সাতক্ষীরা-৩ আসনের পূন:নির্ধারণী প্রজ্ঞাপনের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল


প্রকাশিত : আগস্ট ৯, ২০১৮ ||

বিশেষ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন সাতক্ষীরা-৩ আসনে অন্তর্ভূক্ত করে গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রীট আবেদনের প্রাথমিক শুনানী শেষে বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ গত ৩০ জুলাই এই রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ ৩ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রীট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানী করেন অ্যাডভোকেট শেখ হাবিবুল আলম। পরে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সীমানা নির্দ্ধারণ করে গত ১৪ মার্চ গেজেট জারি করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপর এই আসন বজায় রাখতে এলাকাবাসী নির্বাচন কমিশনে লিখিত মতামত দেন। লিখিত মতামত পাওয়ার পর গত ২৩ এপ্রিল ইসি শুনানী করেন। পরবর্তীতে কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী, চাম্পাফুল, ভাড়াশিমলা ও নলতা এই চারটি ইউনিয়ন অন্তর্ভূক্ত করে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সীমানা পূন:নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন ইসি। অথচ এর আগে জারিকৃত গেজেটে আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলা নিয়ে সাতক্ষীরা-৩ আসন এবং সাতক্ষীরা-৪ আসন ছিল কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের এই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুছ সাদাত রাজাসহ ১৯ জন হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করেন। উক্ত রীটের প্রাথমিক শুনানী নিয়ে রুল জারি করেন মহামান্য আদালত।