কৈখালী সাহেবখালী বিলে অজ্ঞাত মহিলার রক্তাক্ত পোশাক উদ্ধার


প্রকাশিত : মার্চ ৭, ২০১৮ ||

রমজাননগর প্রতিনিধি ঃ শ্যামনগর উপজেলার ০৫ নং কৈখালী ইউনিয়নের সাহেবখালী বিল থেকে শ্যামনগর থানা পুলিশ এক অজ্ঞাত নামা মহিলার রক্ত মাখা কামিজ, ওড়না, ব্লেশিয়া, চুলের খোপা ও রুপসা থেকে মুন্সিগঞ্জ আসার বিআরটিসির টিকিট উদ্ধার করেছে। এ নিয়ে নানা কৌতুহল জন সাধারনের মাঝে। এটি কোন খুন নাকি ধর্ষণ? বিজিবি ও পুলিশ প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন ধুড় ব্যবসায়ীরা এই কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। সরজমিনে ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, সাপখালী গ্রামের মৃত মোঃ আলেক সরদারের পুত্র, ০১ নং ওয়ার্ডের আনছার কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাক ও গহর আলী গাজীর পুত্র মোঃ আহসান প্রতি দিনের ন্যায় পাশ্ববর্তী বিলে সকালে গরু খাস খাওয়াতে নিয়ে গেলে হঠাৎ তাদের চোখে রক্ত মাখা কামিজ, ওড়না, ব্লেশিয়া, চুলের খোপা ও রুপসা থেকে মুন্সিগঞ্জ আসার বিআরটিসির টিকিট দেখতে পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের খবর দেন। সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাৎক্ষনিক বিষয়টি শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আব্দুল মান্নান ও কৈখালী বিজিবি ক্যাম্পকে অবগত করলে ঘটনা স্থলে শ্যামনগর থানার এসআই হালিম, কৈখালী বিজিবির কোম্পানী কমান্ডার ও এফ,এস , ঘনাস্থলে উপস্থিত হন। সূত্রে জানা যায়, কৈখালী ইউনিয়নের কিছু অসাধু ব্যক্তি ধুড় ব্যবসা করে আসছে। ধুড় ব্যবসার পাশাপাশি এ সমস্ত ব্যক্তি মাদক, অস্ত্রসহ নানা ধরনের অপরাধ জনক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। অত্র ইউনিয়নে বি,জি,বির বেশ কয়েকটি ক্যাম্প, ফরেষ্ট অফিস, পাশ্ববর্তী রমজাননগর ইউনিয়নে কোষ্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের অফিস। অথচ এ সমস্ত ধুড় ব্যবসায়ীরা এ সমস্ত প্রশানের নাগের ডগা দিয়ে হর হামেশায় ধুড়, মাদক, অস্ত্র, নারী পাচারসহ নানা রকম অবৈধ্য ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। অপর এক সূত্রে জানা যায় , এসমস্ত ধুড় ব্যবসায়ীরা নারীদের ভারতে পৌছে দেওয়ার নাম করে এলাকায় এনে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষন করে। বিষয়টি খতিয়ের দেখার জন্য , পুলিশ , বিজিবিসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।