রাজস্ব আয় বৃদ্ধিসুন্দরবনে কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে ২৭হাজার পর্যটকের পদচারণা


প্রকাশিত : ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮ ||

আজিজুর রহমান শ্যামনগর-বৃহত্তর ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে অন্যতম এক নির্দশন। বহি:বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতির ধারক বাহক। নৈস্বর্গিক সৌন্দর্যোর লীলা ভূমি সুন্দরবনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য পর্যটন স্পট। তন্মধ্যে সাতক্ষীরারেঞ্জের সুন্দরবনে কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম একটি মনোরম দর্শণীয়স্পট। অপরূপ সাজে পর্যটক কেন্দ্রটি ইতোমধ্যে ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের মন কাড়তে সক্ষম হয়েছে। বুড়িগোয়ালিনী বন অফিসেরসার্বিক তত্ত্বাবধানে ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে আছে অসংখ্য রকমেরপ্রাণ বৈচিত্রের সমাহার। যা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। অসংখ্য পর্যটকদের পদচারনার ভিড়ে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্য-সংশিষ্টদের। সরেজমিনে বুড়িগোয়ালিনী বন স্টেশন কর্মকর্তা এসও এম কবীর হোসেনের সাথে কথা হলে জানান, কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজমকেন্দ্রটির কলেবর বৃদ্ধি এবং পর্যটকদের আকর্ষন করতে বন বিভাগের পক্ষথেকে নানান কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। এখানে আছে বিভিন্নরকমের পাক পাকালি ও বন্য প্রাণি। তন্মধ্যে সুন্দরবনের মায়াবি হরিণ, বানর, টিয়া, বন মোরগ, ঘুঘু, ময়না, কাঁক, মদনটাক, শালিক ওবিভিন্ন প্রজাতির বক। দেশ বিদেশের পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছে কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারী হতে নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে মোট ২৭ হাজার ২শত জনপর্যটক ভ্রমণ করেছে এখানে। এসময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৬লাখ ৩৮ হাজার ৯৫০টাকা। রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে সরকারিভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করারকথা বলেন তিনি। পর্যটন কেন্দ্রটি আন্তজার্তিক মানের করা গেলে সরকারি রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, বেকার সমস্যা সমাধান হবে ও এলাকার সার্বিক উন্নয়ন হবে বিশিষ্টজনের অভিমত।