কারিগরি শিক্ষাই বেকারত্ব দূর করার অন্যতম মাধ্যম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮ ||

পত্রদূত ডেস্ক: কারিগরি শিক্ষাই বেকারত্ব দূর করার অন্যতম মাধ্যম। নারী শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী উন্নয়নে বাংলাদেশ আজ বিশ্বপরিমন্ডলে অনুসরণীয় মডেল। শিক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার খাত এবং কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সরকার দেশের সকল উপজেলাতে একটি করে স্কুল ও কলেজ সরকারি করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে দেশ অনেক অগ্রগতি হয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ শনিবার দুপুরে খুলনা ডুমুরিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এই কারিগরি কলেজে আধুনিক পদ্ধতিতে পড়াশুনা করানো হবে শিক্ষার্থীদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুচিন্তিত একটি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন এবং বাংলাদেশ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দেশে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। তিনি বলেন, জাতীয় ও বিশ্বে কারিগরি শিক্ষার চাহিদা রয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করতে হলে এ দেশের নতুন প্রজন্মের অধিকাংশকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। মন্ত্রী শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। পহেলা জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই প্রদান, উপবৃত্তি, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, মুক্তিযোদ্ধাভাতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করেছে বর্তমান সরকার। ডুমুরিয়া ভদ্রা নদী খনন আজ দৃশ্যমান।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. শাহনাজ বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি শাহ নেওয়াজ হোসেন জোয়াদ্দার, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদাক আব্দুল লতিফ জোমাদার, ডুমুরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ ধানেশ্বর গোস্বামী, এনসিএসকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব হোসাইন এবং ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গীর আলম।
দেড় একর জমির উপর ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এবং ১৮ মাসের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ভবনটি নির্মাণ করবে। প্রথম পর্যায়ে একশটি উপজেলায় একশটি সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপন করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল উপজেলাতেও টেকনিক্যাল কলেজ নির্মাণ করা হবে। পরে মন্ত্রী দুই কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ডুমুরিয়া শহীদ স্মৃতি মহিলা কলেজের আইসিটি ভবনের উদ্বোধন করেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ বেগম, নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোল্ল্যা আবুল কাশেম, কলেজের অধ্যক্ষ শেখ শহিদুল ইসলাম, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। বিকেলে মন্ত্রী মির্জাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।