সদরে নেবাখালীর মেম্বর বলে কথা!


প্রকাশিত : November 4, 2018 ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাধারণ মানুষের হয়রানি ও বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে নেবাখালীর মেম্বর শাহাদাতের বিরুদ্ধে। শাহাদাত সদর উপজেলার ১০নং আগরদাড়ী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বর। চায়ের দোকানদার থেকে এখন নেবাখালীর মেম্বর বলে কথা। সাধারণ মানুষের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া ও পরিষদের বিভিন্ন ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে অর্থ আদায় করে মেম্বর শাহাদাত এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, মেম্বর শাহাদাতসহ তার পরিবারের ভয়ে এলাকার মানুষ সব সময় আতঙ্কে থাকতেন। সাহস করে এদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে ওই সময় প্রতিবাদ করতে পারতেন না এলাকার মানুষ। পরিবারে মধ্যে শাহাদাত পরান্দহ বাজারে একটি চায়ের দোকান দেয়। এরপর শাহাদাত আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তারপর শাহাদাত ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে মেম্বর পদে নির্বাচিত হয়। শাহাদাত মেম্বর পদে নির্বাচিত হবার পর কাউকে তোয়াক্কা না করে আবারও আগের রুপ ধারন করে এলাকায় দাপটে চলতে শুরু করেছে এবং বেপোয়ারা হয়ে ওঠে। ভুক্তভোগীরা জানান, মেম্বর শাহাদাতকে টাকার ভাগ দিতে হয় যেমন বিভিন্ন ভাতার কার্ড, চালের কার্ড, ৪০ দিনের কর্মসুচীর, ওয়ারেশ কায়েমী সনদ বাবদ, পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেন মেম্বর শাহাদাত। আর তারা অর্থ দিতে না চাইলে জামাতের ও মাদক বিক্রি লোক বলে পুলিশে ধরিয়ে দেয় মেম্বর শাহাদাত। আরো জানান আগরদাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেওয়া বিভিন্ন ভাতার কার্ডধারী, ঘর দেওয়ার নামে গরীব অসহায় ব্যাক্তিদের কাছ থেকে মাথাপিছু ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা আদায় করে থাকেন মেম্বর শাহাদাত। এছাড়া ৪০দিনের কর্মসুচী লোকের কাছ থেকে মাথাপিছু ২০০০ টাকা আদায় করে থাকেন। গত বছরে মেম্বর শাহাদাত ৪০ দিনের কর্মসুচীর প্রকল্প কাজ ফাঁকি দিয়ে ওই কর্মসুচীর লোকজন তার নিজের জমিতে ধান কাটতে ও ধান বানতে নিয়ে যায় এবং সেখানে কর্মসুচীর লোকজন ১০ দিন কাজ করেন বলে সূত্র জানান। মেম্বর শাহাদাতের এসব কর্মকান্ডের কারনে এলাকার সাধারন মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে মেম্বর শাহাদাতের ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।