পত্রদূতে রিপোর্ট প্রকাশের পর ভয়াবহ আর্সেনিক প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর


প্রকাশিত : নভেম্বর ২৩, ২০১৮ ||

তালা প্রতিনিধি: অবশেষে তালায় ভয়াবহ আর্সেনিক প্রতিরোধে স্থানীয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মাঠে নেমেছে। সম্প্রতি পত্রদূতসহ জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় ভয়াবহ আর্সেনিক আক্রান্ত হয়ে গত ১৫ বছরে একই পরিবারের চারজনসহ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে মর্মে খবরটি প্রকাশিত হলে স্থানীয় উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আর্সেনিক প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এতে এলাকার ভুক্তভোগী মানুষের মনে স্বস্তি ফিরেছে বলে জানা গেছে।

সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, তালা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে জালালপুর, মাগুরা, খলিশখালী এবং খেশরা ইউনিয়নের মানুষ ভয়াবহ আর্সেনিক ঝুকিতে রয়েছে। তবে এরমধ্যে বেশির ভাগ জালালপুর ইউনিয়নের মানুষ মাত্রার অধিক ঝুকিতে রয়েছেন। অন্যদিকে তালা সদর, মাগুরা, খলিশখালী, খেশরাসহ অন্যন্য ইউনিয়নগুলো রয়েছে কিছুটা সহনীয়। জালালপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণকাটি গ্রামে ভয়াবহ আর্সেনিক নামক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ১৫ বছরে একই পরিবারের ৪ জনসহ ১৩ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া একই ইউনিয়নের শ্রীমন্তকাটী গ্রামেও রয়েছে আর্সেনিকের ব্যাপক প্রভাব। মাঝে মধ্যে এনজিও প্রতিষ্ঠান বার বার এলাকা পরিদর্শন এবং জরিপ করলেও অদ্যবধি কোন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হয়নি বলে এলাকাবাসি জানিয়েছেন। তবে এবার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কঠোর হস্তে কার্যক্রম শুরু করায় এলাকাবাসীর মনে খুশির ছাপ দেখো গেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী এলাকাবাসি জানান, আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়ে ইতোপূর্বে অনেকেই মৃত্যুবরণ করেছেন। এই মুহূর্তে সুপেয় পানির জন্য ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ট্যাঙ্কী অথবা বড় কোন জলাশয় এর ব্যবস্থা করা হলে আর্সেনিক আক্রান্ত জালালপুর, মাগুরা এবং খেশরা ইউনিয়নের মানুষ বাঁচবে বলে দাবী করেছেন।