আশাশুনির বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের তদন্ত সম্পন্ন


প্রকাশিত : ডিসেম্বর ৭, ২০১৮ ||

শেখ হেদায়েতুল ইসলাম: আশাশুনির বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ম্যানিজিং কমিটির বিরুদ্ধে আশাশুনি সহকারী জজ আদালতে নিয়োগ স্থগিত চেয়ে দেওয়ানী ২৮/১৮নং একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। সে মতে তদন্ত কার্যক্রম বিদ্যালয়টির অফিস কক্ষে সম্পন্ন হয়েছে। মামলার বিবরণে জানা গেছে বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের কোন বৈধতা নেই।
বর্তমান কমিটির মেয়াদ কাল ৮ জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত হওয়ায় বিধি মোতাবেক পরবর্তী নির্বাচনের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন প্রধান শিক্ষক দাউদ হোসেন। নির্বাচনের তফশীল ঘোষণা হওয়ার পর
আর কোন নিয়োগ দেওয়া যাবে না মর্মে আদালতে আবেদন করলে নিয়োগ কমিটির বিরুদ্ধে কারণ দর্শনোর নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক নির্দেশের সময়সিমা পার হওয়ার পর মামলার বাদী পনুরায় আদালতে নিয়োগ স্থগিতের আদেশ প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত তা খারিজ করে দেন। অন্য দিকে গত ১৮-১১-২০১৮ তারিখে মন্ত্রণালয় থেকে সকল বিদ্যালয়ে নির্বাচন কার্যক্রমের বিধি নিষেধ জারি করার চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় অভিভাবক সুধি সমাজের বক্তব্য তাহলে কি বিদ্যালয়টির সহকারী প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকবে ? নাকি শূন্য পদটির নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এ মন প্রশ্ন অভিভাবক, সুধী সমাজের মধ্যে বিদ্যমান। অন্যদিকে পদটি শূন্য থাকায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠ দান দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সব মিলে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করার দাবী জানান তারা। এ ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবিএম মোস্তাকিমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন নিয়োগ কমিটির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলায় স্থগিত চেয়ে পৃথকভাবে আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন গত ১৮-১১-২০১৮ তারিখে মন্ত্রণালয়ে থেকে প্রত্যেটি বিদ্যালয়ে চিঠি এসেছে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালীন সময় বিদ্যালয়ে কোন নির্বাচন করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে অত্র বিদ্যালয়ে নির্বাচনের তপশীল, প্রতিক বরাদ্দ ভোটের দিনক্ষণ বিধি সম্মত হবে না বলে আমি মনে করি। নিয়োগ কমিটির সাথে আলোচনা করে একটা ব্যবস্থা নেব।