ভাষা দিবসে জমজমাট বইমেলা


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৮ ||

 

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস একুশে ফেব্রুয়ারিতে সকাল থেকেই জমে উঠেছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। আজ বুধবার সকাল ৮টায় খোলা হয় মেলার ফটক। এরপর সময় গড়ানোর সঙ্গে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন তাদের বেশিরভাগই বইমেলায় ভিড় করেছেন। একুশের আবহ নিয়ে সাদাকালো পোশাক পরে মেলায় এসেছেন দর্শনার্থীরা। অনেকের সঙ্গে আছে পরিবার। সবাই মিলে ঘুরে ঘুরে স্টলে বাছাই করে বই কিনছেন। বুধবার মেলা চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

মেলায় বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে ঘুরতে আসা নবম শ্রেণির ছাত্রী প্রিয়ন্তি বিশ্বাস পিউ বললেন, ‘প্রতি বছর এই দিনে বাবার সঙ্গে মেলায় আসি। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। সাকিব আল হাসানের হালুম বইটি কিনেছি।’

এদিন শিশু চত্বর মুখর হয়ে উঠেছে সোনামণিদের কলরবে। মেলায় শিশু-কিশোরদের বইয়ের বেশ চাহিদা। যুক্ত প্রকাশনীর স্টলে দায়িত্বরত ঊর্মি লোহানি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের এখানে শিশুদের বইয়ের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি।’

গত ২০ দিনে মেলায় বিক্রি কম বলে উল্লেখ করেছেন চমন প্রকাশের আনাম রেজা। তবে তার আশা, একুশে ফেব্রুয়ারিতে দর্শনার্থী বেশি আসায় বিক্রি বাড়বে।

কবি ও গবেষক ড. তপন বাগচির কথায়, ‘মেলায় আজ দর্শক দেখে মনটা ভরে যাচ্ছে। অসংখ্য মানুষ মেলায় এসেছেন। প্রত্যেকে যদি একটা করেও বই কেনেন তাহলেই কিন্তু আমাদের লেখক-প্রকাশকের কোনও কষ্ট থাকে না।’

আরেক কবি লিলি হক জানান, তার চয়ন প্রকাশনী থেকে এবার ১৭টি নতুন বই বের হয়েছে। এর মধ্যে আছে তার নিজের একটি কবিতার বই।

বাংলা একাডেমিতে গিয়ে জানা গেলো, ৫০ শতাংশ ছাড়ে তরুণ লেখক প্রকল্পের বই দিচ্ছে। দর্শকরা সেখান থেকেও বাছাই করে বই কিনছেন। তবে কেউ কেউ অবশ্য প্রকাশকদের বিরুদ্ধে পাতা বেশি না হওয়া সত্ত্বেও বইয়ের দাম বেশি রাখার অভিযোগ করেছেন।