পাটকেলঘাটায় নীলিমা ইকোপার্কে দর্শণার্থীদের উপচে পড়া ভিড়


প্রকাশিত : আগস্ট ২৫, ২০১৮ ||

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: ঈদের পরবর্তী আনন্দ উপভোগ করার জন্য পাটকেলঘাটা নীলিমা কপোতাক্ষ ইকোপার্কে উপচে পড়া ভিড় পরিলক্ষিত হচ্ছে। সারাদিন আত্মীয় স্বজনের বাড়ি ঘুরে বিকাল থেকে পার্কে এসে সময় কাটাতে ও নতুন এই পার্কে নয়নাভিরাম দৃশ্য অবলোকন করার জন্য সব বয়সের লোকজনকে ভিড় করতে দেখা গেছে। শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে দেখা গেছে প্রচন্ড ভিড়ে দর্শকদের চাহিদা মত বসবার জায়গা ছিল না। কপোতাক্ষ নদ ভ্রমন করার জন্য সাম্পান বোটে ওঠার জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। ২০ টাকা দিয়ে ২/৩ কি. মি. নদী ভ্রমণ করার জন্য ভিড়ের কারণে অতিষ্ট হয়ে অনেকে চলে গেছে। ভ্রমণ পিপাসুদের দাবি আরো কিছু বোর্ট থাকলে এই কষ্ট পেতে হত না। এই পার্কে খুলনা, যশোর সাতক্ষীরাসহ অনেক জেলা থেকে পার্কে বেড়াতে আসতে দেখা গেছে। পার্কের ধারে নদী ঘেসে সুন্দরবনের কেওড়া, গড়ান, গেওয়া, বাইন, সুন্দরী ওড়াল, কাকড়াসহ আমগাছ, নারকেল গাছ, তালগাছ লাগানোর কারণে পার্কের দৃশ্য আরো মনোরম হয়েছে। পার্কে ঘুরতে আসা দর্শণার্থীদের মধ্যে চম্পা, স্বপ্না, খুশি জানান, পাটকেলঘাটায় আগে এমন ধরণের বিনোদনের জন্য কোন জায়গা ছিল না। নীলিমা কপোতাক্ষ ইকো পার্ক হওয়ায় আমাদের সময় কাটানোর জন্য বিনোদনের জায়গা হিসেবে পার্কটি যথেষ্ট অর্থবহ হয়েছে। ঢাকায় বসবাসরত নাজমুল ইসলাম ও গৌতম দাশ জানান, পার্কে এসে যথেষ্ট ভাল লাগছে। তবে পার্কের সুন্দর একটি গেট দরকার। নদীতে আরো কিছু বোট দরকার। জায়গা আরো সম্প্রসারণ দরকার। আরো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা দরকার। সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, পার্কটির সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য আরো জায়গা সম্প্রসারণ করার চেষ্টা চলছে। নদীর উপর ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করে নদীর ওপার সরকারি জায়গা বেশি থাকায় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতায় সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য আরো সুন্দর সুন্দর গাছ লাগানোও মুরাল স্থাপন করা হবে। এছাড়া বাইপাস সড়ক তৈরি করে পার্কের পাশ দিয়ে ফুলগাছ লাগানো হবে। দর্শণার্থীদের সুবিধার্থে পার্কটি রাতে উপভোগ করার জন্য ১৫/২০ টি সোলার স্ট্রীট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। গত ১সেপ্টেম্বর ২০১৭ তৎকালীন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন উদ্বোধনের পর থেকে পাটকেলঘাটা বিনোদন পিপাসুদের জন্য পার্কটি আশার আলো দেখিয়েছে।