খুলনায় বিক্ষোভ সমাবেশে সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জু: বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে দুর্বলতা ভাবলে আওয়ামী লীগ সরকারকে চরম মুল্য দিতে হবে


প্রকাশিত : February 26, 2018 ||

বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, “এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলাকালে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে শান্তিপুর্ণ কর্মসূচি পালন করেছি। কালো পতাকা প্রদর্শনের মতো শান্ত কর্মসূচিতে বিএনপি মহাসচিব দেশ বরেণ্য সজ্জন ব্যক্তি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লক্ষ্য করে দুষিত গরম পানি নিক্ষেপ করেছে আওয়ামী লীগের পুলিশ। তিন তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাজানো-পাতানো মামলার মনগড়া রায়ে কারাগারে নিক্ষেপ করেছে অনির্বাচিত জুলুমবাজ সরকার। তারপরও দেশনেত্রীর নির্দেশে শান্তিপুর্ণ কর্মসূচিতেই আছে বিএনপি। জনগনের ধর্য্যরে বাঁধ ভাঙলে লুটপাটকারীরা দেশ ছেড়ে পালানো পথ পাবে না। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার না করলে দেশের সাধারণ মানুষ ফুঁসে উঠবে; আর সে দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। বিএনপি’র অহিংস-শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে দুর্বলতা ভাবলে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে। সেদিন বেশি দুরে নয় বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কালো পতাকা কর্মসূচি পালনে পুলিশের নগ্ন হামলা, গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে সোমবার বেলা ১১টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকার পুলিশের ওপর ভর করে ক্ষমতায় টিকে আছে। পুলিশকে যে পরিমাণে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে পুলিশের হাতেই এখন গণতন্ত্রের মৃত্যু পরোয়ানা। জনগনের বিরুদ্ধ আচরণ করে ক্ষমতায় ঠিকে থাকা যায় না; যাবে না। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন, ক্ষমতায় চিরদিন ঠিকে থাকা যায় না। ভবিষ্যতে এ সরকারের প্রত্যেকেই আইনের মুখোমুখী হওয়ার পরিস্থিতিও একদিন আসতে পারে। তাই সাবধান; ১৬ কোটি মানুষের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হয়রানিমুলক মামলা নিয়ে ছেলেখেলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সমাবেশে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন- নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কেসিসি মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক এমপি কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সিরাজুল ইসলাম মেঝভাই, ফখরুল আলম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, স ম আব্দুর রহমান, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, জাহিদুল ইসলাম, শাহজালাল বাবলু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, শফিকুল আলম তুহিন, সৈয়দা রেহানা আক্তার, হাসান মেহেদী রিজভী, মাহবুব হাসান পিয়ারু, আজিজুল হাসান দুলু, মোঃ মুজিবর রহমান, নজরুল ইসলাম বাবু, মোঃ শাহজাহান, ইকবাল হোসেন খোকন, শমসের আলী মিন্টু, গিয়াসউদ্দিন বনি, হাফিজুর রহমান মনি, শেখ সাদী, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, নেহিমুল হাসান নেহিম, শাহিনুল ইসলাম পাখী, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, মুর্শিদ কামাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, কেএম হুমায়ুন কবির, একরামুল কবির মিল্টন, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, একরামুল হক হেলাল, সেখ কামরান হাসান, এসএম কামাল হোসেন, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, জিএম রফিকুল হাসান, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন, তরিকুল্লাহ খান, ইমতিয়াজ আলম বাবু, ইকবাল খান, নাসির খান, আবু সাঈদ শেখ, আব্দুর রহমান, ইমাম হোসেন, রোকেয়া ফারুক, জাহিদুর রহমান রিপন, জহর মীর, রবিউল ইসলাম রবি, মোলা ফরিদ আহমেদ, বাচ্চু মীর, আফসার মাস্টার, জাহিদ কামাল টিটো, তহিদুল ইসলাম খোকন, এইচএম আসলাম, আনিসুর রহমান আরজু ও রবিউল ইসলাম রুবেল প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি