সকল পর্যায়ের শিশুদের শিক্ষার অধিকার রয়েছে: জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন


প্রকাশিত : মার্চ ৯, ২০১৮ ||

নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন বলেছেন, সকল পর্যায়ের শিশুদের শিক্ষার অধিকার রয়েছে। যে সকল শিশু দিনের বেলায় শিক্ষার আলো হতে বঞ্চিত তাদের জন্য নৈশকালীন শিক্ষা ব্যবস্থা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষায় অনগ্রসর, ঝরেপড়া, পথশিশু, কর্মজীবী ও প্রান্তিক সুবিধাবঞ্চিত শিশু যারা দিনের বেলায়  লেখাপড়ার সুযোগ পায় না তাদের জন্য সাতক্ষীরা জেলার একমাত্র বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরা নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, শিশুশ্রম আইনত নিষিদ্ধ হলেও দরিদ্র পরিবারের শিশুরা অভাবের কারণে শিক্ষা হতে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা দিনের বেলায় কাজ করে সন্ধ্যার পর এ বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। এজন্য তাদের ভালভাবে লেখাপড়ার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে। শুক্রবার সাতক্ষীরা নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সুধি সমাবেশ ও অতিথিদের সংবর্ধনা এবং বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সাতক্ষীরা নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সদস্য আতাহার আলী খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিখা রাণী মন্ডল। অনুষ্ঠান বিশেষ অতিথিবৃন্দ ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) মো. জাকির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল হান্নান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ আল মামুন, সভাপতি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি আবু আহম্মেদ, সাবেক সভাপতি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব এড. আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মো. আব্দূল বারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি আবু আহম্মেদ বলেন, বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরা নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সাতক্ষীরা অঞ্চলে অনগ্রসর, ঝরেপড়া, পথশিশু, কর্মজীবীদের মাঝে শিক্ষার আলোক বর্তিকা পৌছে দিচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত। এর অবকাঠামো উন্নয়নসহ জাতীয়করণ করা একান্ত প্রয়োজন। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ বলেন, সাতক্ষীরায় এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত না হলে দিনের আলোয় শিক্ষাবঞ্চিত শিশুরা শিক্ষার অধিকার হতে চরমভাবে বঞ্চিত হত। এ জন্য সার্বজনীন শিক্ষা বিস্তারের জন্য এ বিদ্যালকে সরকারিভাবে সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। অনুষ্ঠান শেষে নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ বার্ষিক বনভোজনে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন ড. দিলীপ কুমার দেব।