সুরের ধারায় শুরু হলো ১০দিন ব্যাপি উচ্চাঙ্গ সংগীত ও বাঁশীর কর্মশালা


প্রকাশিত : অক্টোবর ৫, ২০১৮ ||

এসএম শহীদুল ইসলাম: শুদ্ধ সুরের অবগাহনে ভেসে যাওয়ার প্রত্যাশায় শুরু হলো ১০দিন ব্যাপি উচ্চাঙ্গ সংগীত ও বাঁশীর কর্মশালা। শারদ বিকেলে সুরের মূর্ছনা আর অনুষ্ঠান বন্দনায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাশালা মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রশিক্ষক হিসেবে এসেছেন ভারত ও নেপালের সঙ্গীত শিল্পীরা। ১০দিন ব্যাপি উচ্চাঙ্গ সংগীত ও বাঁশীর কর্মশালা বৃহস্পতিবার বিকালে বর্ণমালা একাডেমির আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাশালায় অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণমালা একাডেমির পরিচালক শামীমা পারভীন রত্মার সভাপতিত্বে ‘ধন ধান্যে পুষ্পেভরা আমাদের এই বসুন্ধরা…’ গানের সুর ধরে দশ দিনব্যাপী এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন।
এসময় অতিথিরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘সাতক্ষীরায় এই প্রথম ব্যাতিক্রধর্মী বাঁশীর কর্মশালা। এটা আমাদের অতীত জীবনকে মনে করিয়ে দেয়। রাতের বেলায় বাঁশী বাদকদের বাঁশীর সুর বাতাসের সাথে যেন ঢেউয়ের মত ভেসে আসতো আমাদের কানে। এ সুর যেন তার মন থেকে উঠে আসে বাঁশীর সুরে। সেদিনটি আমরা হারিয়ে ফেলেছি। বর্ণমালার এই আয়োজন বাঁশী সুরের প্রেমীদের মনে জায়গা করে নেবে। ভারত ও নেপাল থেকে আসা প্রশিক্ষকদের মেধা ছড়িয়ে দেবে আমাদের এই প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে। আমরা আশা করি এ কর্মশালা সাংস্কৃতিক অঙ্গণকে আরো একধাপ এগিয়ে নেবে।’
অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট জেলা শাখার সভাপতি আবু আফ্ফান রোজ বাবু, সহ-সভাপতি নাসরিন খান লিপি, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মোসফিকুর রহমান মিল্টন প্রমুখ। কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের রবীন্দ্র ভারতী উচ্চাঙ্গ সংগীতের ওস্তাদ জয়দ্বীপ চক্রবর্তী, নেপালের উচ্চাঙ্গ সংগীতের ওস্তাদ অ¤্রন্দ্রে জাসওয়াল, ভারতের রবীন্দ্র ভারতী উচ্চাঙ্গ সংগীতের মি. ধ্রুব পিএইচডি বাঁশী, কণ্ঠশিল্পী মনজুরুল হক ও বর্ণমালা একাডেমির সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন শিকদার, মিতুল, মঈনুল, নুশরিকা অদ্রি প্রমুখ। ১০দিন ব্যাপি উচ্চাঙ্গ সংগীত ও বাঁশীর কর্মশালায় উচ্চাঙ্গ সংগীতে ৫০জন এবং বাঁশীতে ২৫অংশ নেয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বর্ণমালা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নাহিদা পারভীন পান্না।