ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপের দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন


প্রকাশিত : August 29, 2018 ||

পত্রদূত ডেস্ক: আইন অনুয়ায়ী তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটের গায়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর সঠিক ব্যবহার ও তামাকের অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট সংগঠন সমূহের আয়োজনে আজ সকালে নগরীর পিকচার প্যালেচ মোড়ে আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন এইড ঝিনাইদহ সংস্থার সহকারী পরিচালক দোহাবক্স শেখ। সিয়ামের নির্বাহী পরিচালক এড. মো. মাছুম বিল্লাহর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রুপসা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক হিরন্ময় মন্ডল, মানবাধিকার কর্মী এড. পপি ব্যানার্জি, হিউম্যান রাইটস মনিটরিং অর্গানাইজেশন খুলনার সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম জি নেওয়াজ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক ব্যক্তি মারা যায়, লক্ষ লক্ষ মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেন। এছাড়া হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সার, ডায়াবেটিকসসহ নানবিধ অসংক্রামক রোগে মানুষের আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ তামাক ব্যবহার। বাংলাদেশে আইন থাকা সত্বেও প্রায় প্রতিটি বিক্রয়স্থলে তামাক কোম্পানী তামাকের অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যাক্তির নিকট সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্য বিক্রয় করছে এবং তাদের দ্বারা বিক্রয় করাচ্ছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অতি নিকটে বিড়ি সিগারেটের দোকান এখন চোখে পরার মত। আনইন ভঙ্গ করে এ ধরনের কাজের জন্য প্রতিনিয়ত মোবাইল কোর্ট হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ধূমপান ও তামাকজাতদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (ব্যবহার)আইন-২০০৫ সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এ জায়গা থেকে ফিরে আসা সম্ভব। এছাড়া তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে লাইসেন্সিং পদ্ধতি চালু সহ নানাবিধ নিয়ন্ত্রন আরোপের প্রয়োজন এবং সময়ের দাবি। তামাক একটি নিরব ঘাতক। আইন অনুসারে পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করা, যে কোন কৌশলে তামাকের বিজ্ঞাপন দেয়া দ-নীয় অপরাধ। এছাড়াও অত্র আইনে বিভিন্ন ধারা বিদ্যমান রয়েছে যা লঙ্ঘনে জেল জরিমানা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণাকে বাস্তবে রুপ দিতে এবং মহামারী তামাকের বিষ থেকে জনসাধারণকে বাঁচাতে ও দেশকে তামাকমুক্ত করতে মানববন্ধন থেকে বক্তারা সকলের সহায়তা প্রত্যাশা করেন।