শ্যামনগরের নকিপুরে বিশ্বনাথের জমি দখলের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : অক্টোবর ১০, ২০১৮ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমার বাবা সরোজিত মুখার্জীর নামে তার ঠাকুরমা নিভা ননী রানী সম্পত্তি দানপত্র করে দেন। সেই সম্পত্তি আমার বাবা ও তার পরিবার দীর্ঘকাল ভোগদখল করে আসছেন। অথচ এই সম্পত্তি থেকে আমাদের উৎখাত করতে একটি মহল তোড়জোড় শুরু করেছে। তারা বাড়িঘরে ইটপাটকেল মারছে। আমাদেরকে শারীরিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি করে জমি ও গাছগাছালি দখল করে নিয়ে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে একথা বলেন, শ্যামনগরের নকীপুর গ্রামের সরোজিত মুখার্জীর ছেলে বিশ্বনাথ মুখার্জী। এসময় তার মা অর্চনা মুখার্জী ও বোনের জামাই অরুন মুখার্জী উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বনাথ বলেন, শ্যামনগর মৌজায় জেএল নম্বর ৯২, এসএ ৩২২ খতিয়ানের ৮৫ দাগের ৫ শতক সম্পত্তি তার বাবার ঠাকুরমা নিভা ননী রানী মুখার্জী ১৯৮৫ সালে ২৪৪৭ নম্বর দলিল মূলে তার বাবা সরোজিতের নামে দানপত্র করে দেন। সরোজিতের মৃত্যুর পর ঐ জমি ৪ ভাই বাপ্পী মুখার্জী, শম্ভু মুখার্জী তাপি মুখার্জী ও বিশ্বনাথ মুখার্জী প্রাপ্ত হন। এর আগে তাদের পিতা জীবিত থাকা অবস্থায় নামপত্তন করে অন্যান্য দাগের সাথে ৮৫ দাগের ৫ শতক সম্পত্তিও নামপত্তন করা হয়। ঐ জমির খাজনার ১৪২৫ সাল পর্যন্ত পরিশোধিত।
বিশ্বনাথ বলেন, এলাকার আতিয়ার রহমানের ছেলে মুজাহিদ রহমান, শামসুর রহমানের ছেলে টুটুল রহমান, শেখ রেজাউল ইসলাম, শেখ গিয়াস উদ্দিন ও আজিয়ার রহমানের ছেলে বাচ্চু রহমানের নজর পড়ে ওই জমিতে। তারা আমাদের উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে গত ৪ অক্টোবর আমাদের জমিতে এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে সম্পত্তি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। তিনি জানান, ওই সম্পত্তিতে আমাদের অনেক ধর্মীয় অনুষ্ঠান করা হয়। এতেও তারা বাধা সৃষ্টি করে এবং আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। সম্প্র্রতি তারা বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে। দরজায় লাঠির আঘাত করে দরজা ভেঙেও ফেলেছে। এসব বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৫ ধারায় আমরা মামলা করি। আদালত শান্তি রক্ষার জন্য শ্যামনগর থানাকে নির্দেশ দেন।
বিশ্বনাথ মুখার্জী আরও বলেন, এসবের পরও তারা আমাদেরকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমার বোনজামাই অরুন মুখার্জীকে তারা বাড়ি থেকে বের হতে দিচ্ছে না। তাকে খুন জখম করার হুমকি দিচ্ছে। এসব কারনে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি দাবি করে বিশ্বনাথ এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।