শ্যামনগর কাশিমাড়ীতে নৌকা প্রতিকের পক্ষে আতাউল হক দোলনের পথ সভা

শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী শংকরকাটি বাজারে ইউনিয়ন যুবলীলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে সন্ধ্যা ৭টায় নৌকা প্রতিকের পক্ষে এক পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত পথ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ০৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম আতাউল হক দোলন, বক্তব্য রেখেছেন জেলা পরিষদের সদস্য আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুকুল, আওয়ামী লীগ নেতা স ম আব্দুস সাত্তার, সুশান্ত বিশ্বাষ বাবুলাল, কুমুদ রঞ্জন গায়েন পদ্মপুকুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শমসের ঢালী, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি নুরুজ্জামান টুটুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক সাঈদ উজ জামান সাঈদ প্রমুখ। প্রধান অতিথি আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও নৌকা প্রতিকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

আনসার ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিবেশীর সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আদালতের নিষেধাজ্ঞার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতিবেশীর সম্পত্তি দখল করার অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা-৩১ আনসার ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক মোরশেদা খানম ও তার সদস্যদের বিরুদ্ধে। এসময় ভাংচুর করা হয়েছে আনসার ব্যাটেলিয়ন সংলগ্ন আনোয়ার হোসেন চান্দুর বসত বাড়ি, গোয়াল ঘরসহ অন্যান্য স্থাপনা। কেটে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন গাছের চারা। গত ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে পুরাতন সাতক্ষীরার আনোয়ার চান্দুর বাড়ি সংলগ্ন জমিতে এসব ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত আনোয়ার হোসেন চান্দু গনমাধ্যমকে জানান, সাতক্ষীরা মৌজার এসএ ৩৯১ নম্বর খতিয়ানের ৯৭৭ দাগে ১৮ শতক জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৪ শতক জমি আনসার ব্যাটালিয়নের অনুকূলে সরকার এলএ ০৪/৭৬-৭৭ নম্বর কেসের মাধ্যমে অধিগ্রহণ করে। তখন থেকে আনসার ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষ এই ৪ শতক জমি ভোগ দখল করে আসছেন। বাকি ১৪ শতক জমি বিগত ২৭/১২/৬৭ তারিখে ৬৬৮৫ নম্বর রেজিস্ট্রি কোবলামূলে তার বাবা মৃত আলতাফ হোসেন এবং তার বাবার মৃত্যুর পরে তিনি ছেলে হিসাবে ওই জমি ভোগ দখল করে আসছেন।
ভিন্ন ভিন্ন তারিখ ও সালের বিভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৯৬৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫১ বছর তপশীল জমিতে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে ভোগ দখল ও বসবাস করে আসছেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিনের ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ তারিখের রির্পোট থেকে জানা যায়, ১৪ শতক জমির মধ্যে ৬ শতক জমিতে আনোয়ার হোসেনের লাগানো গাছপালা, সেপটি ট্যাংক, পানির লাইন এবং একটি আধাপাকা গোয়াল ঘর রয়েছে। এই জমির মালিকানার দাবিতে আনোয়ার হোসেন চান্দু সাতক্ষীরা অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। মামলা নম্বর ১৩৮২/১২। কিন্ত এই জমির কোন কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও ৩১ আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়করা ১৯৯০ সাল থেকে আনোয়ার হোসেনের জায়গা দখল করার চেষ্টা করেন। তখন থেকেই তাকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা করে আসছেন।
এসব কারণে তিনি সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৩১ আনসার ব্যাটালিয়ন অধিনায়ককে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৪১/১৮। বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে অধিনায়কের বিরুদ্ধে প্রথমে শান্তিপূর্ণ স্থিতি অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন এবং পরে ১৪ আগস্ট ২০১৮ তারিখে বিবাদী আনসার অধিনায়কে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
আদেশে বিবাদীকে উল্লেখিত তপশীল জমিতে জোরপূর্বক প্রবেশে বারিত করেন এবং বাদীর শান্তিপূর্ণ দখলে বাধা প্রদান না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এই আদেশ অমান্য করে আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মোরশেদা খানম তার বাহিনী নিয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ সকালে নালিশী জমিতে জোর পূর্বক প্রবেশ করে আদালত ও আদালতের আদেশ সম্পর্কে কটুক্তি করেন। ভাংচুর করেন টালির গোয়াল ঘর। মাটি দিয়ে ঢেকে দেন সেপটি ট্যাংক। বন্ধ করে দেন পানি নিস্কাশনের ড্রেন, খাবার পানির পাইপ লাইন ও ভাংচুর করেন রিং-স্লাব। কেটে দেন মেহগনি গাছের চারা। লুট করে নেন জমিতে রক্ষিত ১০ হাজার ইট, দেড় ট্রাক বালি এবং অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী। তবে, জনগণের চাপের মুখে তারা জায়গা দখল প্রক্রিয়ায় ব্যর্থ হন। বর্তমানে আনোয়ার হোসেন চান্দু তার পরিবার পরিজন নিয়ে শংকিত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। রয়েছেন চরম নিরাপত্তা হিনতায়। তিনি ন্যায় বিচার পাওযার জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা-৩১ আনসার ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক মোরশেদা খানমের ব্যক্তিগত সেলফোনে যোগাযোগ করা হলে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে অন্যের জমি দখলের বিষযটি অস্বীকার করে বলেন, সেখানে কোন জমি দখল বা ভাংচুরের কোন ঘটনাই ঘটেনি বলে দাবি করেন।

নৌকায় ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করলেন ড. ইউসুফ আব্দুল্লাহ

২৯ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা-৩ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনা’র উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রায় ১০ হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা ও নির্বাচনী গণসংযোগ করেছেন। এ সময় তার সাথে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবি, শিক্ষক, পেশাজীবী, সাংবাদিক, ছাত্র, দিনমজুর, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি দিনভর সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া, সখিপুরসহ সাতক্ষীরা-০৩ নির্বাচনী আসনের বিভিন্ন স্থানে ট্রাক, মিনিবাস পিক-আপ, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মটরসাইকেল নিয়ে গণসংযোগ করেন। এ সময় বিভিন্ন স্থানে পথসভা করেন তিনি।
ড. ইউসুফ আব্দল্লাহ বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তুলে ধরে লিফলেট বিতরন করেন। এ সময় তার বক্তব্যে প্রফেসর ড. ইউসুফ আব্দুল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিগত দশ বছরে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে আমাদের সকলকে সম্পৃক্ত হয়ে আগামী সংসদ নির্বাচনে তাঁকে আবারো বিজয়ী করতে হবে। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এড. স. ম. গোলাম মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নুরুল মোমিন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, দেবহাটা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরশাদ আলীসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অবশেষে পত্রদূতে প্রকাশিত সংবাদই সত্যি হলো পাতানো পরীক্ষায় শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদরাসায় সুপার পদে উৎকোচে নিয়োগ পেলেন উজায়ের

পত্রদূত রিপোর্ট: অবশেষে অত্যন্ত গোপনে ¯’ান পরিবর্তন করে জেলার শ্যামনগর উপজেলার কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদরাসার সুপার পদে পাতানো নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এ পাতানো নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করেছিলেন মাদ্রাসার অবৈধ ভারপ্রাপ্ত সুপার (জেনারেল শিক্ষক) শেখ আনছার আলী, সভাপতি ডা. আব্দুল জলিল ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম রফিকুজ্জামান। আবাদ চন্ডিপুর দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা উজায়েরুল ইসলাম ১৫ লক্ষ টাকা উৎকোচ দিয়ে শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদ্রাসার সুপার পদে নিয়োগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছে শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম রফিকুজ্জামান। ২৯ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা আলীয়া কামিল মাদরাসায় এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপ¯ি’ত হয়ে দুর্নীতি ফাঁস করে দিতে পারেন এমন আশঙ্কায় শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত গোপনে বাঁকাল দারুল হাদিস আহমাদিয়া সালাফিয়া দাখিল মাদরাসায় নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করে কর্ত”পক্ষ। পাতানো এ নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর অভিনয় করেন ৬জন। পাতানো নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ করতে ঢাকা থেকে যশোরে বিমানে উড়ে এসেছিলেন মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোহাম্মদ হোসেন। যশোর থেকে প্রাইভেট কারে সাতক্ষীরা এসে চার লক্ষ টাকা উৎকোচ নিয়ে মাওলানা উজায়েরুল ইসলামকে নিয়োগ দিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে গেছেন মোহাম্মদ হোসেন। শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে নিজে উৎকোচ গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করে শ্যামনগর ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম রফিকুজ্জামান। এদিকে নিয়োগের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে রীট আবেদন প্রক্রিয়াধীন এবং জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। এলাকাবাসি ও মাদরাসার একাধিক সূত্র জানায়, পিছন থেকে কাঠি নেড়েছেন সাবেক সুপার মাওলানা ইসমাইল হোসেন। তিনি যোগাযোগ করে উজায়ের হোসেনকে নিয়োগ পাইয়ে দেয়ার ঘটকালি করেছেন। এতে তিনি পেয়েছে তিন লক্ষ টাকা। এমনই খবর দিয়েছে এলাকাবাসি। আর সভাপতি ডা. আব্দুল জলিল তিন লক্ষ এবং ভারপ্রাপ্ত সুপার শেখ আনছার আলী তিন লক্ষ টাকা নিয়ে মাওলানা উজায়েরুল ইসলামকে নিয়োগের নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন। পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নিয়েছেন শিক্ষা অফিসার। তবে এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন কিছুই জানেননা বলে জানান। তিনি বলেন, ফাজিল মাদরাসায় প্রিন্সিপ্যাল নিয়োগ হবার কথা, সেখানে সুপার নিয়োগের বিষয়টি সন্দেহজনক। তাছাড়া খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদরাসার নিয়োগ প্রক্রিয়া ¯’গিত রাখতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বলা হয়েছিল। খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক উক্ত পাতানো নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ রাখতে নির্দেশও দিয়েছিলেন। এব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করে শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদরাসার সহকারী সুপার মোস্তফা শাহজাহান সিরাজ লিখিত আবেদন করেছিলেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ইফতেখার হোসেন বলেন, নিয়োগ হবার কথা স্ব স্ব উপজেলায়। সেখানে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে শিক্ষা অফিসার ও ডিজির প্রতিনিধির উপ¯ি’তিতে ফেয়ারভাবে নিয়োগ পরীক্ষা হবার কথা। কিš’ উপজেলায় না হয়ে সাতক্ষীরা শহরে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের বিষয় তিনি বিস্তারিত জানার জন্য নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদরাসায় সুপার নিয়োগের বিষয় কিছুই জানেননা বলে জানান। প্রসঙ্গত, শনিবার শ্যামনগর কেন্দ্রীয় মাদরাসায় সুপার পদে পাতানো পরীক্ষা ও উৎকোচ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে একটি সংবাদ প্রকাশিত হলেও তাতে টনক নড়েনি প্রশাসনের।

নৌকার পক্ষে নজরুলের গণযোগে মানুষের ঢল

ফিংড়ী প্রতিনিধি: স্লোগানে স্লোগানে শহর থেকে গ্রাম মুখরিত করে জনতার রোড শো ও নৌকার স্বপক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েক হাজার মোটর সাইকেলে রোড শো অনুষ্ঠিত হয়। জেলা সদরের ধুলিহর, ব্রহ্মরাজপুর ও ফিংড়ী ইউনিয়নের সকল রাস্তায় ছিলো রোড শো উপলক্ষে জনতার মিছিল। শেখ হাসিনার সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন এই সেøাগানে শনিবার সকাল সাড়ে নয়টা সাতক্ষীরা পিটিআই মাঠ থেকে সাত শতাধিক মোটসাইকেল নিয়ে সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর, ধুলিহর, ফিংড়ী ইউনিয়নে এ নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রশিদ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সদর উপজেলা কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রাদেদুজ্জামান রাশি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদুজ্জামান টিটু, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আসিক শাহাবাজ, জেলা যুবলীগের সদস্য সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান বাঁশাদহার ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, বল্লীর ইউপি চেয়ারম্যান বজলু রহমান, ফিংড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফিংড়ীর ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মহাদেব চন্দ্র ঘোষ, সহ-সভাপতি শেখ মোনায়েম হোসেন, জাহিদুল আনোয়ার, সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম সানা, ফিংড়ীর যুবলীগের আহবায়ক মেজবাউদ্দীন টপি, যুগ্ম আহবায়ক আজমীর হোসেন বাবু, শেখ ফারুক হোসেন ফিংড়ীর কৃষকলীগের সভাপতি ডা. গোবিন্দ দাশ প্রমুখ। এসময় নেতৃবৃন্দ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও বিজয়ী করতে নৌকার পক্ষে ভোট চান এসময় গ্রামের সাধারণ মানুষ স্বত:স্ফর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। গণসংযোগ সভা জন¯্রােতে পরিণত হয়। এছাড়া যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদসহ তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

হাইব্রীড ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রতিরোধের কঠোর আন্দোলন করা হবে: ৮০-৯০ দশকের ছাত্রনেতারা

আসাদুজ্জামান সরদার: ৮০-৯০ দশকের সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, দলের ক্রান্তিকালে আমরাই মাঠে ছিলাম। রাজনীতি করতে যেয়ে বহুবার জেল খাটতে হয়েছে। কিন্তু এখন দালাল, হাইব্রীড ও অনুপ্রবেশকারী নেতাদের কারণে আমার কোনঠাসা হয়ে পড়েছি। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করতে হবে। তাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করে একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দিতে হবে। একই সাথে তারা বলেন সরকারের উন্নয়ন সাফল্য তুলে ধরে আবারও আওয়ামী লীগকে জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আনতে হবে।
শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরার তুফান কনভেনশন সেন্টারে ‘দালাল, হাইব্রীড দুনীতি হঠাও সাতক্ষীরা আওয়ামী লীগ বাঁচাও’ শ্লোগনে অনুষ্ঠিত ৮০ ও ৯০ দশকে রাজনৈতিক মাঠ কাঁপানো সাতক্ষীরার সাবেক ছাত্র নেতারা এসেছিলেন এক মঞ্চে এসব কথা বলেন বক্তারা।
সাবেক পোড় খাওয়া নেতারা আরও বলেন, দলের মধ্যে কোনো অনুপ্রবেশকারীর ঠাঁই হবে না। সুবিধাভোগী ও দুর্নীতিবাজদের সরিয়ে দিতে হবে। এভাবেই দলকে গঠনতান্ত্রিক পথে পরিচালনা করতে হবে। তারা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আমরা জেল খেটেছি। সরকারি বাহিনীর হাতে মার খেয়েছি। কেউ পঙ্গু হয়েছি। তবু বঙ্গবন্ধু ও দলের আদর্শ থেকে এতোটুকু বিচ্যুত হইনি। অথচ ৯৬ এর পর সাতক্ষীরায় কয়েকজন কথিত নেতার অনুপ্রবেশ ঘটেছে আওয়ামী লীগে। এদের বহিস্কার না করা হলে কঠোর আন্দোলন করা হবে।
তারা এখন বহু বিত্ত বৈভবের মালিক। তাদের কেউ মন্ত্রী হয়েছেন, এমপি হয়েছেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও হয়েছেন। এসব নেতা জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন দাবি করে তারা বলেন আগামি সংসদ নির্বাচনে সাবেক এসব ছাত্র নেতাদের সুপারিশ না থাকলে তাকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া যাবেনা।
দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে ছাত্রনেতারা বলেন তারা এখন নানা পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি। তারা পেশাগত জীবনে সফলতা লাভ করেছেন। এই নেতারাই আবারও মাঠ কাঁপাতে চান বলে উল্লেখ করেন তারা। দলে কোনো দুর্নীতিবাজ, কোনো হাইব্রীড নেতা এবং দালালের ঠাঁই হবে না উল্লেখ করে তারা বলেন দলের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব বিভেদ সৃষ্টিকারীকেও স্থান দেওয়া হবে না।
জেলা ছাত্রলীগের এক সময়ের সভাপতি শেখ সাহিদউদ্দিনের সভাপতিত্বে কনভেনশনে বক্তব্য রাখেন, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, পিপি এড. ওসমান গনি, শ্যামনগর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আতাউল হক দোলন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, কলারোয়ার সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম লাল্টু, সাবেক চেয়ারম্যান অসীম কুমার মৃধা, সাবেক চেয়ারম্যান অনিত মুখার্জী, মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান ও কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সেক্রেটারি সাঈদ মেহেদি, এড. মোজাহার হোসেন কান্টু, জেলা যুবলীগ সভাপতি আবদুল মান্নান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মোরশেদ, কলারোয়ার ভিপি মোরশেদ, জিএম ফাত্তাহ, মাহমুদ আলি সুমন, ডা. মনোয়ার হোসেন, ডা. মেহেদি নেওয়াজ, মীর মোশতাক হোসেন, আক্তার হোসেন, এড, জিয়াউর রহমান প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সমকালিন কলেজ সংসদ, জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। পরে সমাবেশে সাবেক ছাত্রনেতাদের সমন্বয় কমিটির আহবায়ক শেখ সাহিদউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠিত হয়।

কুল্যা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির কুল্যা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। উজ্জল কুমার ঘোষকে সভাপতি, আবু রায়হানকে সাধারণ সম্পাদক ও উত্তম কুমার বিশ্বাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসমাউল হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক সৌরভ রায়হান সাদ স্বাক্ষরিত পত্রে জানাগেছে, উল্লেখিত ব্যক্তি ছাড়া নাইম আহমেদ তুহিন ও ফয়সাল হোসেনকে সহ-সভাপতি, ইসমাইল হোসেনকে যুগ্ম-সম্পাদক করে এক বছর মেয়াদে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

আশাশুনিতে বিশ^ জলাতঙ্ক দিবস পালিত

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে বিশ^ জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর’র আওতাধীন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে একটি র‌্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. অরুন কুমার ব্যানার্জী। মেডিকেল অফিসার ডা. সুমন ঘোষের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, মেডিকেল অফিসার ডা. সাইফুল আলম, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. ফাহাদ বিন সাদ, সিনিয়র স্টাফ নার্স হাসিনা খাতুন, স্বপ্না রাণী প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জিএম গোলাম মোস্তফা ও মোক্তারুজ্জামান স্বপন।

আশাশুনির বড়দলে কারিগরি প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে সভা

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির বড়দলে কারিগরি প্রশিক্ষণের বাছাইয়ের লক্ষে কমিউনিটি মোবালাইজেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে উপজেলার বড়দল ক্যাথলিক মিশনে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাইক্রোফেনান্স প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আব্দুল কাইয়ুম আজাদ, সেফ প্রকল্পের সমন্বয়কারী বদিউজ্জামান, এরিয়া ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল-মামুন, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আলমগীর কবির, মিশনের সভাপতি পিউষ হালদার, মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান, আব্দুল মান্নান, রফিকুল ইসলাম, সুকুমার সরকার প্রমূখ।

আশাশুনিতে প্রধানমন্ত্রীর ৭২তম জন্ম দিবস পালিত

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্দ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২ তম জন্ম দিন পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে জন্মদিনের কেক কেটে জন্ম দিবসের শুভ সূচনা করেন আ’লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম। পরে একটি র‌্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্তরে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অভূতপূর্ব উন্নন এবং বর্ণাঢ্য জীবনি তুলে ধরে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবলীগ সভাপতি সদর ইউপি চেয়ারম্যান স,ম সেলিম রেজা মিলন। ছাত্রলীগ সভাপতি আসমাউল হোসাইনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম। এ সময় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বুদ্ধদেব সরকার, কৃষকলীগ সভাপতি সম সেলিম রেজা, সম্পাদক মতিলাল সরকার, মেম্বার আলমগীর হোসেন আঙ্গুর, উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদক সৌরভ রায়হান সাদ, যুবলীগ নেতা এমএম সাহেব আলি, আনিছুর রহমান বাবলা, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ সম্পাদক তানভীর রহমান রাজ, ছাত্রনেতা আলামিন, তারিক, তাজ, মিলন, জহুরুল, শাওন প্রমুখ।
অপরদিকে, সন্ধ্যায় আশাশুনি থানার আয়োজনে ওসি’র অফিস কক্ষে থানা অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথের নেতৃত্বে কেক কেটে প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওসি (তদন্ত) আজিজুর রহমান, এসআই হাসানুজ্জমান, প্রদীপ কুমার সানা, নয়ন চৌধুরী, ইমাইল হোসেন, সঞ্জীব সমাদ্দার, মঞ্জুরুল হাসান,এএসআই ফারহানা, আনিছুর রহমান, মাহাবুব হোসেন, শাহজামাল, ফেরদৌস হোসেন, সরজিত কুমার, মোকাদ্দেছ হোসেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এসএম হুমায়ন কবীর সুমন, আ’লীগ নেতা শম্ভুজিৎ মন্ডল প্রমুখ।

আশাশুনিতে এমপি রুহুল হকের পক্ষে মটরসাইকেল শোভাযাত্রা

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের একাধিক সম্মানে ভূষিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়ে ডা. আ. ফ. ম রুহুল হক এমপির পক্ষে আশাশুনিতে মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ. ফ. ম রুহুল হক-এমপির পক্ষে সাংসদ প্রতিনিধি শম্ভুজিত মন্ডল ও খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন ও সাংসদের এ্যাম্বাসেডর তৌষিকে কাইফুর নেতৃত্বে প্রায় ২শতাধিক মোটর সাইকেল আনুলিয়া বাজার থেকে শুরু হয়ে খাজরা, বড়দল, কাদাকাটি, কুল্যা, বুধহাটা ও আশাশুনি বাজার প্রদক্ষিণ করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা মাহবুবুল হক ডাবলু, আব্দুল্লাহেল বাকী বাচ্চু, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি এস,এম সাহেব আলী, যুব মহিলালীগের সভাপতি সীমা সিদ্দিকী, তরুনলীগ সভাপতি আক্তারুজ্জামান প্রিন্স সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। এসময় শোভাযাত্রাকারীরা শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করাসহ আসন্ন নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে ভোট প্রার্থনা করেন।

কে এই ওয়াহিদ পারভেজ?

সাতক্ষীরা শহরের ঐতিহ্যবাহী সুলতানপুরের জি.এম নূর ইসলাম ও মোছাঃ রনজিদা বেগমের কোলজুড়ে ১৯৮০ সালের ১০ ই সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহন করেন ওয়াহিদ পারভেজ। ওয়াহিদ পারভেজ সেই শিশুকাল থেকেই দুরন্তপনা ও অন্যায়ের প্রতিবাদী ছিলেন। ১০ বছর বয়সে সুলতানপুরের বড় ভাইদের সাথে হাফপ্যান্ট পরাকালীন সময় স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। এরপর ১৯৯৩ সালে রাজাকার গোলাম আজমের সাতক্ষীরা আগমনে বাঁধা প্রদানে ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ই ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার পাতানো নির্বাচনকে রুখে দিতে সাতক্ষীরা পি.এন হাইস্কুল ভোট কেন্দ্রে অবৈধ ব্যালট বাক্স বাঞ্চাল করেন। এলাকায় প্রাথমিকের গন্ডি পেরিয়ে ঢাকায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গন ক্রিকেটে নাম লেখান। তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বি কে এস পি) নিয়মিত ছাত্র ছিলেন। এরপর তিনি ভারতের ভিরুদনগর কলেজ অব ফিজিক্যাল এডুকেশন, মাদ্রাস থেকে ক্রিকেটে উচ্চতর ডিগ্রী লাভ করেন।সেখান থেকে দেশে ফিরে জাতীয় প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ, ঢাকা ইয়ং ক্রিকেটার্স ক্লাব এর ক্রিকেটার ছিলেন। এবং জাতীয় যুব ক্রিকেট দলে প্রাথমিক বাছাই পর্বে সুযোগ পেয়ে অনুশীলন শুরু করেন কিন্তু রাজনৈতিক কারনে প্রতিভা থাকা সত্তেও চুরান্ত সুযোগ পাননি। ২০০২ সালে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ ক্রীড়া লেখক হিসেবে তার লেখা “ক্রিকেট ও সংস্কৃতি” বইটি সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং তিনি জাতীয় মর্যাদা পান। দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অধীনে মিরপুর-১ এর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং মিরপুর-২ এর ন্যাশনাল বাংলা স্কুলেও তিনি ক্রিকেট কোচ হিসেবে সফলতার সহিত দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি শেওড়াপাড়া অলষ্টার ক্রিকেট ক্লাব ও কোচিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৬-০৭ এর মাঝামাঝিতে লগি-বৈঠা আন্দোলনে বর্তমান ঢাকা-১৫ আসনের এমপি কামাল মজুমদার এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মঈনুল হোসেন নিখিলের সহযোদ্ধা হয়ে ঢাকার রাজপথে আন্দোলন করেন। এই সময় তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জরুরী আইনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দীর্ঘ ১৪ মাস ১৭ দিন কারাভোগ করেন। এরপর জেল থেকে মুক্তি পেয়ে আবার সাতক্ষীরার মাটিতে বীরের বেশে পদার্পণ করে।
স্থানীয় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা মাদকবিরোধী যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি, এবং সাতক্ষীরা শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র, সাধারন সম্পাদক দায়িত্ব পালন করছেন এছাড়াও সাতক্ষীরার কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ২০১২ সালে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী হয়ে তৎকালীন (বদিউজ্জামান সোহাগ-সিদ্দিকী নাজমুল আলম) কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য মনোনীত হন। সরকারের পক্ষে এমন কোন আন্দোলন নেই যেখানে ওয়াহিদ পারভেজকে দেখা যায় না।সাতক্ষীরার জামায়াত-শিবিরের ত্রাশ ওয়াহিদ পারভেজের রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে কখনো মনোমালিন্য তো দূরের কথা সু-সম্পর্কে পরিনত হওয়ার কারনেই তিনি সাতক্ষীরার সকল উপজেলা বাসিন্দাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে পরিছন্ন নেতা হিসেবে। তিনি সাতক্ষীরার উন্নযনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিয়ে-সাদী, জন্মদিন, কুলখানীসহ সকল কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িয়ে হয়ে উঠেছে সাতক্ষীরা বাসীর বিশ্বস্ত সঙ্গী। সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার মধ্যে তিনি বসে, সরকারের সকল উন্নযন কর্মকান্ডে জড়িত রয়েছে তিনি। এদিকে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ নেতারা জানান, সরকারের শেষ সময়ে এ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে তারা। এজন্য সাতক্ষীরাবাসী ওয়াহিদ পারভেজের মত সৎ ও পরিচ্ছন্ন যুবনেতাকেই তারা আগামীর সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের নেতৃত্বে দেখতে চায়।

কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনালে চুপড়িয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ৮দলীয় ফুটবল টুনামেন্টের ২য় সেমিফাইনালে কলারোয়া ফুটবল একাডেমিকে ২-০ গোলে পরাজিত করে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে চুপড়িয়ার আপন স্পোটিং ক্লাব। শনিবার বিকেলে কেঁড়াগাছি হাইস্কুল ফুটবল মাঠে স্থানীয় সোনামাটি যুবসংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত খেলার প্রথমার্ধে চুপড়িয়ার ৬নং জার্সিধারী খেলোয়ার বাপ্পি ১টি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহুর্তে চুপড়িয়ার ১১নং জার্সিধারী খেলোয়ার জাহিদ ১টি গোল করে। রেফারির দায়িত্ব পালন করেন রাশেদুজ্জামান রাশেদ। সহকারি রেফারি ছিলেন মাসুদ পারভেজ মিলন ও মোশারফ হোসেন।

কলারোয়ার সমাজসেবক আব্দুর রহমান শেখ আর নেই

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ার বিশিষ্ট সমাজসেবক মুরারীকাটি গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুর রহমান শেখ (৮০) আর নেই। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাতক্ষীরা চায়না বাংলা (সিবি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না…রাজেউন)। তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। প্রয়াত আব্দুর রহমান শেখ রিক্রুটিং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরা ইন্টারন্যাশনালের সত্বাধিকারী শেখ নজরুল ইসলামের পিতা। শনিবার বেলা ১১টার দিকে মুরারীকাটি সরদারের চাতাল চত্তরে হাজারো মুসল্লিদের অংশগ্রহণে নামাজে জানাজা শেষে মরহুমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

কলারোয়ায় বিদ্যুতের ভেলকিবাজি!

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিদ্যুতের নতুন সংযোগের মধ্যেই চরম লোডশেডিংএ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে কলারোয়ার জনজীবন। বিদ্যুত বিভ্রাটের মাঝে গরমে বেগ পেতে হয়েছে সব বয়সীদের।
ভুক্তভোগিরা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে বিদ্যুতের যাওয়া-আসার খেলায় চরম বিরক্ত প্রকাশ করে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। স্বাভাবিক জনজীবন বিঘœ ঘটে। বিদ্যুত সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ বন্ধ থাকে। ‘বিদ্যুতের এই আছে-এই নেই’ অবস্থায় চরম ভোগান্তি আর গরমে হাসফাস করে অনেকে। একটু প্রশান্তির প্রত্যাশায় অনেকে ফাঁকা স্থানে ও গাছ তলায় আশ্রয় নেন। এরই মাঝে কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নের বয়ারডাঙ্গায় নতুন বিদ্যুত সংযোগ উদ্বোধন করেছে পল্লী বিদ্যুত সমিতি। কিন্তু উপজেলা ব্যাপী বিদ্যুতের লোডশেডিং আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।
শনিবার সকাল ৮টার দিকে বিদ্যুত উধাও হয়ে ফিরে আসে বেলা ১১টার দিকে। আবার দুপুরের পরপরই অজনার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়ে পুনরায় দেখা দেন বিকাল ৫টার দিকে। সব মিলিয়ে বিদ্যুতের যাওয়া আসার খেলায় বিরক্ত ভূক্তভোগিরা।