ক্রেতাশূন্য কপিলমুনির শীতপোশাকের দোকান


প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৫, ২০১৯ ||

আব্দুস সবুর আল-আমীন, কপিলমুনি (খুলনা): ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। ঋতু বৈচিত্র্যে (পৌষ-মাঘ) এখন শীত কাল। মাঘ মাসের আর কয়েক দিন বাকি আছে। শীতের তীব্রতা কমতে শুরু করেছে। রাতে হালকা শীত অনুভূত হলেও দিনে শীতের তীব্রতা নেই বললেও চলে। শীতের তীব্রতা কমার সাথে সাথে ভীড় কমছে শীতের পোশাকের দোকানে। দোকান গুলো প্রায় ক্রেতা শূন্য। অথচ কয়েক দিন আগেও শীতের পোশাকের দোকানে ছিলো উঁপচে পড়া ভীড়। নি¤œ ও মধ্যম আয়ের মানুষ ফুটপাথের দোকান গুলো থেকে গরম কাপড় কিনেছেন। ফুটপাথ থেকে শুরু করে বিলাস বহুল দোকানে শীতের বিক্রি এক দম নেই। দোকানীরা বিভিন্ন গরম পোশাক সাঝিয়ে বসলে ক্রেতা নেই। এমন চিত্র বৃহস্পতিবার খুলনার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক শহর কপিলমুনি (বিনোদগঞ্জ) বাজারে চোখে পড়ে। দুই সপ্তাহ আগেও পুরাতন কাপড়ের দোকানে নি¤œ ও মধ্যবিত্ত মানুষের জমজমাট ভীড় ছিল।
সরেজমিনে দেখা যায়, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজারের বিনোদ চত্ত্বরে সারিবদ্ধ শীত পোশাকের দোকান। ক্রেতা না থাকায় নীরব দোকানী। কদিন আগেও তিল পরিমাণ ঠাই ছিল না ক্রেতাদের ভীড়ে। দোকানীরা হাঁক ছেড়ে বলছে ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ টাকায় জ্যাকেট, সোয়েটার, জাম্পার কে নেবেন? কে নেবেন? নি¤œ আর নি¤œ মধ্য যেন ওই দোকান গুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। শীতে উষ্ণতা পেতে সাধ্যের মধ্যে ক্রয় করেছেন শীত পোশাক। একই অবস্থা ক্রেতাশূন্য গার্মেন্টস এবং বিলাস বহুল দোকান গুলো।
ফুটপাথে বসা কয়েক জন ব্যবসায়ী জানান, বিক্রি একেবারেই নেই। গত দুই হাট আগেও ভালো বিক্রি হয়েছে। এখানে সপ্তাহ দুই দিন (রবি ও বৃহস্পতিবার) হাট হয়। স্থায়ী গার্মেন্টস ও বিপনী বিতানের কয়েক জন ব্যবসায়ী জানান, হঠাৎ শীত কমে যাওয়াই শীতের পোশাক বিক্রি অনেক কমে গেছে। এক জন ক্রেতা জানান, আমাদের মত মধ্যবিত্ত ও নি¤œ আয়ের মানুয়ের ফুটপথের দোকানে ঝোক বেশি থাকে। সাধ্যের মধ্যে অনেক ভাল শীতের পোশাক ক্রয় করা যায়। কয়েক দিন শীত বেশি থাকায় সে সময় পুরাতন কাপড়ের বিক্রিও ভালো ছিলো। এখন আর কেউ শীতের পোশাক কিনছেন না। শীতের পোশাকের দোকান গুলো এখন তাই ক্রেতা শূন্য।