মাগুরায় গৃহবধু পিটিয়ে মারাত্মক জখম: আটক এক


প্রকাশিত : জুন ২০, ২০১৮ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: শহরতলীর মাগুরায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধু পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে পাষন্ড স্বামী ও তার পরিবার। বুধবার সকালে শহরের মাগুরা গ্রামে এঘটনা ঘটে। আহত ওই গৃহবধু মাগুরা দক্ষিণপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের কন্যা সালমা বেগম। এঘটনায় ভুক্তভোগী সালমা বেগম বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং- ৩৩। এতে সদর থানা পুলিশ অবশ্য সালমা বেগমের ভাসুর মামলার ২নং আসামী মিজানুর রহমানকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০ বছর পূর্বে একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাক সরদারে ছেলে ইসমাইল হোসেনের সাথে পরিবারিকভাবে বিবাহ হয় সালমা বেগমের। বিবাহের পর থেকে প্রায়ই ইসমাইল সালমা বেগমকে যৌতুকে দাবিতে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করতো। কিন্তু এসব নির্যাতন সহ্য করে সালমা বেগম মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলো। ইতোমধ্যে তাদের ৪টি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। এদিকে সম্প্রতি দুশ্চরিত্রবান ইসমাইল হোসেন অন্য মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং সালমা বেগমের উপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে যৌতুকের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। টাকা না দিলে খড়িবিলা এলাকার এক মেয়েকে বিবাহ করবে বলে জানায় সালমা বেগমকে ইসমাইল। এরই জের ধরে গত ১৮ জুন’১৮ তারিখে খড়িবিলার প্রেমিকার বাড়িতে অবস্থান করাকালে সালমা খাতুন তার স্বামী ইসমাইলকে বাড়ি যেতে বলেন। এসময় পাষন্ড স্বামী ইসমাইল, ভাসুর মিজানুর রহমান এবং মোনতাজ সরদারের কন্যা আয়শা খাতুন বেধড়ক মারপিট করে সালমা বেগমকে গুরুতর জখম করে। এঘটনায় সালমা খাতুন বাদী হয়ে ৩জনের নাম উল্লেখ সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ২নং আসামীকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন। তবে স্বামী ইসমাইল হোসেন ও আয়শা খাতুন পলাতক রয়েছে।