এসডিজি অর্জনের বাঁধা দূর করতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মসূচি গ্রহণ


প্রকাশিত : অক্টোবর ২৪, ২০১৮ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: এসডিজি বাস্তবায়নের বড় বাঁধা প্রাথমিক শিক্ষায় ভাষাজ্ঞান। শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করলেও ভাষাজ্ঞানের কারণে তারা উচ্চতর শ্রেণিতে ভর্তি হবার পর চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে দুর্বলতা লক্ষ্য করা গেছে। তারা এ দুটি ভাষা যথাযথভাবে বলতে, লিখতে ও পড়তে পারছে না বলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের জরিপে উঠে এসেছে। এজন্য শিশুদের গুণগত শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস গ্রহণ করেছে কয়েকটি পদক্ষেপ। শিশুরা যাতে ভাষা শিক্ষায় পারদর্শী হয়ে ওঠে এবং বাংলা, ইংরেজি ভাষার লিখন ও পঠনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে পারে সেজন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জেলার সকল প্রাইমারি স্কুলকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন জানান, ভাষাজ্ঞান বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত পাঠাভ্যাস অত্যন্ত জরুরী। প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি বই থেকে একটি প্যারা বা পৃষ্ঠা পঠনের জন্য বাড়ির কাজ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিদিন একপৃষ্ঠা হাতের লেখা বাড়ি থেকে সুন্দর করে লিখে আনার জন্য শিক্ষার্থীদের বলা হচ্ছে। শ্রেণি শিক্ষক তার ক্লাসেই শিক্ষার্থীদের আবশ্যিক পঠন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। শিক্ষকরা নিজেরা শিশুদের সাথে উচ্চারণ করে পাঠদান করবেন। এতে শিক্ষারর্থীদের পাঠদানে জড়তা বিমুক্ত হবে এবং প্রমিত উচ্চারণ শৈলীর সৃষ্টি হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্চারণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের মনোবল বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া শ্রুতি লিখনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শোনার দক্ষতাও বৃদ্ধি করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিদিন কমপক্ষে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি শব্দ শেখাতে পারলে শিক্ষার্থীদের শব্দ ভা-ার আরো সমৃদ্ধ হবে। এতে করে একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার দক্ষ সৈনিক হিসেবে শিক্ষার্থীরা গড়ে উঠে মানবসম্পদে পরিণত হবে। অর্জিত হবে এসডিজির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এজন্য তিনি জেলার সকল শিক্ষককে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।