চাম্পাফুলে পানির প্লান্টের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেয়ায় পানি নিয়ে হাহাকার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার চাম্পাফুলে সুপেয় পানির প্লান্টের মোটরের বৈদ্যুতিক সংযোগ কেটে দেওয়ায় পানি নিয়ে হাহাকার পড়েছে। শোভনালি ও চাম্পাফুল এ দুটি ইউনিয়নের মিলনস্থলে ২০০৯ সালে ৬২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে শোভনালির গোদাড়া জামে মসজিদের পাশে দুই ইউনিয়নের মানুষের সুপেয় পানির কষ্ট নিবারণে এ প্লান্টটি স্থাপিত হয়। এরপর থেকে শোভনালী ইউনিয়নের খলিসানি, গোদাড়া, বসুখালি, শংকরমনিসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার সুপেয় পানির সুবিধা পেয়ে আসছিলো। এলাকাবাসি জানান, পানির প্লান্ট থেকে ১৪০০ পরিবার পানি পেতো। এরমধ্যে শোভনালী ইউপির ৫০০ ও চাম্পাফুল ইউপির ৯০০পরিবার রয়েছে। প্লান্টটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় এসব পরিবারে পানি পানি করে হাহাকার উঠেছে। এলাকাবাসির অভিযোগ, গত ২০ এপ্রিল রাতে একটি কুচক্রীমহল নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে। এঘটনায় প্লান্টের ব্যবস্থাপক গোলাম কাউয়ুম ২১ এপ্রিল আশাশুনি থানায় ৮৩৬নং জিডি করেছেন। কিন্তু আজো পানির প্লান্টের বিদ্যুৎ সংযোগ হয়নি। এর আগেও কয়েকবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র করেছিলো ওই মহলটি। এলাকার মেম্বর কায়ুম গাইন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী আব্দুল আলিম, দীনবন্ধু অধিকারী, অরুন কুমার ব্যানার্জী  জানান, এলাকা বিশুদ্ধ খাবার পানি না থাকায় টিউবওয়েলের আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে চাম্পাফুল ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম বলেন, আমার এলাকায় পানির প্লান্ট স্থাপনের কোনো সুযোগ না থাকায় পার্শ্ববর্তী শোভনালী ইউনিয়নের গোদাড়ায় প্লান্টটি স্থাপিত হয়। একটি কুচক্রী মহল তাদের ব্যক্তিস্বার্থের জন্য হাজার হাজার মানুষের সুপেয় পানি বন্ধ করে তামাশা দেখছে। সম্পূর্ণ প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে ওই মহলটি এলাকার হাজার হাজার মানুষকে পানি থেকে বঞ্চিত করছে। এলাকাবাসি পানি চায়। তিনি অবিলম্বে পানির প্লান্টে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।