং জনৈক আল মামুন। এজাহার নামীয় ১৬জন ছাড়াও অজ্ঞাত নামা ৪০/৫০ জনকে আসামী করা হয়েছে এই মামলায়।