পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে আমিনুল ইসলাম লাল্টুর সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কলারোয়া উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম লাল্টু। সোমবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই প্রতিবাদ জানান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কলারোয়া উপজেলার ৬০ নং ঝিকরা মৌজার এস,এ ১৬৫ ও ১৭২ দাগের ৩.৫০ একর জমির প্রকৃত মালিক ৬২’র রেকডীয় মালিক মৃত তারাবরক আলী মন্ডলের ৫ ছেলে ও ৪ মেয়ে। ওই ৪ মেয়ের মধ্যে এক মেয়ে সরবানু খাতুনের মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশ মুজিবর রহমান গংরা ওই দাগের জমি প্রাপ্ত হন। যার মিউটেশনসহ হাল নাগাদ খাজনা মুজিবর রহমান গংরা পরিশোধ করে রেখেছেন। কিন্তু মৃত তারাবরক আলীর অন্যান্য ওয়ারেশ মুজিবর রহমানের মামা অহিদুজ্জামান ও সহিদুল ইসলাম গংরা ওই জমি জবর দখলের পায়তার করে। এই বিরোধীয় সম্পত্তি নিয়ে তিনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনেকবার শালিস বিচার করেছেন। শালিসে অহিদুজ্জামান গংরা জমি দেয়ার কথা স্বীকার করলেও পরবর্তীতে কুটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে তাদের ভাগ্নে মুজিবর রহমান গংদের নামে হয়রানিমূলক মিথ্যে মামলা দায়ের করে। পরে এই মামলা মিথ্যে প্রমানিত হয়। গত ৭ সেপ্টেম্বর রাতে এসএ ১৭২ দাগের উপর অহিদুজ্জামান গংদের টিনের ছাবড়ির দোকনটি পুড়ে ভষ্মিভূত হয়ে জায়গা ফাঁকা হলে মুজিবর রহমান গংরা ওই জমি পাওয়ার জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর কলারোয়া থানায় একটি লিখিত আবেদন করে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর আপোষের লক্ষ্যে আমার উপস্থিতিতে এবিষয় নিয়ে থানায় বসাবসি হলে কাগজপত্র দেখে থানা কর্তৃপক্ষ বিরোধীয় জমিতে উভয় পক্ষকে যেতে নিষেধ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, থানা কর্তৃপক্ষের শালিসের আদেশ অমান্য করে অহিদুজ্জামান গংরা বাড়ির মহিলাদের নিয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উল্লেখিত দাগের জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে মুজিবর রহমান গংরা তাদের নিষেধ করে। কিন্তু অহিদুজ্জামান গংরা নিষেধ অমান্য করে ঘর নির্মাণ অব্যহত রাখে এবং মুজিবর রহমান গংদের মারপিট করে। খবর পেয়ে আমিসহ এলাকার বহু লোক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনা প্রত্যক্ষ করি। কিন্তু অহিদুজ্জামান গংরা সাংবাদিকদের ভূল তথ্য দিয়ে দৈনিক পত্রদূত, দক্ষিণের মশাল, যুগেরবার্তা ও কালের চিত্র পত্রিকাসহ বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। যা অত্যন্ত দু:খজনক। এতে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করা হয়েছে। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন কোনভাবেই এই ঘটনার সাথে জড়িত নই। আমিনুল ইসলাম লাল্টু আরো বলেন, আমি থানা ছাত্রলীগ, দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। পর পর দুইবার উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। বর্তমানে কলারোয়া উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। আমি কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করিনি। আমার পরিবারের সদস্যরা কেউ সমাজ বা রাষ্ট্র বিরোধী কোন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিল না বা বর্তমানেও নেই। ১৬ সেপ্টেম্বর যে ঘটনা ঘটেছে সেটা তাদের মাম-ভাগ্নের একান্ত ব্যাপার। আমার রাজনৈতিক প্রতিক্ষরা পিছন দিক থেকে অহিদুজ্জামান গংদের উৎসাহিত করে আমার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি পত্রিকায় প্রকাশিত উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।