আশাশুনির কাদাকাটিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গ্রাম আদালত


প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৯, ২০১৯ ||

কুল্যা (আশাশুনি) প্রতিনিধি: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ইউএনডিপির আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নে সর্বস্তরের জনগনের কাছে গ্রাম আদালত খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গ্রামাঞ্চলের ছোট খাটো দ্বন্দ বিরোধ যা ৭৫ হাজার টাকার এখতিয়ারভুক্ত, সে সকল মামলাগুলো অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক ভাবে নিষ্পত্তির জন্য গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই। প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সহযোগী সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কাদাকাটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিয়মিত উঠান সভা, কমিউনিটি শেয়ারিং মিটিং, ভিডিও নাটক প্রদর্শন, যুব কর্মশালা, মাইকিং ইত্যাদি পোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার ফলে এলাকার মানুষ ছোট খাটো দ্বন্দ্ব বিরোধের জন্য থানা কিংবা আদালতের দারস্থ না হয়ে গ্রাম আদালতে এসে ৫ (পাঁচ) জন বিচারকের সমন্বয়ে সঠিক বিচার সেবা লাভ করছেন। যার ফলশ্রুতিতে ৩নং ওয়ার্ডের পূর্ব কাদাকাটি গ্রামের স্বামী হারা অসহায় বাসন্তী রানী তার স্বামীর রেখে যাওয়া চিংড়ি পোনা বিক্রির বকেয়া টাকা আদায়ের জন্য গ্রাম আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন এবং তার পাওনা ২৭ হাজার টাকা গ্রাম আদালতের ন্যায় বিচারক ইউপি চেয়ারম্যান দিপংকর কুমার সরকারের মাধ্যমে ফিরে পেলেন। ইউনিয়ন গ্রাম আদালত সহকারী মহেশ চন্দ্র মন্ডল জানান, প্রকল্পের শুরু (এপ্রিল/১৭) থেকে এ পর্যন্ত কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট ১১০টি মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ১০৫টি মামলা এবং প্রায় ৩ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে আবেদনকারীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।