তোষিকে কাইফু আশাশুনি উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক


প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৭, ২০১৯ ||

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক তোষিকে কাইফু সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলা শাখার বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন। গত ২৩ জানুয়ারি’১৯ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাকে আশাশুনি উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত করেন।
উল্লেখ্য: মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ পরিবারে বেড়ে ওঠা কাইফু স্কুল জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে চলেছেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে তিনি সক্রিয় ছিলেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কালো আইন বাতিল, ২০১৪ সালের ছাত্রলীগের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের হল আন্দোলনসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জবির “স্লোগান মাস্টার” খ্যাত কাইফু দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জামাত মোকাবেলায় পুরান ঢাকারর রাজপথে সক্রিয় থেকে জবি ছাত্রলীগকে গতিশীল করতে ভূমিকা রাখেন।
তোষিকে কাইফু রাজপথে যেমন মুজিব আদর্শ ধারণ করে চলেছেন তেমনি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পালনে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ বিভাগে মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণীতে উওীর্ণ শুধু নয় সেরাদের মাঝে নিজের যায়গা করে নিয়েছেন।
শিক্ষাজীবন শেষে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিলেও সেখানে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে পারেননি এ মুজিব সৈনিক। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যা ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপির হাত ধরে আবারো তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
পরবর্তীততে ২০১৬ সাল থেকে সাতক্ষীরা জেলায় জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন চিত্র ও সাতক্ষীরা জেলায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র অসামান্য অবদান ও উন্নয়ন চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে জেলাবাসীর নজর কেড়েছে। এছাড়া তিনি উন্নয়ন চিত্রগুলো ব্যানার ফেস্টুনের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচারণায় ব্যাপক ভূমিকা রাখেন।
উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হওয়ার অনুভূতি প্রকাশের সময় প্রতিবেদক কে তোষিকে কাইফু বলেন, “রাজনীতি আমার রক্তে মিশে আছে। রাজপথে ছাত্রজীবন থেকে সক্রিয় থেকেছি সুতরাং রাজনীতির বাইরে নিজেকে ভাবতে পারিনা। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণেরা যদি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে রাজনীতিতে আসতে ব্যার্থ হই তাহলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবে রপদান বিলম্বিত হবে। এখন সময় এসেছে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আবারো রাজপথে নিজেকে উজাড় করে দেবো। বঙ্গবন্ধুর মতো সর্বদা গণমানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবো। আমার রাজনীতি হবে কর্মীবান্ধব রাজনীতি।” প্রেস বিজ্ঞপ্তি