সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগের চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ


প্রকাশিত : জুন ৬, ২০১৮ ||

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ২৪ ঘন্টা চিকিৎসক থাকার নিয়ম থাকলেও এখন আর সেটি মানা হচ্ছে না। খেয়াল খুশিমত দুই এক ঘন্টা অতিবাহিত করেই জরুরি বিভাগের ডাক্তার আসছেন সদর হাসপাতালে। রুগীদের চাপে স্টাফরা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ইন্টার্ণী চিকিৎসক এনে বসিয়ে রাখছেন। এমননি ভাবে চলছে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল।
মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক হিসেবে বোর্ডে নাম লেখা ছিল ডা. হাফিজুল্যার। সকাল সাড়ে ৮টার পরে যেয়ে দেখা যায় ডা. হাফিজুল্যাহ তখনও হাসপাতালে আসেননি। পরে রুগীদের চাপে স্টাফরা ইর্ন্টানী চিকিৎসক বসিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। বিষয়টি ভুক্তভোগিরা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফরহাদ জামিল কে জানালে তার কিছুই করার নেই বলে তিনি জানান। একই সাথে তিনি সিভিল সার্জনকে জানানোর অনুরোধ করেন ভুক্তভোগিদের।
পলাশপোলের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, কয়েকদিন পূর্বে সকাল ৯টার সময় এসে দেখি ডা. হাফিজুল্যাহ জরুরী বিভাগের চিকিৎসক থাকার পরও তিনি আসেননি। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আরএমওকে জানান। তিনি অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন। এরপর টেলিফোনে জানান সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমানকে। তিনি তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন জরুরী বিভাগে ডাক্তার নেই এটি হতেই পারে না। এক পর্যায়ে সিরাজুল ইসলাম হাসপাতালের ব্রাদারদের ফোনে সিভিল সার্জনকে ধরিয়ে দিলে তখন তিনি বিশ^াস করেন এবং দু:খ প্রকাশ করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিলেও আসলে তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। ফলে এমন ঘটনা অব্যহত আছে। ডা. হাফিজুল্যাহর মত অনেকের বিরুদ্ধে বরাবরই দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ রয়েছে। তারা সামনে রুগী দাড় করিয়ে রেখে রিপ্রেনজেনটিভদের সাথে গল্প করতে পছন্দ করেন।
এবিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমান জানান, হাসপাতালে চাহিদার তুলনায় চিকিৎসক রয়েছে অর্ধেক। অল্প সংখ্যাক চিকিৎসক নিয়ে প্রপার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অন্যান্য দায়িত্বও পালন করতে হয় তাদের। ফলে অনেক সময় আসতে দেরি হলেও সেটি কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।