আগুণে পুড়ে গেছে সাংবাদিক সমীর ঘোষের বসত ঘর

পত্রদূত ডেস্ক: আগুণে পুড়ে গেছে সাংবাদিক সমীর ঘোষের বসত ঘর। মঙ্গলবার বিকেলে তার বসত ঘরে আগুন লাগে। এলাকাবাসি আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে তা নেভানো চেষ্টা করে। ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বসত ঘরের চাল, আসবাবপত্র ও জামাকাপড়। সাংবাদিক সমীর ঘোষ জানান, সদর উপজেলার দক্ষিণ ফিংড়ী গ্রামে তার বাড়ি। তার বসত ঘরের পাশে পাটকাঠি রাখা ছিল শুকানোর জন্য। মঙ্গলবার বিকেলে শিশুরা খেলতে গিয়ে সেই পাটকাঠিতে দেয় আগুন। এরপর সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বসতঘরে। ঘর পুড়ে যাওয়ায় গরীব অসহায় সমীর ঘোর হতভম্ব হয়ে গেছে।

কালিগঞ্জে হত্যা মামলায় তরুণলীগের সম্পাদক গ্রেপ্তার

 

বিশেষ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জে আলোচিত জাহাঙ্গীর হত্যকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী তরুণলীগ বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক ইছহাক ইসলাম ওরফে বাবুকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আবু মুছার ছেলে। থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব হোসেন জানান, উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বন্দকাটি গ্রামের জলিল গাজীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলমকে (২৬) হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ১১-০৩-২০১৮ তারিখে এলাকাবাসীর তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় সীমান্ত নদী কালিন্দী থেকে জাহাঙ্গীরের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে। এঘটনায় জাহাঙ্গীরের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার এজাহারনামীয় আসামি ইছহাক ইসলাম বাবুকে সোমবার রাতে বিষ্ণুপুর বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত জাতীয় করণের দাবিতে লিয়াজোঁ কমিটির স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা দ্বাদশ শ্রেনি পর্যন্ত জাতীয় করণের দাবিতে মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা (দ্বাদশ শ্রেনি পর্যন্ত) জাতীয়করণ লিয়াজোঁ কমিটি জেলা প্রশাসকের এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা (দ্বাদশ শ্রেনি পর্যন্ত) জাতীয়করণ লিয়াজোঁ কমিটি জেলা প্রশাসকের হাতে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে লিয়াজোঁ কমিটি বলেন, দেশের এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে তিন লক্ষের মত শিক্ষক-কর্মচারী মাধ্যমিক স্কুল স্তরের প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৯৭ লক্ষ শিক্ষার্থীর পাঠদানে নিয়োজিত। আমরা সাধ্যমত সরকারের লক্ষ্য পুরনে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমরা অর্থনৈতিক ভাবে চরম বৈষম্য ও অবহেলার শিকার। একইভাবে বৈষম্যেরশিকার শিক্ষার্থীরাও। স্বাধীন সার্বভৌম দেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধিকাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবনেই সরকার থেকে বৈষম্যের শিকার হওয়ায় তাদের মনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সরকারী স্কুলের একজন শিক্ষক, কর্মচারী দেশের অপরাপর সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুরূপ আর্থিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন। পক্ষান্তরে আমাদের দেয় হয়, প্রারম্ভিক বেতন স্কেলের ১০০%, ১০০০টাকা বাড়ি ভাড়া, ৫০০ টকা চিকিৎসা ভাতা এবং শিক্ষকদের প্রারম্ভিক বেতন স্কেলের ২৫% কর্মচারীদের ৫০% উৎসব ভাতা। বৈশাখি ভাতা আমাদের দেয়া হয় না। সরকারি সে সকল চাকরিজীবীদের কম বেশি বার্ষিক প্রবৃদ্ধি থাকলেও এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের কোন বার্ষিক প্রবৃদ্ধি নেই। একবার শিক্ষকতায় প্রবেশ করলে অবসর গ্রহন পর্যন্ত ওই একই পদে ও একই প্রারম্ভিক বেতন স্কেলে কর্মরত থাকতে হয়। পদোন্নতির কোন সুযোগ নেই। উল্লেখ্য, গত ১২ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জনবল বঞ্চিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য ৩ বছরের সহকারী প্রধান শিক্ষকের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে এবং তা কার্যকরও করা হয়েছে; যা সহকারী শিক্ষকদের অধিকার খর্ব করেছে। বে সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ বেতন স্কেলে এমপিও পেলে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেলে এমপিও দেয়া হয় না, যা পূর্বে ছিল। এহেন অবস্থায় কর্মরতদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা ও স্থবিরতা বিরাজ করছে। সংগত কারনেই মেধাবীরা আর এ পেশার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে না। প্রকাশ থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী ২০১৭ সালের ৯ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলেনে মেধাবীদের শিক্ষকতায় আকৃষ্ট করার উপায় খুজতে বলেছিলেন। কিন্তু সে নির্দেশনা ও পরামর্শ অনুযায়ী আপনার মন্ত্রনালয়ে বাস্তব সম্মত কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়নি। বরং বিক্ষপ্ত খন্ডিত পত্রিকায়া মাধ্যমে স্তর ধারাবাহিকাতয় এড়িয়ে কিুছু সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতয়ীয়করন শিক্ষক-শিক্ষার্থী অভিভাবকদের মনে নেতিবাকজক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্মারকলিপিতে লিয়াজোঁ কমিটি আরও বলেন, বর্তমান অবস্থায় স্কুলেরায় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা নিয়ে এবং শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করন সম্ভব। প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় বর্তমানে আমাদের দেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। দারিদ্রতা হ্রাস হয়েছে এবং খদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জিত হয়েছে। অথচ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ জিডিপির মাধ্যমে ২ শতাংশের কিছু বেশি, যা সার্কভুক্ত প্রতিবেশী যে কোন দেশের থেকে কম। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, দেশ প্রেমিক দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির স্বার্থে শিক্ষা খাতে বরাদ্ধ বৃদ্ধি করে প্রাথমিক শিক্ষার মত মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা জাতীয়করণ করা প্রয়োজন। বর্তমান সরকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন তথা ক্ষুদ্র দারিদ্র মুক্ত আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চায়। সে লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাছ করে যাচ্ছে। স্মারকলিপিতে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের দ্রুত বাস্তবায়ন এবং বাস্তবায়িত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য টেকসই করার জন্য মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা জাতীয়করণের জোর দাবি জানায় লিয়াজোঁ কমিটি। স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন স্কুল শিক্ষা (দ্বাদশ শ্রেনি পর্যন্ত) জাতীয়করণ লিয়াজোঁ কমিটি সাতক্ষীরা এর অহ্বায়ক আমান উল্লাহ, জেলা শিক্ষক সমিতির সম্পাদক শফিকুর ইসলাম, সদস্য সচীব বিএম শামছুল হক, যুগ্ম-আহাবায়ক রেজাউল করিম, আনন্দ মোহন হালদার, আব্দুল গনি, সুকন্দ কুমার ঘোষ। সদস্য শেখ মাগফুর রহমামান, শফিকুল ইসলাম, এমাদুল হক, আশরাফুর রহমান, জাহিদ হাসান, মনোরঞ্জন মন্ডল, আব্দুর রাজ্জাক, আবজাল হোসেন, হরিসাধন ঘোষ, সুখেন্দ্রনাথ, মতিয়ার রহমান, আব্দুল হক প্রমুখ।

শহরে গভীর রাতে আবারও সশস্ত্র বাহিনীর আনাগোনা: নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ মানুষ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: একেরপর এক দা হাতে মুখ ঢাকা সন্ত্রাসী বাহিনীর মহড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন শহরবাসী। গত ২৮ সেপ্টেম্বর পত্রিকা অফিসের কাজ শেষে বাড়ি ফিরে নিজ বাড়ির সামনেই ওই দা বাহিনীর সামনে পড়েন দৈনিক কালেরচিত্রের মফ:স্বল সম্পাদক মেহেদীআলী সুজয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি সেলাইরেন্স উদ্ধার করে। এঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ঘটনাস্থলের সম্মুখের বাসিন্দা সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মাসুম।
ঘটনার ৩দিন অতিবাহিত হতে না হতেই গত ১ অক্টোবর গভীর রাতে আবারো ওই দা বাহিনীর হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন এক নৈশ প্রহরী। তিনি পলাশপোল এলাকার বিলাল হোসেন।
ভুক্তভোগী বিলাল হোসেন জানান, তিনি প্রতিদিনের ন্যায় পলাশপোল হাইস্কুল থেকে নবজীবনের সামনের রাস্তায় পাহারা দিচ্ছিলেন। একপর্যায়ে নবজীবনের পিছন দিকে গেলে তিনি দুই ব্যক্তিকে নারিকেল গাছের নিচে লুকিয়ে থাকতে দেখেন। তিনি ‘কে ওখানে’ বলতেই দুই ব্যক্তি তার গলায় দা ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে বলে, ‘আজ থেকে নাইটগার্ডের চাকরি ছেড়ে দিয়ে ভ্যান চালাবি, কাল থেকে তোকে যেন আর নাইটগার্ডের চাকরিতে না দেখি। তাহলে কিন্তু দুই ভাগ করে দেবো।’ সে সময় তারা বিলালের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। পরবর্তীতে কাকুতি মিনতির পরে তারা ফোনটি ফেরত দিয়ে চলে যায়। তিনি সে সময় আরো ৪/৫ ব্যক্তিকেও দা হাতে দেখেন। তবে তাদের প্রত্যেকের গামছা দিয়ে মুখ বাঁধা ছিলো, পায়ে কেডস, গায়ে কালো শার্ট, কালো প্যান্ট পরা ছিলো। এঘটনায় নৈশ প্রহরী বিলাল সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। এঘটনায় সাতক্ষীরা শহরে চরম আতংক বিরাজ করছে।
এদিকে পরপর দুইবার এধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার এখনো পর্যন্ত কোন ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এঘটনায় জনমতে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসি অবিলম্বে ওই সন্ত্রাসী দা বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (আইসিটি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমরা খুবই গুরুত্বের সাথে দেখছি। আশা করি দ্রুত ওই বাহিনীকে আইনের আওতায় আনতে পারবো।

নৌকায় ভোট চেয়ে নজরুল ইসলামের নির্বাচনী গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে নজরুল ইসলামের নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহীদ নাজমুল স্মরণী সড়কে এ নির্বাচনী গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল হোসেন মাসুম, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, সদস্য কামরুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সদস্য সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, কুখরালী আমতলা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নূর মনোয়ার সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এসময় নেতৃবৃন্দ শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের লিফলেট সম্বলিত হ্যান্ডবিল বিতরণ করেন এবং শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগণের মাঝে তুলে ধরেন। এসময় নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যহত রাখতে নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনার আহবান জানান।

কালিগঞ্জে বিষপানের ৭দিন পর বৃদ্ধার মৃত্যু

পত্রদূত রিপোর্ট: কালিগঞ্জে বিষপানের ৭ দিন পর মমতা মন্ডল (৮১) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত ননীগোপাল মন্ডলের স্ত্রী ও বিশিষ্ট বস্ত্র ব্যবসায়ী নির্মল মন্ডলের মাতা। থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক কলহের কারণে মনের কষ্টে গত ২৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভোর ৫ টার দিকে বিষপান করেন। বিষয়টি জানার পর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে গত সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তিনি নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে। এব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে (নং-৩৪, তারিখ: ০২-১০-১৮ খ্রি.)। মঙ্গলবার দুপুরে বাঁশতলা মহাশ্মশানে মমতা মন্ডলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।

কালিগঞ্জ সার্কেলে যোগদান করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম

 

বিশেষ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ সার্কেলে অতিরিক্ত পুলিশ হিসেবে সুপার যোগদান করেছেন জামিরুল ইসলাম। তিনি গতকাল মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) কালিগঞ্জ সার্কেলের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র পুলিশ সুপার ইয়াছিন আলীর নিকট থেকে দায়িত্বভার বুঝে নেন। নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম এর আগে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (নর্থ) হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। নিজ কার্যালয়ে জামিরুল ইসলাম গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, তার গ্রামের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়ায়। ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ইংরেজি সাহিত্যে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ২৮তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি পুলিশ বিভাগে যোগদান করেন। কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে তিনি গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

পৌর কৃষকলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলের প্রস্তুতি সভা

শেখ নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, খাদ্য মজুত ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ন, তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নত হয়েছে” পৌর কৃষকলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় জেলা কৃষকলীগে সভাপতি বিশ^জিত সাধু প্রধান অতিথির বক্তব্যে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন। মঙ্গলবার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে পৌর কৃষকলীগের আহবায়ক শামছুজ্জামান জুয়েলের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক শাহ মো. আনারুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মঞ্জুর হোসেন, সহ-সভাপতি এড. নরনারায়ন ঘোষ, যুগ্ম সম্পাদক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক প্রদ্যুৎ কুমার ঘোষ, শেখ আফজাল হোসেন, সদর উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক স ম তাজমিনুর রহমান টুটুল। প্রস্তুতি সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর সভার ৯টি ওয়ার্ডে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে আব্দুল বারী, আব্দুল গফ্ফার গাজী, মোহাম্মদ আলী লস্কর, শেখ রবিউল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম, শাহিনুর রহমান, প্রশান্ত কুমার, রুহুল আমিন, ডা. রুহুল আমিন, কাজী তাহমিদ আহমেদ, আব্দুর রাজ্জাক, কাজী শরিফুল ইসলাম, আফসার উদ্দীন, ওবায়েদুল্লাহ ইসলাম, সিরাজুল হক, আলমগীর হোসেন, শফিউল ইসলাম, তবিবুর রহমান, প্রদীপ চন্দ্র বিশ^াস প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরো বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে একতাবদ্ধ থাকতে হবে। আমি তালা-কলারোয়া আসনে মনোয়ন প্রত্যাশী। সভায় সবার সম্মতিক্রমে আগামী ১৩ অক্টোবর উপজেলা অডিটোরিয়ামে পৌর কৃষকলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে পূজা উদ্যাপন কমিটির মতবিনিময়

দেবহাটা সংবাদদাতা: আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেবহাটা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাথে মতবিনিময় করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় থানা ভবনের হল রুমে মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানা অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মান্নান আলী, তদন্ত অফিসার উজ্জল মৈত্র, দেবহাটা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার মন্ডল। এসময় উপস্থিত ছিলেন ২১টি পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। মতবিনিময়কালে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মান্নান আলী বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সব চেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ পূজার প্রতিটি মন্ডপে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ ও আনসার বাহিনির সদস্যরা। তাছাড়া গোয়েন্দা পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সদস্যরা টহলে থেকে কড়া নজর রাখবেন মন্ডপ গুলোতে। যাতে করে কোন অপশক্তি বিশৃঙ্খলা ঘটাতে না পারে। এসময় তিনি সকল পূজা কমিটির সদস্যদের শান্তিপূর্ণভাবে পূজা পরিচালনার করার আহবান জানান।

জাতীয় উন্নয়ন মেলা উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স

উন্নয়নের অভিযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগসহ বর্তমান সরকারের গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রম তৃণমূলে ব্যাপক প্রচারের লক্ষে আগামী ৪ হতে ৬ অক্টোবর খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলায় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ ও ২০৪১ এ উন্নত বাংলাদেশ প্রস্তাবনা এবং এমডিজি অর্জনে সরকারের সাফল্য ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে করণীয় বিষয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে তুলে ধরা হবে। সরকারের জনবান্ধব কার্যক্রম, সাফল্য, উন্নয়ন, সাধারণ জনগণের মাঝে তুলে ধরা এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরকে এ মেলায় সম্পৃক্ত করে সরাসরি জনগণকে সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে।
উন্নয়ন মেলা উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলা প্রশাসন আয়োজিত খুলনা সার্কিট হাউজের সম্মেলনকক্ষে এক প্রেস কনফারেন্সে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এসকল তথ্য জানান ।
এসময় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদসহ সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মেলায় একশ ৫৪টি স্টলের মাধ্যমে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রদর্শন করবে। মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল নয়টা হতে রাত আটটা পর্যন্ত। ৪ অক্টোবর সকাল সাড়ে আটটায় শহীদ হাদিস পার্ক হতে বর্ণাঢ্য একটি র‌্যালি বের হয়ে সার্কিট হাউজ মাঠে এসে শেষ হবে। এরপর সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একযোগে দেশব্যাপী সকল জেলা ও উপজেলা উন্নয়ন মেলা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিস্ফোরণে কাঁপল দমদম

কলকাতা থেকে মনিরুজ্জামান (জুলেট): ঘটনার পরই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ বাহিনী। সাত সকালে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দমদমের নাগেরবাজার অঞ্চল। দক্ষিণ দমদম পুরসভার পুরপ্রধান পাচু রায়ের অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করেই নাকি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরণে শিশু, মহিলাসহ নয়জন আহত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে সাত বছর বয়সী বিভাস ঘোষ নামে এক শিশুর। মঙ্গলবার সকালে নাগেরবাজারের কাছে কাজিপাড়ার একটি বহুতলের একতলার একটি দোকানের সামনে আচমকাই বিস্ফোরণ ঘটে। সকালের ব্যস্ত সময়ে রাস্তা দিয়ে তখন অনেকেই যাচ্ছিলেন। তাঁদের মধ্যেই প্রায় নয়জন গুরুতর আহত হয়। যে বহুতলের সামনে এই বিস্ফোরণ ঘটে সেখানেই পুরপ্রধান পাচু রায়ের একটি অফিস রয়েছে। ফলে, তিনিই বিস্ফোরণের টার্গেট ছিলেন বলে অভিযোগ পাচু রায়ের। ঘটনার পরেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ বাহিনী। কারা ওই এলাকায় বোমা রেখে গেল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশেপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহেরও চেষ্টা চলছে। তবে বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য কী বা কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে এখনও কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সকেট বোমা ফাটিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।

বড়দলে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে ছাত্রলীগের উঠান বৈঠক

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে সরকারের উন্নয়ন সফলতাসহ আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড়দল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে বড়দল দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে দলীয় এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম এর পক্ষে উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ রানা বাবু। বক্তব্য রাখেন আ’লীগ নেতা শিক্ষক বাসুদেব মন্ডল, প্রসাদ মন্ডল, পুলকেশ মন্ডল, সুবোল বিশ্বাস, ডা. পরিমল রায়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসমাউল হুসাইন, যুবলীগ নেতা এমএম সাহেব আলী, সাবেক ইউপি সদস্য সমীরন সরকার, আশাশুনি সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর রহমান রাজসহ উপজেলা ছাত্রলীগ ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

কলকাতা দমদম বিস্ফোরণে শিশু মৃত্যুতে দায় কার!

কলকাতা সংবাদদাতা: নাগের বাজারে বিস্ফোরণের মৃত্যু হয়েছে সাত বছর বয়সী বিভাস ঘোষের। যদিও বিস্ফোরণ নিয়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিস্ফোরণ নিয়ে থিওরি অফ এলিমেনিশনের তত্ত্ব প্রয়োগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক পূর্ণেন্দু বসু। বিস্ফোরণের নেপথ্যে বিজেপি-আরএসএস বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। দমদম বিস্ফোরণে চলে এল থিওরি অফ এলিমিনেশনের তত্ত্ব। সৌজন্যে প্রাক্তন নকশাল নেতা, বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু। তিনি নিজের মন্তব্যের শুরুতে বলেন, সিপিএম-কংগ্রেস এই বিস্ফোরণে নেই। নেই তৃণমূলও। পড়ে থাকে বিজেপি-আরএসএস। তাই ওরাই দায়ী। তবে তাদের সঙ্গে সিপিএম কিংবা কংগ্রেস থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এরআগে বিস্ফোরণের পরেই স্থানীয় পুরসভার চেয়ারম্যান পাচু রায় দাবি করেছিলেন, তাঁর ওপর হামলা করার জন্যই এই বিস্ফোরণ ঘটনো হয়েছে। কিছুক্ষণ পরেই তৃণমূল নেতা-কর্মীরা ভিড় করবেন, তাদের উদ্দেশ্য করেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে, দাবি করেছিলেন পাচু রায়। তিনিও গেরুয়া বাহিনীর প্রতি ইঙ্গিত করেছিলেন।

কলারোয়া ইউসিসিএ নির্বাচনে সভাপতি হলেন মশিয়ার রহমান

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া ইউসিসিএ লি. (বিআরডিবিভূক্ত) এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন-২০১৮ এ সভাপতি পদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন চেয়ার প্রতীকের মশিয়ার রহমান। প্রাপ্ত ভোট ১৪৫। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মই প্রতীকের আব্দুল আহাদ পেয়েছেন ৮৩ ভোট। সূত্র জানায়, ইউসিসিএ লি. এর ব্যবস্থাপনা কমিটির এ নির্বাচনে ১২টি পদের মধ্যে নির্বাচন হয় ৮টি পদে। অপর ৪টি পদ সরকারিভাবে মনোনীত হয়ে থাকে। এই ৮টি পদের মধ্যে মঙ্গলবার নির্বাচন হয়েছে ৪টি পদে। এর মধ্যে ১টি সভাপতি পদ ও ৩টি সদস্য পদ। সূত্র আরও জানায়, উপজেলায় ইউসিসিএ লি. এর আওতায় ৬টি ব্লক। প্রতিটি ব্লক থেকে একজন করে সদস্য ওই ব্লকের ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। এই ব্লকভিত্তিক সদস্য নির্বাচনী এলাকার ১, ৩ ও ৪ নং ব্লকের সদস্য এরই মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। সেই হিসেবে ব্লকভিত্তিক নির্বাচন হয়েছে ২, ৫ ও ৬ নং ব্লকের সদস্য পদে। আর ৬ ব্লকের ২৩১ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ২২৮ জন। ইউসিসিএ লি. এর ব্যবস্থাপনা কমিটির এ নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে আবুল কাশেম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। এ নির্বাচন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ নওশের আলী স্বাক্ষরিত ফলাফলপত্র অনুযায়ী, ব্লক সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ২ নং ব্লকে আতাউর রহমান, ৫ নং ব্লকে নাছিমা বেগম ও ৬ নং ব্লকে হাসিনা খাতুন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ব্লক সদস্যরা হলেন: ১ নং ব্লকে নজরুল ইসলাম, ৩ নং ব্লকে আলি বক্স গাজী ও ৪ নং ব্লকে মশিউর রহমান। মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলা এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কঠোর নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারী অপর ২ সদস্য হলেন জামির হোসেন ও রাশেদুল ইসলাম।

দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

দেবহাটা সংবাদদাতা: দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় হাসপাতালের সভা কক্ষে মতবিনিময় সভায় কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গণি সভাপতিত্ব শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান, দেবহাটা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ইয়ামিন আলী, সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার আমজাদ হোসেন, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল ওহাব, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা অধির কুমার গাইন, রফিকুল ইসলাম প্রমূখ। সভায় ডাক্তার স্বল্পতা, ফার্মাসিস্ট কর্মকর্তা ও টেকনেসিয়ান না থাকা, নি¤œ মানের খাবার পরিবেশন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তাছাড়া রোগীদের চিকিৎসা সেবার মান ভাল করতে হাসপাতাল সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সখিপুর, দেবহাটা সদর, কুলিয়া ও পারুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নাম সংযোজন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।