বুধহাটায় গ্রাম আদালতের অভিযোগ থানায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: আশাশুনির বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতে অভিযোগ করে ধার্যদিনে বাদী অনুপস্থিত হয়ে গ্রাম আদালতকে অবমাননা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আশাশুনি থানায় সংখ্যালঘুর সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গ্রাম আদালত ও বিবাদী সেনা সদস্য আব্দুর রহিম জানান বুধহাটা গ্রামের স্বর্গীয় গনেশ দেবনাথের পুত্র বিল্ব মন্ডল দেবনাথ জমি জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বেউলা গ্রামের আহম্মাদ আলী মোড়লের পুত্র সেনা সদস্য আব্দুর রহিমকে বিবাদী করে বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করে। বিচার স্বার্থে উভয় পক্ষকে গ্রাম আদালতে হাজির হতে নোটিশ জারী করেন। যার ধার্যদিন ছিলো মঙ্গলবার। জানাগেছে বিবাদী পক্ষ গ্রাম আদালতের নোটিশ গ্রহণ করলেও বাদী নিজেই তার দায়ের করা অভিযোগের নোটিশ গ্রহণ করতে আপত্তি প্রকাশ করেন। এরই মধ্যে তিনি (বাদী) আশাশুনি থানায় সংখ্যালঘুর সম্পত্তি জবরদখলের মিথ্যা অভিযোগ এনে বিবাদী সেনা সদস্য আব্দুর রহিমের নামে আবারও একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এব্যাপারে বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আ ব ম মোছাদ্দেক জানান, গ্রাম আদালতে বাদী কর্তৃক অভিযোগের নোটিশ বিবাদী গ্রহণ করলেও বাদী নিজেই উক্ত নোটিশ গ্রহন করতে অস্বীকার করেছেন এবং ধার্যদিনে তিনি গ্রাম আদালতে উপস্থিত না হয়ে আদালতকে অবমাননা করেছেন। আমি এখানে কি বিচার করবো। এ ব্যাপরে জানতে বাদী বিল্ব মঙ্গল জানান জমি জমার কাগজপত্র সম্পর্কে আমি ভাল বুঝিনা। তাই কয়েকজন লোকজন নিয়ে বসাবসির মাধ্যমে ধার্যদিন পরিবর্তনের জন্য নোটিশ পত্রে স্বাক্ষর করি নাই। তবে আমি ঐদিন পরিষদে চেয়ারম্যান সাহেবের নিকট থেকে দিন পরিবর্তনের কথা বলতে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানে বিবাদী পক্ষের লোকজনদের দেখে আমি নিজ বাড়িতে চলে আসি। থানার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য আশাশুনি থানায় একটি লিখিত আবেদন করা হয়েছে। যার ধার্যদিনছিলো গত ২৪তারিখ। এ ব্যাপারে সেনা সদস্য আব্দুর রহিম জানান বিল্ব মঙ্গল ও আমার মধ্যে সম্পর্ক ভাল। উভয় পক্ষের কাগজ পত্র ও থানা পুলিশের কর্মকর্তাদের নিয়ে গ্রাম আদালতে বসাবসি করলেই বিষয়টি সমাধান হয়ে যেত। কিন্তু দুইস্থানে অভিযোগের ফলে তুচ্ছ ঘটনা জটিল হয়ে দাড়িয়েছে। উল্লেখ উক্ত জমির জন্য জমির অরেশ বিশ্বজিৎ হত্যায় গত ইং ২৯-১০-২০১১সালে বিল্ব মঙ্গল ও সুমঙ্গলকে আসামী করে একটি হত্যা মামলাও দায়ের হয়েছিলো। যার মামলা নং ৩৪ (থানা), জি আর মামলা নং ২৫৮/১১।