বাঁশদহা ও আখড়াখোলায় পুলিশের নাম ভাঙিয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ!


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৮ ||

মনিরুল ইসলাম মনি: সদর থানা পুলিশের নাম ভাঙিয়ে বেপরোয়া টোকেন চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে দুই মাদক ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ও কালাম হোসেনের বিরুদ্ধে। এছাড়াও পুলিশের ভয় দেখিয়ে তারা এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাঁশদহা ও আখড়াখোলা এলাকার একাধিক ব্যবসায়ী জানান, শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবত থানা পুলিশের নামে টোকেন ব্যবহার করে অবৈধ টাকা উত্তোলন করছে। আর এ কাজের জন্য সে বেতনভুক্ত কয়েকজন কর্মি নিয়োগ করে রাস্তায় চেকপোস্ট বসিয়ে প্রকাশ্যে জোরপূর্বক এসব টাকা আদায় করছে। তারা আরো জানান, এছাড়াও সে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে বাঁশদহা এলাকায় সাধারণ মানুষকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয়ার নামে টাকা আদায় করলেও ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। প্রতি মাসে বাঁশদহাসহ সীমান্ত এলাকায় টোকেনের মাধ্যমে চোরাকারবারি ও মাদকসেবীদের কাছ থেকে সে কমপক্ষে ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করছে।
অপরদিকে সদরের বল্লী ইউনিয়নের আখড়াখোলা এলাকায় কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে প্রতি মাসে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চোরাকারবরি ও মাদকসেবীসহ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা উত্তোলন করছে। তার বিরুদ্ধেও স্থানীয়রা পুলিশের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষকে হয়রানির ভয় দেখিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছে। থানা পুলিশের নাম ব্যবহার করায় তার বিরুদ্ধেও সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না। এসব ঘটনায় তাদের চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি পেতে জেলা পুলিশ প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এসব বিষয়ে থানা পুলিশ জড়িত নয় দাবি করে জানান, মাদকের সাথে আমাদের কোন আপোষ নেই। তিনি অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।