দেবহাটায় অনৈতিক কাজ করতে এসে ধরা খেলেন ধরম পিতা: থানায় আটকের পর মুক্তি


প্রকাশিত : অক্টোবর ২৯, ২০১৮ ||

দেবহাটা সংবাদদাতা: দেবহাটার সখিপুরে অনৈতিক কর্মকান্ড করতে যেয়ে ধরা খেলেন ধরম পিতা। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ সখিপুর গ্রামর সোহারাব হোসেনের পুত্র এবাদুল ইসলামের বাড়ি থেকে মৃত গোলাম বারী কবিরাজের পুত্র আব্দুল মালেক (৩৫)কে পালানোর সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নারীদের আত্মীয় পরিচয়ে এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। একাধীক বার তাদের সতর্ক করা হলেও কোন পরিবর্তন দেখা যায়নি। তারই সূত্র ধরে শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। ওই রাতে ইউপি সদস্য আকবর আলী এসে আব্দুল মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এবাদুলের স্ত্রীর সাথে তার দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক থাকায় তার ঘরে এসেছিল। কিন্তু এবাদুলের স্ত্রী ঘরের দরজা না খুললে। তার ঘরের সামনে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সে ধরা খায়। এবিষয়ে ইউপি সদস্য আকবর আলী জানান, আমাকে রাতে ফোন করে ডাকা হলে আমি এসে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেই। পুলিশ আব্দুল মালেককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, আমার কাছে বহুদিন ধরে অভিযোগ এসেছে, সোহারাব ও এবাদুলের বাড়িতে অনৈতিক কর্মকান্ড চলছে। আমি তাদের ডেকে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলে দিয়েছি। এবাদুলের স্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সাথে আব্দুল মালেকের ৭/৮ বছরের সম্পর্ক। সে আমার ধরম পিতা। অনেক আগে আমার সাথে গুজব উঠলে আমরা সম্পর্ক নষ্ট করি। তবুও সে বিভিন্ন সময় রাতে আমার বাড়িতে আসত। সে আমার বাড়ি থেকে প্রায় বিভিন্ন জিনিষ চুরি করত। শনিবার রাতে সে আমাদের বাড়িতে চুরি করতে এসেছিল। আমার ননদ জাহানারা দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে সে আমাদের বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে। আমি কোন দোষ করিনি। আমার কোন দোষ নেই। সোহারাব হোসেন জানান, আমার বাড়িতে কি হয় না হয় আমি কোন খবর রাখি না। আমার পরিবারের কেউ আমাকে মূল্য দেয় না। তবে, বাইরের কোন নারী আমার আসে না। যারা আসে সবাই আমার আত্মীয়। দেবহাটা থানার সেকেন্ড অফিসার ইয়ামিন আলী জানান, বাদি পক্ষ আব্দুল মালেককে চুরির অভিযোগে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। আমরা থানায় এনে তার বিরুদ্ধে চুরির বিষয়ে সত্যতা না পেয়ে রবিবার সকালে ছেড়ে দিয়েছি।