২৮ দিনেও করিডোর হয়নি পদ্মশাখরা খাটালের সেই ১৮টি গরু!


প্রকাশিত : ডিসেম্বর ৮, ২০১৮ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: পদ্মশাখরা খাটালে আটক ১৮টি গরু ২৮দিনেও করিডোর করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের হাড়দ্দহা গ্রামের মৃত বাদল গাজীর ছেলে শহিদুল ইসলাম ও তার লোকজন ১২ নভেম্বর রাতে অবৈধভাবে পদ্মশাখরা খাটালে ১৮টি গরু তোলেন। কিন্তু এই ১৮টি গরু করিডোর নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ধু¤্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ২৮দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত গরুগুলো করিডোর করা হয়নি। ১৮টি গরু কে করবে করিডোর ? এমন প্রশ্ন জনমনে। ১৮টি গরু ২৮দিন এক প্রকার না খেয়ে খোলা আকাশে নিচে দাঁড়িয়ে জীবন কাটাচ্ছে বলে এলাকাবাসির অভিযোগ। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, পদ্মশাখরা বিট/খাটালে অবৈধভাবে গরু তোলার ফলে চলতি বছরে ২১ অক্টোবর মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আফিল বিভাগের লিভ টু আফিল ২৯২০/১৮ এর  স্মারকে বিট/খাটালটি বন্ধের আদেশ দেওয়া হয়। উচ্চ আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে গত ১১ নভেম্বর ১০২৩ নম্বর স্মারকের একপত্রে ম্যাজিস্ট্রেট স্বজল মোল্লার স্বাক্ষরে ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক, পুলিশ সুপার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর থানা ওসি, কাস্টম রাজস্ব কর্মকর্তাকে খাটালটি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। অপরদিকে চলতি মাসে ২৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন ৯৮০৮/১৮ নম্বর পদ্মশাখরা খাটালটি মুক্তিযোদ্ধা নুর আলি গাজীর নামে চালু করা জন্য আদালত আদেশ দেন বলে দাবি নুর আলীর। নুর আলি গাজীর পক্ষে আদেশের প্রেক্ষিতে চলতি সালের ১১ নভেম্বর ম্যাজিস্ট্রেট স্বজল মোল্লার স্বাক্ষরে ১০২৪ নম্বর স্মারকের অপর একপত্রে মুক্তিযোদ্ধা নুর আলি গাজীর নামে খাটাল চালু করার জন্য ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক, পুলিশ সুপার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর থানা ওসি, কাস্টম রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়।  কিন্তু শহিদুল ইসলাম ও তার লোকজন উচ্চ আদালতের আদেশ ও প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে চলতি মাসে ১২ নভেম্বর অবৈধভাবে পদ্মশাখরা খাটালে ভারতীয় ১৮টি গরু তোলেন বলে অভিযোগ করেন মুক্তিযোদ্ধা নুর আলি গাজি। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির দায়িত্বশীর এক কর্মকর্তা জানান, গরু করিডোর করতে কাস্টমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারা টাকা জমা নেওয়া গরুগুলো এখনো পর্যন্ত করিডোর হয়নি। গরুগুলো করিডোর না হবার কারণ জানতে চাইলে পদ্মশাখরা বিওপির দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে আমাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানেন।