মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন প্রাচীন কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ: প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্রাচার্য্য


প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৩, ২০১৯ ||

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন আধুনিকতার জনক, পৃথিবী যখন প্রাচীন ধ্যান ধারণায় পাশ্চাত্য জমিদারী রীতিনীতি প্রচলিত ছিলো, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আধুনিকতা ও আধুনিক সমাজের প্রবর্তন ঘটিয়েছেন। তবুও তাকে দমিয়ে রাখতে পারিনি। তিনি কতটা আধুনিক ছিলেন তা তার সাহেবী কোট-টাই পরা দেখে বোঝা যায়। শুধু তাই নয় তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তমনের মানুষ। মুক্তিযোদ্ধা, যুক্তিযোদ্ধা, ভাষাযোদ্ধা এবং প্রাচীন কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। তাই এই সাগরদাঁড়ীর মধু মেলা আজ সব বাঙ্গালীর মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ২২ জানুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর জেলার কেশবপুরের কপোতাক্ষ নদের পাড়ে সাগরদাড়িতে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্রাচার্য্য (এমপি) এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী ফিতা কেটে ৭দিন ব্যাপী মধুমেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। খুলনা বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংসদ সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, যশোর-২ মেজর জেনারেল (অবঃ)অধ্যাপক ডাঃ মীর মোঃ নাসির উদ্দিন, যশোর জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল, পুলিশ সুপার মইনুল হক বিপিএম, পিপিএম, কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যার এইচ এম আমির হোসেন, পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন, সিনিয়র সহ সভাপতি তপন কুমার ঘোষ, যশোর জেলা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কাজী রফিকুল ইসলাম, এড. রফিকুল ইসলাম পিটু (পিপি), সাগরদাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান।