আশাশুনির কালীবাড়ী-চাম্পাফুলসহ বিভিন্ন বাজারে সরকারি নীতিমালা ছাড়াই গ্যাস ব্যবসার অভিযোগ


প্রকাশিত : আগস্ট ৯, ২০১৮ ||

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির কালীবাড়ী ও চাম্পাফুল বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে সরকারি কোন নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দেদারসে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও সিলিন্ডার ব্যাবসা চালিয়ে যাবার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোন ভ্যাট-ট্যাক্স ছাড়াই জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো লেগেই আছে। তা ছাড়া সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। আশাশুনি সদর ইউনিয়ন, শোভনানী ও পার্শ্ববর্তী চাম্পাফুল ইউনিয়নসহ তার আশে পাশের ইউনিয়নের বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজির) বিধিমালা ২০০৪ এর বিধি ১১১ দ্র: ফরম (চ)তে ১৫টির মত শর্তাবলী উল্ল্যেখ রয়েছে। আর উল্লেখিত শর্তে লিখিত আছে, অদাহ্য বস্তু দ্বারা নির্মিত মজুদগারে লাইসেন্সের সাথে সংযুক্ত অনুমোদিত নকশায় এলপি গ্যাসপূর্ণ নিখুত সিলিন্ডার মজুদ করতে হবে। কিন্তু, বাজারের অধিকংশ দোকানদার বিনা লাইসেন্সে ব্যবসা করছে জমজমাটভাবে। নীতিমালায় আরো উল্ল্যেখ রয়েছে, ব্যবসা পরিপূর্ণভাবে করতে হলে জেলা বিস্ফোরক অ্যাক্ট ও তদধীন প্রনীত শর্তসাপেক্ষে এতদসংযুক্ত নকশায় প্রদর্শিত ও বর্ণিত প্রাঙ্গনে এলপি গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার অধিকারে রাখবার লাইসেন্স করতে হবে। তবে ওসব ব্যবসায়ীদের নিকট জানতে চাইলে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের কোন লাইসেন্সে নেই। আমরা ডিলারদের নিকট থেকে ক্রয় করে বিক্রয় করি। অন্যদিকে, কালীবাড়ি-চাম্পাফুল বাজারের একমাত্র গ্যাস ডিলার ধান্যহাটি গ্রামের মৃত আব্দুল সাত্তারের পুত্র মোস্তফা খলিলুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা শার্তবলীর মাধ্যমে লাইসেন্স করে ব্যবসা করছি। আমার ধান্যহাটি খতিয়ানে ডিপি ৩২৬ এবং ১৫৬ দাগে (২০৮)-৩ এলপি গ্যাসপূর্ণ ৪০ টি সিলিন্ডার ৫শ’ কেজি মজুদের জন্য সেমিপাকা মজুদাগার দেখিয়ে অনুমোদন নিয়ে ব্যবসা করছি। অথচ যাদের লাইসেন্স নেই তারা শত শত সিলিন্ডারসহ হাজার হাজার কেজি গ্যাস মজুদ রেখে ব্যবসা করছে সরকারের কর ফাঁকি দিয়ে। তাহলে আমাদের ব্যবসায় তো লাভ কমই হবে। প্রতিযোগিতার বাজারে সৎভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দায় হয়ে দাড়িয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই অনুমোদন বিহীন ব্যবসায়ীরা অনুমোদন সাপেক্ষে ব্যবসা করুক। অন্যদিকে এলাকার সচেতন মহলের অভিমত অপরিকল্পিতভাবে সিলিন্ডার সংরক্ষণের কারণে সাধারণ পথচারীসহ স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থীদের কোন প্রকার ঝুকিতে যাতে না পড়তে হয় সে জন্য সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।